সংবাদ শিরোনাম ::
তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার: প্রধানমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তায় ২০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার সময় স্ত্রীকে কক্ষে আটকে রাখেন সোহেল, সঙ্গে ছিল আরেক সহযোগী সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তি আদালত অবমাননা: শিশির মনির পার্বতীপুর প্রেসক্লাবের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও প্রতিবেদনের প্রতিবাদে মানববন্ধন বেরোবিতে কর্মচারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বেরোবিতে বাংলাদেশ-পাকিস্তান এডুকেশন এক্সপো অনুষ্ঠিত আত্রাইয়ে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকের ডিলার গ্রেফতার বিআইডব্লিউটিএ দুর্নীতির অভিযোগ, নৌমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা টিকা নিয়ে ইউনূস সরকারকে ৫-৬টি চিঠি দিয়েও সাড়া মেলেনি : ইউনিসেফ

কুমিল্লার ডিসি হতে ৮ কোটি টাকার চুক্তির অভিযোগ

ডিসি হতে চান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামাল। এ জন্য তিনি ৮ কোটি টাকার একটি চুক্তি করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে। এমন অভিযোগে এই কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সরওয়ার কামাল বলেছেন, স্বাক্ষর জাল করে তৈরি করা হয়েছে ভুয়া কাগজপত্র। গত ১৩ মে নোটিশটি জারি করা হয় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-২ শাখা থেকে।

গতকাল শনিবার রাতে ফাঁস হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত নোটিশটি। এই নোটিশের একটি কপি সংরক্ষিত আছে। নোটিশে বলা হয়েছে, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক পদে পদায়নের উদ্দেশ্যে এস এম সরওয়ার কামাল চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ৮ কোটি টাকার একটি অঙ্গীকারনামা ও চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে।

নোটিশে আরও বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের দায়ে তার বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা তিন কার্যদিবসের মধ্যে স্থানীয় সরকার সচিবের কাছে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আজ রবিবার সচিবালয়ে গিয়ে নোটিশের জবাব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এস এম সরওয়ার কামাল। তার ভাষ্য, ‘বিভাগীয় কমিশনার স্যারের সঙ্গে এভাবে কি চুক্তি করা যায়? কেউ হয়তো স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অভিযোগ করেছে।

এস এম সরওয়ার কামাল জনপ্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাকে প্রেষণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে পদায়ন করা হয়। জেলা প্রশাসক পদের কর্মকর্তারাও একই পদমর্যাদার। এদিকে ৮ কোটি টাকার চুক্তির অভিযোগে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। তিনি বলেছেন, এটি ষড়যন্ত্র হতে পারে। এ ধরনের চুক্তির প্রশ্নই ওঠে না। এটা আবার হয় নাকি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার: প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার ডিসি হতে ৮ কোটি টাকার চুক্তির অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

ডিসি হতে চান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামাল। এ জন্য তিনি ৮ কোটি টাকার একটি চুক্তি করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে। এমন অভিযোগে এই কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সরওয়ার কামাল বলেছেন, স্বাক্ষর জাল করে তৈরি করা হয়েছে ভুয়া কাগজপত্র। গত ১৩ মে নোটিশটি জারি করা হয় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-২ শাখা থেকে।

গতকাল শনিবার রাতে ফাঁস হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত নোটিশটি। এই নোটিশের একটি কপি সংরক্ষিত আছে। নোটিশে বলা হয়েছে, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক পদে পদায়নের উদ্দেশ্যে এস এম সরওয়ার কামাল চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ৮ কোটি টাকার একটি অঙ্গীকারনামা ও চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে।

নোটিশে আরও বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের দায়ে তার বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা তিন কার্যদিবসের মধ্যে স্থানীয় সরকার সচিবের কাছে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আজ রবিবার সচিবালয়ে গিয়ে নোটিশের জবাব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এস এম সরওয়ার কামাল। তার ভাষ্য, ‘বিভাগীয় কমিশনার স্যারের সঙ্গে এভাবে কি চুক্তি করা যায়? কেউ হয়তো স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অভিযোগ করেছে।

এস এম সরওয়ার কামাল জনপ্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাকে প্রেষণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে পদায়ন করা হয়। জেলা প্রশাসক পদের কর্মকর্তারাও একই পদমর্যাদার। এদিকে ৮ কোটি টাকার চুক্তির অভিযোগে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। তিনি বলেছেন, এটি ষড়যন্ত্র হতে পারে। এ ধরনের চুক্তির প্রশ্নই ওঠে না। এটা আবার হয় নাকি।