ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মোহাম্মদপুর টাউনহলের মূলত সভাপতি কে, ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ প্রকাশ দু’শতাধিক বছরের পুরনো ফুলবাড়ী মহদিপুর শিব-কালী-দুর্গা মন্দির চত্বরের মন্ডপ মেলায় নর-নারীদের মিলনমেলা কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হচ্ছে শিগগিরই ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড : অস্ত্র বিক্রেতা হেলাল ৩ দিনের দিনের রিমান্ডে ফাকরাবাদ একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৩ বছরের ভোগদখলকৃত জমি জবরদখলের অপচেষ্টা, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তদন্তে মিলল সাবেক আইজিপি মামুনের সম্পৃক্ততা, হচ্ছেন আসামি যাত্রাবাড়ীতে তরুণীর অভিযোগের সূত্র ধরে পুলিশের জালে সিরিয়াল প্রতারক ৫ লাখ কর্মচারী নিয়োগ দেবে সরকার বিসিবি সভাপতি পরিবর্তন নিয়ে সিমন্স, ‘এখন আর জীবনে কিছুতেই অবাক হই না’ রংপুরে গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ড, ব্যবসায়ীদের কান্নায় ভারী হাট

‘নিত্যপণ্যের দাম শুনে আতকে উঠি’

ক্রমশ বেড়েই চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। কমছে না মাছ-মাংস, সবজিসহ মসলার দামও। একই অবস্থা মুদি দোকানেও। প্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে বেশ বিপাকে রয়েছেন সাধারণত ক্রেতারা।

শুক্রবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, মরিচসহ অন্যান্য কাঁচা পণ্য। বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। যা দুই সপ্তাহ আগেও ছিলো ৩৫ টাকা। ৩০ টাকা কেজি দরের আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। ২০ টাকা বেড়ে মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া লম্বা বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৮০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শশা ১২০ টাকা, টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ধুন্দল ৭০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চালকুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, ১০০ থেকে ১২০ টাকা গুনতে হচ্ছে প্রতি কেজি কচুরমুখীর জন্য।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে। চাহিদা অনুযায়ী সবজি পাচ্ছেন না তারা।

কাঁচা পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হলেও কিছুটা কমে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি দরে। দেশি মুরগি ৬৮০ টাকা। তবে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম বেড়ে হয়েছে ১৫০ টাকা ডজন।

ডিমের মতো একই অবস্থা গরুর মাংসের দামেও। রমজানের পর থেকে দুই দফা বেড়ে এখন প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকায়। আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০ টাকা কেজি দরে।

সপ্তাহের ছুটির দিন বাজার করতে আসা ইমরান হোসেন বলেন, প্রতিদিনই দাম বাড়ছে। নিত্যপণ্যের দাম শুনে আতকে উঠি। ১০০০ টাকায় বাজারের ব্যাগের অর্ধেকও ভরে না!

গরুর মাংসের মতো দাম বেড়েছে মাছের। বাজারভেদে ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৭০০-২০০০ টাকায়, রুই মাছ ৩০০-৪০০, কাতল মাছ ৪৫০-৫০০, কালিবাউশ মাছ ৫০০-৫৫০, চিংড়ি মাছ ৭০০-৯০০, কাঁচকি মাছ ৫০০, টেংরা মাছ ৭০০, পাবদা মাছ ৪০০ টাকা কেজি। ছোট আকারের পাঙাশ-তেলাপিয়া মাছের দামও এখন কেজিপ্রতি ২৪০-২৫০ টাকা।

এদিকে তেল ও চিনির দাম গত কয়েক মাসে দফায় দফায় বেড়ে রেকর্ড ছুঁয়েছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মুদি দোকানগুলোতে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়। অন্যদিকে চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৪০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া মুসরের ডাল ১৩০ টাকা, মুগ ডাল ১২০ টাকা, খেসারি ডাল ৮০ টাকা, বুটের ডাল ৯৫ টাকা, ছোলা ৮৫ টাকা, খোলা আটা ৫৭ টাকা, খোলা ময়দা ৬৩ টাকা, খোলা সরিষার তেল ২৫০ টাকা লিটার।

আমাদের মাতৃভূমি/মাজহারুল

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোহাম্মদপুর টাউনহলের মূলত সভাপতি কে, ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ প্রকাশ

‘নিত্যপণ্যের দাম শুনে আতকে উঠি’

আপডেট সময় ০৩:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩

ক্রমশ বেড়েই চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। কমছে না মাছ-মাংস, সবজিসহ মসলার দামও। একই অবস্থা মুদি দোকানেও। প্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে বেশ বিপাকে রয়েছেন সাধারণত ক্রেতারা।

শুক্রবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, মরিচসহ অন্যান্য কাঁচা পণ্য। বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। যা দুই সপ্তাহ আগেও ছিলো ৩৫ টাকা। ৩০ টাকা কেজি দরের আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। ২০ টাকা বেড়ে মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া লম্বা বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৮০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শশা ১২০ টাকা, টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ধুন্দল ৭০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চালকুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, ১০০ থেকে ১২০ টাকা গুনতে হচ্ছে প্রতি কেজি কচুরমুখীর জন্য।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে। চাহিদা অনুযায়ী সবজি পাচ্ছেন না তারা।

কাঁচা পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হলেও কিছুটা কমে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি দরে। দেশি মুরগি ৬৮০ টাকা। তবে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম বেড়ে হয়েছে ১৫০ টাকা ডজন।

ডিমের মতো একই অবস্থা গরুর মাংসের দামেও। রমজানের পর থেকে দুই দফা বেড়ে এখন প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকায়। আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০ টাকা কেজি দরে।

সপ্তাহের ছুটির দিন বাজার করতে আসা ইমরান হোসেন বলেন, প্রতিদিনই দাম বাড়ছে। নিত্যপণ্যের দাম শুনে আতকে উঠি। ১০০০ টাকায় বাজারের ব্যাগের অর্ধেকও ভরে না!

গরুর মাংসের মতো দাম বেড়েছে মাছের। বাজারভেদে ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৭০০-২০০০ টাকায়, রুই মাছ ৩০০-৪০০, কাতল মাছ ৪৫০-৫০০, কালিবাউশ মাছ ৫০০-৫৫০, চিংড়ি মাছ ৭০০-৯০০, কাঁচকি মাছ ৫০০, টেংরা মাছ ৭০০, পাবদা মাছ ৪০০ টাকা কেজি। ছোট আকারের পাঙাশ-তেলাপিয়া মাছের দামও এখন কেজিপ্রতি ২৪০-২৫০ টাকা।

এদিকে তেল ও চিনির দাম গত কয়েক মাসে দফায় দফায় বেড়ে রেকর্ড ছুঁয়েছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মুদি দোকানগুলোতে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়। অন্যদিকে চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৪০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া মুসরের ডাল ১৩০ টাকা, মুগ ডাল ১২০ টাকা, খেসারি ডাল ৮০ টাকা, বুটের ডাল ৯৫ টাকা, ছোলা ৮৫ টাকা, খোলা আটা ৫৭ টাকা, খোলা ময়দা ৬৩ টাকা, খোলা সরিষার তেল ২৫০ টাকা লিটার।

আমাদের মাতৃভূমি/মাজহারুল