রংপুর নগরীর সাতগারা শান্তিধারা এলাকায় নিয়ম বহির্ভূতভাবে বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপনকে কেন্দ্র করে নেসকো-২ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল মতিন ও সহকারী প্রকৌশলী সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১৫ লাখ টাকার বিনিময়ে অফিসিয়াল অনুমোদন ও দাপ্তরিক আবেদন ছাড়াই বিদ্যুৎ খুঁটি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আব্দুল মোত্তালিব ও তানজিনা বেগমকে বিশেষ সুবিধা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে এলাকাবাসী খুঁটি স্থাপনের কাজে বাধা দেন। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে সোটকে পড়েন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ব্যক্তিস্বার্থে নিয়ম ভেঙে বিদ্যুৎ খুঁটি স্থাপন করা হলে জনসাধারণের চলাচল ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর নেসকো-২ এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঘুস নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও এলাকায় আলোচনা রয়েছে।
এদিকে স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছেন অভিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল মতিন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে তিনি ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এক পর্যায়ে তিনি পুরো ঘটনার দায় সহকারী প্রকৌশলী সাদ্দাম হোসেনের ওপর চাপানোর চেষ্টা করেন। তবে অভিযোগের সত্যতা মিললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সচেতন মহলের দাবি, নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া এ ধরনের কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। সরকারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ জনমনে আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে বলে তারা মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
মোঃ রাকিবুল হাসান পরাগ 





















