ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাসাইলের বাসুলিয়ায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী পথচারীর মৃত্যু ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালান শ্রীপুর উপজেলা ও পৌর প্রশাসন বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বাধ্য হয়ে জনগণের অধিকার আদায়ে রাজপথে নেমেছি : শফিকুর রহমান চড়া দামে মাছ-মুরগি-ডিম, বাড়তি দামেও তেলের সংকট ইতালির বিমানবন্দরে যাত্রীর ব্যাগে মিলল মমি করা কুমিরের মাথা বেড়াতে এসে শীতলক্ষ্যায় প্রাণ গেল তিনজনের, এখনো নিখোঁজ ১ আত্রাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু তদন্ত করলে প্রত্যেক ছাত্র উপদেষ্টার নামে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যাবে : প্রতিমন্ত্রী নুর যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে সুবাতাস

জুনে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি পোশাকখাতে

ঢাকা: জুন মাসে তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বাড়লেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।

মঙ্গলবার (০৩ জুলাই) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এই তথ্য জানিয়েছে।

চলতি বছরের জুন মাসে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১ দশমিক ৯৯ শতাংশ। আর নীটওয়্যার পোশাক খাতে রপ্তানি হয়েছে ২ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ। জুনে মোট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৪ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

তবে জুন মা‌সে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার। আর অর্জিত হ‌য়ে‌ছে ৪ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২ দশমিক ৯০ শতাংশ কম।

অন্যদিকে, জুলাই-জুন (২০২২-২৩) অর্থবছরে ওভেন পোশাক রপ্তানি ২১ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ। নীটওয়্যার পোশাক খাতে রপ্তানি হয়েছে ২৫ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

একই অর্থবছরে মোট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৪৬ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ।

জুলাই-জুন ২০২২-২৩ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৬ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার, আর অর্জন হ‌য়ে‌ছে ৪৬ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার। এটি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় মাত্র ০ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি।

এ বিষয়ে বিজিএমইএ’র পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, জুনে না হলেও ২২-২৩ অর্থবছরে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। যদিও ফিগারটা খুব বড়ো নয়। তবে, এই দুঃসময়ের মধ্যে, এই অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে এটা অনেক বড় বিষয়। কিন্তু, এই অর্জিত লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খুব খুশি হওয়ার কিছু নেই। কারণ, কীভাবে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে, সেটাও বুঝতে হবে।

তিনি আরও বলেন, লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হওয়ার পরও আমাদের ক্যাপাসিটি (সক্ষমতা) ভালো, অনেক খালি রয়েছে। ক্রেতারা ক্রয়াদেশ কমিয়ে দিয়েছি। তাহলে কীভাবে অর্জিত হল? আমাদের কাঁচামালের দাম বেড়েছে। এর প্রভাবে রপ্তানির ফিগারটা বড় দেখাচ্ছে। এরপর আমাদের উচ্চমূল্যের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে। সুতরাং, এসব মিলিয়ে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। সুতরাং আমাদের আরও অনেক কাজ করতে হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাসাইলের বাসুলিয়ায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী পথচারীর মৃত্যু

জুনে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি পোশাকখাতে

আপডেট সময় ১২:৪৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০২৩

ঢাকা: জুন মাসে তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বাড়লেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।

মঙ্গলবার (০৩ জুলাই) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এই তথ্য জানিয়েছে।

চলতি বছরের জুন মাসে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১ দশমিক ৯৯ শতাংশ। আর নীটওয়্যার পোশাক খাতে রপ্তানি হয়েছে ২ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ। জুনে মোট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৪ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

তবে জুন মা‌সে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার। আর অর্জিত হ‌য়ে‌ছে ৪ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২ দশমিক ৯০ শতাংশ কম।

অন্যদিকে, জুলাই-জুন (২০২২-২৩) অর্থবছরে ওভেন পোশাক রপ্তানি ২১ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ। নীটওয়্যার পোশাক খাতে রপ্তানি হয়েছে ২৫ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

একই অর্থবছরে মোট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৪৬ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ।

জুলাই-জুন ২০২২-২৩ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৬ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার, আর অর্জন হ‌য়ে‌ছে ৪৬ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার। এটি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় মাত্র ০ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি।

এ বিষয়ে বিজিএমইএ’র পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, জুনে না হলেও ২২-২৩ অর্থবছরে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। যদিও ফিগারটা খুব বড়ো নয়। তবে, এই দুঃসময়ের মধ্যে, এই অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে এটা অনেক বড় বিষয়। কিন্তু, এই অর্জিত লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খুব খুশি হওয়ার কিছু নেই। কারণ, কীভাবে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে, সেটাও বুঝতে হবে।

তিনি আরও বলেন, লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হওয়ার পরও আমাদের ক্যাপাসিটি (সক্ষমতা) ভালো, অনেক খালি রয়েছে। ক্রেতারা ক্রয়াদেশ কমিয়ে দিয়েছি। তাহলে কীভাবে অর্জিত হল? আমাদের কাঁচামালের দাম বেড়েছে। এর প্রভাবে রপ্তানির ফিগারটা বড় দেখাচ্ছে। এরপর আমাদের উচ্চমূল্যের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে। সুতরাং, এসব মিলিয়ে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। সুতরাং আমাদের আরও অনেক কাজ করতে হবে।