ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি সরকারের ভিত্তি হচ্ছে মানুষকে সম্পদ হিসেবে দেখা: মুশফিকুর রহমান গণতন্ত্র ও সুশাসন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শত শত ডিসেম্বর চলে যাবে, শেখ হাসিনা আর ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন শেখ হাসিনা ‘বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী’ : স্পিকার কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন টুঙ্গিপাড়ায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ নোয়াখালীর চৌমুহনীতে আবাসিক হোটেলে ডিবির অভিযান, ৫ পুরুষ ও ৭ নারী গ্রেপ্তার বরগুনায় ২০২৭ সালে সরকারিভাবে হজ্ব গমন উপলক্ষে উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধন অভিযান ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের রেললাইন নির্মাণ বন্ধের পাঁয়তারা!

শহীদ মিনারে মানুষের ঢল, গার্ড অব অনার

কিংবদন্তি গীতিকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও প্রযোজক গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয়। সেখানেই তাকে রাষ্ট্রীয় এই সম্মান জানানো হয়।

এসময় গাজী মাজহারুল আনেয়ারকে এক নজর দেখতে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে হাজির হন বিভিন্ন অঙ্গনের মানুষ। তারমধ্যে ছিলেন সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন, কুমার বিশ্বজিৎ, মনির খান, নকীব খান, শহীদুল্লাহ ফরায়জী, আসিফ ইকবাল, শেখ সাদী খান, মানাম আহমেদ, ইমন সাহা প্রমুখ। এছাড়া নায়ক উজ্জ্বলসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন শ্রেণিপেশার অনেক সাধারণ মানুষও গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে আসেন। সরকার দলীয় সংগঠন আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। শ্রদ্ধা জানাতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, ‘গাজী ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল অন্যরকম। তার লেখা হাজার হাজার গানের মধ্যে ৬-৭ হাজার গান আমি নিজেই গেয়েছি। আমাদের মধ্যে একটা টিম ওয়ার্কিং ছিল। আমি তার জন্য আল্লাহর কাছে জান্নাতের সর্বোচ্চ জায়গা কামনা করি।’

এদিকে জানা গেছে, শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বেলা ১২টায় গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মরদেহ নেওয়া হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি)। সেখানে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর  তার মরদেহ নেওয়া হবে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হবে। সবশেষে গুলশানের আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা শেষে গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

উল্লেখ্য, গাজী মাজহারুল আনোয়ার ১৯৪৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার তালেশ্বর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৪ সাল থেকে রেডিও পাকিস্তানে গান লেখা শুরু করেন তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্মলগ্ন থেকেই নিয়মিত গান ও নাটক রচনা করেন। গানের পাশাপাশি চলচ্চিত্র নির্মাণ ও চিত্রনাট্য রচনা করেও সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি। তার মৃত্যুতে দেশের শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি সরকারের ভিত্তি হচ্ছে মানুষকে সম্পদ হিসেবে দেখা: মুশফিকুর রহমান

শহীদ মিনারে মানুষের ঢল, গার্ড অব অনার

আপডেট সময় ০৯:২৬:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

কিংবদন্তি গীতিকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও প্রযোজক গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয়। সেখানেই তাকে রাষ্ট্রীয় এই সম্মান জানানো হয়।

এসময় গাজী মাজহারুল আনেয়ারকে এক নজর দেখতে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে হাজির হন বিভিন্ন অঙ্গনের মানুষ। তারমধ্যে ছিলেন সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন, কুমার বিশ্বজিৎ, মনির খান, নকীব খান, শহীদুল্লাহ ফরায়জী, আসিফ ইকবাল, শেখ সাদী খান, মানাম আহমেদ, ইমন সাহা প্রমুখ। এছাড়া নায়ক উজ্জ্বলসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন শ্রেণিপেশার অনেক সাধারণ মানুষও গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে আসেন। সরকার দলীয় সংগঠন আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। শ্রদ্ধা জানাতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, ‘গাজী ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল অন্যরকম। তার লেখা হাজার হাজার গানের মধ্যে ৬-৭ হাজার গান আমি নিজেই গেয়েছি। আমাদের মধ্যে একটা টিম ওয়ার্কিং ছিল। আমি তার জন্য আল্লাহর কাছে জান্নাতের সর্বোচ্চ জায়গা কামনা করি।’

এদিকে জানা গেছে, শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বেলা ১২টায় গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মরদেহ নেওয়া হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি)। সেখানে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর  তার মরদেহ নেওয়া হবে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হবে। সবশেষে গুলশানের আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা শেষে গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

উল্লেখ্য, গাজী মাজহারুল আনোয়ার ১৯৪৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার তালেশ্বর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৪ সাল থেকে রেডিও পাকিস্তানে গান লেখা শুরু করেন তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্মলগ্ন থেকেই নিয়মিত গান ও নাটক রচনা করেন। গানের পাশাপাশি চলচ্চিত্র নির্মাণ ও চিত্রনাট্য রচনা করেও সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি। তার মৃত্যুতে দেশের শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।