সংবাদ শিরোনাম ::
বিধি ভেঙে আরএমও পদায়ন, ‘এম উদ্দিন’ ছদ্মনামে টেস্ট সিন্ডিকেটের অভিযোগ ইডকলে এনামুলের বিরুদ্ধে লুটপাটের রাজত্বের অভিযোগ সওজ কর্মকর্তা শাহনুর রশিদ এখন শতকোটি টাকার মালিক জালিয়াতি করে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ বাশার-মঞ্জুরুলের বিরুদ্ধে এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের সিএন্ডএফ ক্লিয়ারিং বাণিজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দুই মাসে ৫০০ কোটি টাকা মুনাফা টিকে গ্রুপের দেশের ৯ অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার শঙ্কা ববিতে লাগামহীন লোডশেডিংয়ে তীব্র ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা- ব্যহত বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম  বড়লেখার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে ভারতীয় দুটি এয়ারগান জব্দ বাঘায় বিদ্যুত স্পৃষ্টে যুবক নিহত

বদলি-বাণিজ্য ও সিন্ডিকেট অভিযোগ ঘিরে রাজিবুল হাদীর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)-এর অভ্যন্তরে দীর্ঘদিন ধরে চলমান প্রশাসনিক অনিয়ম, বদলি-বাণিজ্য, প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বজনপ্রীতি ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে আলোচনায় এসেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাজিবুল হাদী। সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা ও অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি অনুযায়ী, বিগত সময়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোর সুবিধা নিয়ে তিনি একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, জিটুজি প্রকল্পসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পে দায়িত্ব পালনকালে তিনি একচ্ছত্র প্রভাব খাটিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নে ঠিকাদার নির্বাচন থেকে শুরু করে নকশা ও ডিজাইন অনুমোদন পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি অনিয়মের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেছেন।
অভিযোগকারীদের মতে, তিনি দীর্ঘ কর্মজীবনে প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহার করে সুবিধাজনক পোস্টিং ও প্রকল্প-সম্পর্কিত দায়িত্ব নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। এতে করে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মাধ্যমে কাজ বণ্টন ও অর্থনৈতিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করা হতো বলেও দাবি করা হয়।
ডিপিডিসির কয়েকজন কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, রাজিবুল হাদীর বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর মধ্যে একটি হলো প্রকল্পের নকশা ও প্রযুক্তিগত ড্রইং সংশ্লিষ্ট তথ্য বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে অনিয়মিতভাবে সরবরাহ করা। তাদের দাবি অনুযায়ী, এতে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
একই সঙ্গে অভিযোগ রয়েছে, কিছু চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ বণ্টন প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে অতিরিক্ত ব্যয় ও অনিয়মিত লেনদেনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, ডিপিডিসির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ, গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান, নকশা অনুমোদন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করে ঘুষ ও প্রভাবের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো। যদিও এসব অভিযোগের কোনোটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
একটি অভ্যন্তরীণ সূত্র আরও দাবি করে, তার কর্মস্থলে অবস্থানকালে একটি শক্তিশালী প্রশাসনিক নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, যা বদলি, পদায়ন এবং প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলত। এর ফলে যোগ্যতার ভিত্তিতে নয় বরং প্রভাবের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী বা তার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাধারণত এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়ে থাকে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তবে নির্দিষ্ট কোনো লিখিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ডিপিডিসির অন্যান্য কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম বৃহৎ বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা হওয়ায় এখানে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কিছু অভ্যন্তরীণ প্রভাবশালী চক্র প্রশাসনিক কাঠামোকে প্রভাবিত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় অস্থিরতা তৈরি করছে।
তারা মনে করেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে সকল স্তরের কর্মকর্তার কার্যক্রম স্বচ্ছভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় প্রকল্পগুলোতে দীর্ঘদিন একই ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণ বা প্রভাব থাকলে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এসব ক্ষেত্রে প্রমাণভিত্তিক তদন্ত ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যুৎ বিতরণ খাতের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সরাসরি জাতীয় অবকাঠামো ও জনসেবার সঙ্গে জড়িত।
ডিপিডিসির অভ্যন্তরে চলমান এই অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের মধ্যে অনেক কর্মকর্তা মনে করছেন, একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটির মাধ্যমে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত। এতে প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব হবে এবং ভবিষ্যতে অনিয়ম প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন পর্যায়ে বদলি, পদোন্নতি ও প্রকল্প বণ্টন নিয়ে যে ধরনের অসন্তোষ ও আলোচনা চলছে, তা প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলছে বলেও কেউ কেউ মন্তব্য করছেন।
এদিকে সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আশা করছেন, চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডিপিডিসিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে এবং যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা প্রভাব বিস্তার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
সবশেষে বলা যায়, রাজিবুল হাদীকে কেন্দ্র করে ওঠা এসব অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন বা প্রমাণিত নয়, তবে ডিপিডিসির অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে যে প্রশ্নগুলো উঠছে, তা প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিধি ভেঙে আরএমও পদায়ন, ‘এম উদ্দিন’ ছদ্মনামে টেস্ট সিন্ডিকেটের অভিযোগ

