ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উত্তরের বিভাগে টানা বৃষ্টির দাপট বেশি, কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা মোদির কাছে ক্ষমা চাইলেন আপত্তিকর মন্তব্য করা সেই তরুণী বগুড়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম কেন্দ্রীয় পর্ষদের নেতৃত্বে রুহুল আমিন -সাইশা সুলতানা সাদিয়া  রোহিঙ্গাদের জন্য আরও সহায়তার আহ্বান মার্কিন বিশেষ দূতের বেগুনের কেজি ১৫০ আর ৪০০ ছুঁই ছুঁই কাঁচা মরিচ এল নিনোর ভয়াবহ প্রভাব নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূতের সাক্ষাৎ ৯ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানি খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে নজির, প্রশংসিত এমপি

রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন জোয়ার: ডিসেম্বরের ১৭ দিনেই এল ২০০ কোটি ডলার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৮:১২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৮২ বার পড়া হয়েছে

ছবি- সংগৃহীত

বছরের শেষ মাসে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। ডিসেম্বরের শুরু থেকেই প্রবাসীরা বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে শুরু করেছেন। যার ফলস্বরূপ মাসের প্রথম ১৭ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে রেমিট্যান্সের পরিমাণ সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য এক বড় স্বস্তির বার্তা।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, ১ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২০০ কোটি ডলার। এর মধ্যে শুধু ১৭ ডিসেম্বর একদিনেই এসেছে ১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ১৭৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ।

অন্যদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে (জুলাই) ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৫০৫ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এটি ছিল ১ হাজার ২৯০ কোটি ডলার। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ।

রেমিট্যান্সের এই ব্যাপক প্রবাহের ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে এবং উদ্বৃত্ত অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্য বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কেনা অব্যাহত রেখেছে। চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন (২ হাজার ৮৭১ মিলিয়ন) ডলার ক্রয় করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি ও অবৈধ পথে টাকা পাঠানো রোধে সরকারের কঠোর অবস্থান, বৈধ পথে রেমিট্যান্সে প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে আস্থার পরিবেশ ফিরে আসায় এই সুফল মিলছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সদ্য বিদায়ী নভেম্বর মাসেও প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন, যার পরিমাণ ছিল প্রায় ২৮৯ কোটি ডলার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

উত্তরের বিভাগে টানা বৃষ্টির দাপট বেশি, কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা

রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন জোয়ার: ডিসেম্বরের ১৭ দিনেই এল ২০০ কোটি ডলার

আপডেট সময় ০৮:১২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

বছরের শেষ মাসে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। ডিসেম্বরের শুরু থেকেই প্রবাসীরা বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে শুরু করেছেন। যার ফলস্বরূপ মাসের প্রথম ১৭ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে রেমিট্যান্সের পরিমাণ সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য এক বড় স্বস্তির বার্তা।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, ১ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২০০ কোটি ডলার। এর মধ্যে শুধু ১৭ ডিসেম্বর একদিনেই এসেছে ১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ১৭৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ।

অন্যদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে (জুলাই) ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৫০৫ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এটি ছিল ১ হাজার ২৯০ কোটি ডলার। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ।

রেমিট্যান্সের এই ব্যাপক প্রবাহের ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে এবং উদ্বৃত্ত অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্য বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কেনা অব্যাহত রেখেছে। চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন (২ হাজার ৮৭১ মিলিয়ন) ডলার ক্রয় করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি ও অবৈধ পথে টাকা পাঠানো রোধে সরকারের কঠোর অবস্থান, বৈধ পথে রেমিট্যান্সে প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে আস্থার পরিবেশ ফিরে আসায় এই সুফল মিলছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সদ্য বিদায়ী নভেম্বর মাসেও প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন, যার পরিমাণ ছিল প্রায় ২৮৯ কোটি ডলার।