সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

সরবরাহ বাড়ায় সবজিতে স্বস্তি

বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় কমেছে দাম। তাতে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা। কয়েকটি সবজি ছাড়া বাকি সব সবজির মোটামুটি ক্রেতাদের নাগালে রয়েছে। সামনের দিনগুলোতে সবজির সরবরাহ আরও বাড়বে এবং দামও আরো কমবে বলে বিক্রেতার জানিয়েছেন।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বাড্ডা ও শাহাজাদপুর কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পুরোনো আলু ২৮ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, পটল, ৫০, শসা ৮০-১০০ টাকা, শিম ৫০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ টাকা, ধনিয়াপাতা ১২০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, করলা ৫০-৬০ টাকা, উচ্ছে ৮০ টাকা, মূলা ৩০-৪০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, টমেটো ১০০-১২০ টাকা, ব্রকলি ৮০-১০০ টাকা ও পেঁয়াজ পাতা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া প্রতি পিস লাউ ৬০ টাকা, ফুলকপি ৩০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা করে এবং লালশাক প্রতি আঁটি ১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির দাম নিয়ে খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাইকারি বাজারের দামের ওপর তাদের নির্ভর করতে হয়। পাইকারি বাজারে কম দাম থাকলে তারা কমেই বিক্রি করেন সবজি। বর্তমানে বাজারে সবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় দাম কিছুটা কমেছে।

শাহাজাদপুর কাঁচাবাজারে সবজির খুচরা বিক্রেতা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বাজারে এখন অনেক সবজি। এক সপ্তাহ আগেও ৫০-৬০ টাকায় যেই ফুলকপি বিক্রি হতো তা এখন ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রচুর সবজি ঢাকায় আসছে। আগামী তিন মাস সবজির বাজার গরম হবে না বলেও জানান তিনি।

সবজির দাম নিয়ে উত্তরবাড্ডা কাঁচাবাজারের বিক্রেতা আক্রাম আলী বলেন, ফুলকপি-বাধাঁকপি থেকে শুরু করে সামনে শীতকালীন বিভিন্ন সবজির দাম আরও কমবে। আগামী ২-৩ মাস সবজির বাজারে তেমন অস্থিরতা দেখা যাবে না। তবে সরবরাহ কমে গেলে দুয়েকটা সবজির দাম কিছুটা বাড়তেও পারে।

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, কিছুটা স্বস্তি মিললেও সবজির দাম আরো কমা উচিত। দেশে প্রচুর শীতকালীন সবজি চাষ হয়। এরপরও কেন দাম আরো কমছে না, প্রশ্ন ক্রেতাদের।

শাহজাদপুর কাঁচাবাজারে আসা ক্রেতা মো. মাইনুল হোসেন বলেন, গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় সবজির বাজারে কিছুটা স্থিরতা দেখা যাচ্ছে। তবে শীতের সময় সবজির দাম আরো কমবে বলে আমরা আশা করেছিলাম। কারণ এ সময়ে দেশের প্রতিটা অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে সবজি চাষ হয়। গ্রামের চাহিদা মিটিয়ে বাকি সবজি শহরে চলে আসে। কিন্তু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে সবজির দাম বেড়ে যায়। আশা করব শীতের এই দুই তিন মাস সবজির দাম আরো যেন কমে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

সরবরাহ বাড়ায় সবজিতে স্বস্তি

আপডেট সময় ১২:১০:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২

বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় কমেছে দাম। তাতে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা। কয়েকটি সবজি ছাড়া বাকি সব সবজির মোটামুটি ক্রেতাদের নাগালে রয়েছে। সামনের দিনগুলোতে সবজির সরবরাহ আরও বাড়বে এবং দামও আরো কমবে বলে বিক্রেতার জানিয়েছেন।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বাড্ডা ও শাহাজাদপুর কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পুরোনো আলু ২৮ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, পটল, ৫০, শসা ৮০-১০০ টাকা, শিম ৫০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ টাকা, ধনিয়াপাতা ১২০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, করলা ৫০-৬০ টাকা, উচ্ছে ৮০ টাকা, মূলা ৩০-৪০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, টমেটো ১০০-১২০ টাকা, ব্রকলি ৮০-১০০ টাকা ও পেঁয়াজ পাতা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া প্রতি পিস লাউ ৬০ টাকা, ফুলকপি ৩০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা করে এবং লালশাক প্রতি আঁটি ১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির দাম নিয়ে খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাইকারি বাজারের দামের ওপর তাদের নির্ভর করতে হয়। পাইকারি বাজারে কম দাম থাকলে তারা কমেই বিক্রি করেন সবজি। বর্তমানে বাজারে সবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় দাম কিছুটা কমেছে।

শাহাজাদপুর কাঁচাবাজারে সবজির খুচরা বিক্রেতা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বাজারে এখন অনেক সবজি। এক সপ্তাহ আগেও ৫০-৬০ টাকায় যেই ফুলকপি বিক্রি হতো তা এখন ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রচুর সবজি ঢাকায় আসছে। আগামী তিন মাস সবজির বাজার গরম হবে না বলেও জানান তিনি।

সবজির দাম নিয়ে উত্তরবাড্ডা কাঁচাবাজারের বিক্রেতা আক্রাম আলী বলেন, ফুলকপি-বাধাঁকপি থেকে শুরু করে সামনে শীতকালীন বিভিন্ন সবজির দাম আরও কমবে। আগামী ২-৩ মাস সবজির বাজারে তেমন অস্থিরতা দেখা যাবে না। তবে সরবরাহ কমে গেলে দুয়েকটা সবজির দাম কিছুটা বাড়তেও পারে।

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, কিছুটা স্বস্তি মিললেও সবজির দাম আরো কমা উচিত। দেশে প্রচুর শীতকালীন সবজি চাষ হয়। এরপরও কেন দাম আরো কমছে না, প্রশ্ন ক্রেতাদের।

শাহজাদপুর কাঁচাবাজারে আসা ক্রেতা মো. মাইনুল হোসেন বলেন, গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় সবজির বাজারে কিছুটা স্থিরতা দেখা যাচ্ছে। তবে শীতের সময় সবজির দাম আরো কমবে বলে আমরা আশা করেছিলাম। কারণ এ সময়ে দেশের প্রতিটা অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে সবজি চাষ হয়। গ্রামের চাহিদা মিটিয়ে বাকি সবজি শহরে চলে আসে। কিন্তু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে সবজির দাম বেড়ে যায়। আশা করব শীতের এই দুই তিন মাস সবজির দাম আরো যেন কমে।