সংবাদ শিরোনাম ::
কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা শত্রুতার জেরে পেট্রোল ঢেলে আগুন, পুড়লো বসতবাড়ি ৫ আগস্টের পর ভাগ্য বদলে গেছে জামায়াত নেতার ছেলের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসের ইউরোপ সফর, উঠছে নানা প্রশ্ন ঢাকার গুলিস্তানে সিলগালা ভেঙে পার্কিংয়ে সহস্রাধিক অবৈধ দোকান কাজ না করেই সরকারি প্রকল্পের ১২ কোটি টাকা নিয়ে গেল ঠিকাদার বিপিসির আহম্মদুল্লাহর ঢাকায় বহুতল ভবন, গ্রামে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি রাষ্ট্রের টাকায় ব্যক্তিগত ‘ভবিষ্যৎ’ গড়লেন সামি! নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি

হামাসের কাছে থাকা আরও ৪ জিম্মি নিহত

গাজা উপত্যকায় হামাসের হাতে বন্দি আরও চার জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী। নিহত চারজনকেই গত ৭ অক্টোবরের হামলার সময় ইসরাইল থেকে বন্দি করে নিয়ে গিয়েছিলেন হামাস।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বলেছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে ইসরাইলি অভিযানের সময় এই চারজন একসঙ্গে মারা গেছেন। তবে তাদের লাশ এখনো হামাসের হাতে রয়েছে।

নিহত চারজন হলেন, ব্রিটিশ-ইসরাইলি নাদাভ পপলওয়েল (৫১), চাইম পেরি (৭৯), ইয়োরাম মেটজগার (৮০) ও আমিরাম কুপার (৮৫)। তারা সবাই পুরুষ।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফের মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি বলেছেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহে সংগৃহীত গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তারা এই বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন।

তিনি বলেন, খান ইউনিস এলাকায় হামাসের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযানের সময় তারা চারজন একসঙ্গে নিহত হয়েছেন। তবে তিনি এই বিষয়ে আরও কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।

এর আগে গত মাসে হামাস জানিয়েছিল, এপ্রিলে ইসরাইলি হামলায় নাদাভ পপলওয়েল মারা গেছেন। তখন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর বিষয়টি তদন্ত করার কথা জানায়। তবে এখন পর্যন্ত নাদাভের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেনি যুক্তরাজ্য।

গত ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে প্রবেশ করে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে ১২০০ ইসরাইলিকে হত্যা এবং প্রায় ২৫০ জন ইসরাইলি ও বিদেশি নাগরিককে বন্দি করে গাজায় নিয়ে আসে হামাস। একই দিন হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে গাজায় নির্বিচারে বোমা হামলা করে আসছে ইসরাইল। ইতিমধ্যে ছোট্ট এই উপত্যকায় ইসরাইলের হামলায় ৩৬ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

গত নভেম্বরে কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে সাতদিনের একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল। চুক্তির আওতায় হামাস শতাধিক ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তিও দেয়। তবে এখনো তাদের হাতে শতাধিক ইসরাইলি বন্দি রয়েছে। কিন্তু তাদের অনেকের মৃত্যু হয়েছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক

হামাসের কাছে থাকা আরও ৪ জিম্মি নিহত

আপডেট সময় ১২:২৩:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ জুন ২০২৪

গাজা উপত্যকায় হামাসের হাতে বন্দি আরও চার জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী। নিহত চারজনকেই গত ৭ অক্টোবরের হামলার সময় ইসরাইল থেকে বন্দি করে নিয়ে গিয়েছিলেন হামাস।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বলেছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে ইসরাইলি অভিযানের সময় এই চারজন একসঙ্গে মারা গেছেন। তবে তাদের লাশ এখনো হামাসের হাতে রয়েছে।

নিহত চারজন হলেন, ব্রিটিশ-ইসরাইলি নাদাভ পপলওয়েল (৫১), চাইম পেরি (৭৯), ইয়োরাম মেটজগার (৮০) ও আমিরাম কুপার (৮৫)। তারা সবাই পুরুষ।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফের মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি বলেছেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহে সংগৃহীত গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তারা এই বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন।

তিনি বলেন, খান ইউনিস এলাকায় হামাসের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযানের সময় তারা চারজন একসঙ্গে নিহত হয়েছেন। তবে তিনি এই বিষয়ে আরও কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।

এর আগে গত মাসে হামাস জানিয়েছিল, এপ্রিলে ইসরাইলি হামলায় নাদাভ পপলওয়েল মারা গেছেন। তখন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর বিষয়টি তদন্ত করার কথা জানায়। তবে এখন পর্যন্ত নাদাভের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেনি যুক্তরাজ্য।

গত ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে প্রবেশ করে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে ১২০০ ইসরাইলিকে হত্যা এবং প্রায় ২৫০ জন ইসরাইলি ও বিদেশি নাগরিককে বন্দি করে গাজায় নিয়ে আসে হামাস। একই দিন হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে গাজায় নির্বিচারে বোমা হামলা করে আসছে ইসরাইল। ইতিমধ্যে ছোট্ট এই উপত্যকায় ইসরাইলের হামলায় ৩৬ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

গত নভেম্বরে কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে সাতদিনের একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল। চুক্তির আওতায় হামাস শতাধিক ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তিও দেয়। তবে এখনো তাদের হাতে শতাধিক ইসরাইলি বন্দি রয়েছে। কিন্তু তাদের অনেকের মৃত্যু হয়েছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।