বদলি-বাণিজ্য ও সিন্ডিকেট অভিযোগ ঘিরে রাজিবুল হাদীর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক

আপডেট সময় ০১:১২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)-এর অভ্যন্তরে দীর্ঘদিন ধরে চলমান প্রশাসনিক অনিয়ম, বদলি-বাণিজ্য, প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বজনপ্রীতি ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে আলোচনায় এসেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাজিবুল হাদী। সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা ও অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি অনুযায়ী, বিগত সময়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোর সুবিধা নিয়ে তিনি একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, জিটুজি প্রকল্পসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পে দায়িত্ব পালনকালে তিনি একচ্ছত্র প্রভাব খাটিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নে ঠিকাদার নির্বাচন থেকে শুরু করে নকশা ও ডিজাইন অনুমোদন পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি অনিয়মের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেছেন।
অভিযোগকারীদের মতে, তিনি দীর্ঘ কর্মজীবনে প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহার করে সুবিধাজনক পোস্টিং ও প্রকল্প-সম্পর্কিত দায়িত্ব নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। এতে করে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মাধ্যমে কাজ বণ্টন ও অর্থনৈতিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করা হতো বলেও দাবি করা হয়।
ডিপিডিসির কয়েকজন কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, রাজিবুল হাদীর বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর মধ্যে একটি হলো প্রকল্পের নকশা ও প্রযুক্তিগত ড্রইং সংশ্লিষ্ট তথ্য বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে অনিয়মিতভাবে সরবরাহ করা। তাদের দাবি অনুযায়ী, এতে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
একই সঙ্গে অভিযোগ রয়েছে, কিছু চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ বণ্টন প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে অতিরিক্ত ব্যয় ও অনিয়মিত লেনদেনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, ডিপিডিসির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ, গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান, নকশা অনুমোদন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করে ঘুষ ও প্রভাবের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো। যদিও এসব অভিযোগের কোনোটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
একটি অভ্যন্তরীণ সূত্র আরও দাবি করে, তার কর্মস্থলে অবস্থানকালে একটি শক্তিশালী প্রশাসনিক নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, যা বদলি, পদায়ন এবং প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলত। এর ফলে যোগ্যতার ভিত্তিতে নয় বরং প্রভাবের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী বা তার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাধারণত এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়ে থাকে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তবে নির্দিষ্ট কোনো লিখিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ডিপিডিসির অন্যান্য কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম বৃহৎ বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা হওয়ায় এখানে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কিছু অভ্যন্তরীণ প্রভাবশালী চক্র প্রশাসনিক কাঠামোকে প্রভাবিত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় অস্থিরতা তৈরি করছে।
তারা মনে করেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে সকল স্তরের কর্মকর্তার কার্যক্রম স্বচ্ছভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় প্রকল্পগুলোতে দীর্ঘদিন একই ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণ বা প্রভাব থাকলে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এসব ক্ষেত্রে প্রমাণভিত্তিক তদন্ত ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যুৎ বিতরণ খাতের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সরাসরি জাতীয় অবকাঠামো ও জনসেবার সঙ্গে জড়িত।
ডিপিডিসির অভ্যন্তরে চলমান এই অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের মধ্যে অনেক কর্মকর্তা মনে করছেন, একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটির মাধ্যমে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত। এতে প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব হবে এবং ভবিষ্যতে অনিয়ম প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন পর্যায়ে বদলি, পদোন্নতি ও প্রকল্প বণ্টন নিয়ে যে ধরনের অসন্তোষ ও আলোচনা চলছে, তা প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলছে বলেও কেউ কেউ মন্তব্য করছেন।
এদিকে সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আশা করছেন, চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডিপিডিসিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে এবং যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা প্রভাব বিস্তার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
সবশেষে বলা যায়, রাজিবুল হাদীকে কেন্দ্র করে ওঠা এসব অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন বা প্রমাণিত নয়, তবে ডিপিডিসির অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে যে প্রশ্নগুলো উঠছে, তা প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে।