সংবাদ শিরোনাম ::
নীলফামারীতে চীনা নাগরিকের সঙ্গে চুক্তিতে তরুণীর বিয়ে, সমালোচনার মুখে পরিবার বড়লেখায় কৃষকদের মাঝে প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ বড়লেখা-জুড়ীর নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান চাইলেন এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ শরীয়তপুরের জাজিরায় ককটেল বিস্ফোরণ: কবরস্থান থেকে  বালতি ভর্তি ককটেল উদ্ধার ঢাকা ওয়াসার মিটার রিডার থেকে কোটিপতি: ওয়াসা কর্মকর্তা হারুনের অ’বৈধ সম্পদের পাহাড় ফ্যাসিস্ট সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত জামিল, প্রভাব খাটিয়ে আবারও চট্টগ্রাম ডিপোতে! খামারবাড়িতে কোটি টাকার বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ, কেন্দ্রে ‘ডিজি’ মাসুম বিল্লাহ সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার চুক্তিতে শুভঙ্করের ফাঁকি ৪ বিঘা জমি কিনে ৬৫ বিঘার প্রকল্প বিক্রি করছে ছুটি রিসোর্ট বাংলাদেশের স্কুলে বিতরণের জন্য ১ হাজার ফুটবল উপহার দিল পাকিস্তান

রক্তচোষা সুদ চক্রের কবলে দিশেহারা মানুষ

রংপুরের মিঠাপুকুর ও পীরগাছা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সুদে টাকা লাগানো নারী ও পুরুষ চক্রের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ৷এই সুদ চক্রের টাকা ধার নিয়ে বিপাকে পড়েছে এলাকার হত দরিদ্র খেটে খাওয়া-অসহায় একাধিক মানুষ। এ ঘটনায় ভূক্তভোগীরা সন্মানের ভয়ে সুদে টাকা লাগানো ওই সুদ চক্রের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পর্যন্ত পায়না ৷ সুদচক্র নারী ও পুরুষদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে ৷

পুলিশ-প্রশাসন তদন্ত করলে বিভিন্ন ধরণের তথ্য উঠে আসবে বলে জানায় এলাকাবাসী ৷ তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে , উপজেলার ৬ নং কাফ্রিখাল ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও গ্রামে অবৈধ কারেন্ট জালের মত ছড়িয়ে রেখেছে হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকা এই সুদখোর” চক্রটি। তারমধ্যে বুজরুক তাজপুর,আলীপুর,মিয়ারহাট এই সূদ চক্রটি সক্রিয় রয়েছে।এদিকে পীরগাছা উপজেলার কান্দিরহাট বাজার, মাঝিপাড়া ব্রীজের পাড়, শিমুলতলা বাজার, তালের হাট এ রক্তচোষা এই সুদখোর চক্র বিশেষ করে অসহায় মানুষের মাঝে যেমন, শ্রমজীবি, হত-দরিদ্র, হকার, ভ্যান/রিক্সা চালক, শ্রমিকদের আর্থিক দূর্বলতার সুযোগ পেয়ে সুকৌশলে টাকা ধার দিয়ে তাদের রক্ত চুষে খাওয়ার পথ তৈরি করে নেয় ৷

যদি কোন অসহায় মানুষ বড় ধরণের আর্থিক সমস্যায় পড়ে ওই সুদ”চক্রের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ধার নেয় তাহলে, প্রতি মাসে হাজারে ১ শত থেকে ২’শত টাকা অর্থাৎ ১০ হাজারে ১ হাজার থেকে ২’হাজার টাকার সুদ গুনতে হয় যা প্রতি বছরে ১২০০০ থেকে ২৪০০০ টাকা ৷ এক সময় দেখা যাচ্ছে, সুদের টাকা গুনতে গুনতে আসল টাকার ৪গুণ দেওয়া হয়ে গেছে , অথচ রক্তচোষা সুদখোরদের কাছে টাকা পরিশোধ হয়নি ৷ এদিকে মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে কোন কাজ না থাকায় সুদ দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের ৷ যার ফলে সুদ’খোর চক্র তাদেরকে মারধর এবং ভয়ভীতি পর্যন্ত দেখায় ৷ মান সন্মানের ভয়ে এলাকার কোন লোক সুদ’খোর চক্রের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায়না ৷

এই সুদ চক্রটি এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রভাবশালীর ছত্রছাঁয়ায় থেকে দিন মুজুর থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাছে সূদে টাকা লাগিয়ে হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকার মালিক হয়েছে ৷ অসহায় এক পরিবার বলেন, ওই সুদখোর চক্রের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে হাজার হাজার টাকার সুদ গুনতে হচ্ছে ,এমনকি সূদের টাকা ঠিক মতো দিতে না পেরে সুদখোর” চক্রের ভয়ে এলাকা ছেড়ে অনেকে নিরুদ্দেশও রয়েছে এবং অপমানিতসহ নানা ধরণের শিকার হতে হচ্ছে অহরহ ৷ অনেকের ১০ হাজার টাকায় সপ্তাহে ১’হাজার টাকা সুদ গুনতে হচ্ছে ৷ আর না দিতে পারলে সন্ত্রাসী কায়দায় তাদের মারধর করতেও দ্বিধা করেনা ওই সুদ চক্রটি ৷ সম্প্রতি এই এলাকায় সূদখোরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে ৷

ধারে টাকা নেওয়া অসহায় ভূক্তভোগীরা৷ এ ব্যাপারে রক্তচোষা সুদখোরদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগী এবং এলাকাবাসী ৷

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে চীনা নাগরিকের সঙ্গে চুক্তিতে তরুণীর বিয়ে, সমালোচনার মুখে পরিবার

রক্তচোষা সুদ চক্রের কবলে দিশেহারা মানুষ

আপডেট সময় ১২:৫০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২

রংপুরের মিঠাপুকুর ও পীরগাছা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সুদে টাকা লাগানো নারী ও পুরুষ চক্রের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ৷এই সুদ চক্রের টাকা ধার নিয়ে বিপাকে পড়েছে এলাকার হত দরিদ্র খেটে খাওয়া-অসহায় একাধিক মানুষ। এ ঘটনায় ভূক্তভোগীরা সন্মানের ভয়ে সুদে টাকা লাগানো ওই সুদ চক্রের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পর্যন্ত পায়না ৷ সুদচক্র নারী ও পুরুষদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে ৷

পুলিশ-প্রশাসন তদন্ত করলে বিভিন্ন ধরণের তথ্য উঠে আসবে বলে জানায় এলাকাবাসী ৷ তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে , উপজেলার ৬ নং কাফ্রিখাল ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও গ্রামে অবৈধ কারেন্ট জালের মত ছড়িয়ে রেখেছে হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকা এই সুদখোর” চক্রটি। তারমধ্যে বুজরুক তাজপুর,আলীপুর,মিয়ারহাট এই সূদ চক্রটি সক্রিয় রয়েছে।এদিকে পীরগাছা উপজেলার কান্দিরহাট বাজার, মাঝিপাড়া ব্রীজের পাড়, শিমুলতলা বাজার, তালের হাট এ রক্তচোষা এই সুদখোর চক্র বিশেষ করে অসহায় মানুষের মাঝে যেমন, শ্রমজীবি, হত-দরিদ্র, হকার, ভ্যান/রিক্সা চালক, শ্রমিকদের আর্থিক দূর্বলতার সুযোগ পেয়ে সুকৌশলে টাকা ধার দিয়ে তাদের রক্ত চুষে খাওয়ার পথ তৈরি করে নেয় ৷

যদি কোন অসহায় মানুষ বড় ধরণের আর্থিক সমস্যায় পড়ে ওই সুদ”চক্রের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ধার নেয় তাহলে, প্রতি মাসে হাজারে ১ শত থেকে ২’শত টাকা অর্থাৎ ১০ হাজারে ১ হাজার থেকে ২’হাজার টাকার সুদ গুনতে হয় যা প্রতি বছরে ১২০০০ থেকে ২৪০০০ টাকা ৷ এক সময় দেখা যাচ্ছে, সুদের টাকা গুনতে গুনতে আসল টাকার ৪গুণ দেওয়া হয়ে গেছে , অথচ রক্তচোষা সুদখোরদের কাছে টাকা পরিশোধ হয়নি ৷ এদিকে মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে কোন কাজ না থাকায় সুদ দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের ৷ যার ফলে সুদ’খোর চক্র তাদেরকে মারধর এবং ভয়ভীতি পর্যন্ত দেখায় ৷ মান সন্মানের ভয়ে এলাকার কোন লোক সুদ’খোর চক্রের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায়না ৷

এই সুদ চক্রটি এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রভাবশালীর ছত্রছাঁয়ায় থেকে দিন মুজুর থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাছে সূদে টাকা লাগিয়ে হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকার মালিক হয়েছে ৷ অসহায় এক পরিবার বলেন, ওই সুদখোর চক্রের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে হাজার হাজার টাকার সুদ গুনতে হচ্ছে ,এমনকি সূদের টাকা ঠিক মতো দিতে না পেরে সুদখোর” চক্রের ভয়ে এলাকা ছেড়ে অনেকে নিরুদ্দেশও রয়েছে এবং অপমানিতসহ নানা ধরণের শিকার হতে হচ্ছে অহরহ ৷ অনেকের ১০ হাজার টাকায় সপ্তাহে ১’হাজার টাকা সুদ গুনতে হচ্ছে ৷ আর না দিতে পারলে সন্ত্রাসী কায়দায় তাদের মারধর করতেও দ্বিধা করেনা ওই সুদ চক্রটি ৷ সম্প্রতি এই এলাকায় সূদখোরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে ৷

ধারে টাকা নেওয়া অসহায় ভূক্তভোগীরা৷ এ ব্যাপারে রক্তচোষা সুদখোরদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগী এবং এলাকাবাসী ৷