ঢাকা ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তেজগাঁও রেলস্টেশন ও কারওয়ান বাজারে ৩০০ অসহায় মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণ ফুয়াদ হাসান আকন্দের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপপ্রচারের প্রকৃত সত্য প্রকাশ হোলিস্টিক হোম বিল্ডার্সের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নির্বাচন সামনে রেখে ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন স্থগিত রাজউকের ১,৪১৩ প্লট নিয়ে তদন্ত, স্থগিত ১,০৭৪টির কার্যক্রম ‘বিরিয়ানির ভাগ’ দিতে নারাজ বিএনপি: রাশেদ খাঁন দুই বছর লভ্যাংশ নেই মার্কেন্টাইল ব্যাংকে, ব্যাংকের টাকায় বিদেশ ঘুরছেন এমডি মতিউল হাসান চট্টগ্রামে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তাব ঢাকা সাংবাদিক সমবায় সমিতি সভাপতি রানা, সম্পাদক বারী, যুগ্ম সম্পাদক কামাল নারায়ণগঞ্জে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, আটক স্বামী

রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন জোয়ার: ডিসেম্বরের ১৭ দিনেই এল ২০০ কোটি ডলার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৮:১২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭৫১ বার পড়া হয়েছে

ছবি- সংগৃহীত

বছরের শেষ মাসে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। ডিসেম্বরের শুরু থেকেই প্রবাসীরা বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে শুরু করেছেন। যার ফলস্বরূপ মাসের প্রথম ১৭ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে রেমিট্যান্সের পরিমাণ সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য এক বড় স্বস্তির বার্তা।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, ১ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২০০ কোটি ডলার। এর মধ্যে শুধু ১৭ ডিসেম্বর একদিনেই এসেছে ১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ১৭৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ।

অন্যদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে (জুলাই) ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৫০৫ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এটি ছিল ১ হাজার ২৯০ কোটি ডলার। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ।

রেমিট্যান্সের এই ব্যাপক প্রবাহের ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে এবং উদ্বৃত্ত অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্য বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কেনা অব্যাহত রেখেছে। চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন (২ হাজার ৮৭১ মিলিয়ন) ডলার ক্রয় করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি ও অবৈধ পথে টাকা পাঠানো রোধে সরকারের কঠোর অবস্থান, বৈধ পথে রেমিট্যান্সে প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে আস্থার পরিবেশ ফিরে আসায় এই সুফল মিলছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সদ্য বিদায়ী নভেম্বর মাসেও প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন, যার পরিমাণ ছিল প্রায় ২৮৯ কোটি ডলার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তেজগাঁও রেলস্টেশন ও কারওয়ান বাজারে ৩০০ অসহায় মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণ

রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন জোয়ার: ডিসেম্বরের ১৭ দিনেই এল ২০০ কোটি ডলার

আপডেট সময় ০৮:১২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

বছরের শেষ মাসে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। ডিসেম্বরের শুরু থেকেই প্রবাসীরা বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে শুরু করেছেন। যার ফলস্বরূপ মাসের প্রথম ১৭ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে রেমিট্যান্সের পরিমাণ সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য এক বড় স্বস্তির বার্তা।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, ১ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২০০ কোটি ডলার। এর মধ্যে শুধু ১৭ ডিসেম্বর একদিনেই এসেছে ১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ১৭৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ।

অন্যদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে (জুলাই) ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৫০৫ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এটি ছিল ১ হাজার ২৯০ কোটি ডলার। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ।

রেমিট্যান্সের এই ব্যাপক প্রবাহের ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে এবং উদ্বৃত্ত অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্য বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কেনা অব্যাহত রেখেছে। চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন (২ হাজার ৮৭১ মিলিয়ন) ডলার ক্রয় করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি ও অবৈধ পথে টাকা পাঠানো রোধে সরকারের কঠোর অবস্থান, বৈধ পথে রেমিট্যান্সে প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে আস্থার পরিবেশ ফিরে আসায় এই সুফল মিলছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সদ্য বিদায়ী নভেম্বর মাসেও প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন, যার পরিমাণ ছিল প্রায় ২৮৯ কোটি ডলার।