ঢাকা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গৃহায়ন প্রকল্পে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট বরাদ্দ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে হেমাইতপুর চরশিবরামপুরে বিএনপি কর্মীদেরকে জামাত-শিবিরের প্রাননাশের হুমকি জামায়াতের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিকল্পনা দেশব্যাপী স্পষ্ট হয়ে গেছে ১৫ বছরের প্রতীক্ষার অবসান : রাত পোহালেই ত্রয়োদশ সংসদ ভোট সবাইকে ভোট দেওয়া ও জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার আহ্বান সিইসির রাজধানীতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন : জামায়াত কর্মীসহ ৫ জনের কারাদণ্ড ভোটের আগেই ‘লাল’ পাসপোর্ট সমর্পণ, উপদেষ্টাদের ‘সেফ এক্সিট’ বিতর্ক অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনগণ আলেমদের নির্দেশনা পাবে রেকর্ড গড়ছে ‘ত্রয়োদশ’ : ইতিহাসের সর্বোচ্চ দল ও প্রতীকের লড়াই অসুস্থ রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান

মেয়াদোত্তীর্ণ ৩৮২ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হবে

দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা ৩৮২ কনটেইনারে নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংসের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) থেকে এসব পণ্য ধ্বংসের কাজ শুরু হবে। পণ্যগুলো সবই নিলাম অযোগ্য এবং মেয়াদোত্তীর্ণ বিধায় ধ্বংস করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাস্টম হাউস চট্টগ্রামের নিলাম শাখার ডেপুটি কমিশনার সন্তোষ সরেন।

তিনি বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জারিকরা স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী গঠিত ধ্বংস কমিটি ২৯ আগস্ট সভা করেছে। সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বন্দরের রেফার্ড কনটেইনার ১৩৬টি, ড্রাই কনটেইনার ৩২টি ও বিভিন্ন অফডকে ড্রাই ২১৪টি কনটেইনারবাহী ধ্বংসযোগ্য (পঁচনশীল) পণ্যচালানের ধ্বংস কার্যক্রম ১১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে।

এজন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনের পাশের একটি খালি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। জায়গাটি চট্টগ্রামের আউটার রিং রোড সংলগ্ন হালিশহরের আনন্দবাজারে অবস্থিত। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকেও অনুমোদন মিলেছে এ বিষয়ে। এর আগেও একই জায়গায় পণ্য ধ্বংস করেছিল চট্টগ্রাম কাস্টমস।

কাস্টম হাউস সূত্রে জানা গেছে, ধ্বংসযোগ্য পণ্যচালানের মধ্যে রয়েছে পেঁয়াজ, আপেল, ড্রাগন ফ্রুটস,  কমলা, আদা, ডালিম, ধনে, আঙ্গুর, ফ্রোজেন লিজার্ড ফিসসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিদিন ২৫-৩০ টি কনটেইনারের ধ্বংসযোগ্য পণ্য ধ্বংস করার পরিকল্পনা আছে। পর্যায়ক্রমে ৩৮২টি কনটেইনার নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিবেশ সম্মত উপায়ে ধ্বংস করার পরিকল্পনা রয়েছে। ধ্বংস করা কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দর থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের কিছু জায়গা খালি হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গৃহায়ন প্রকল্পে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট বরাদ্দ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে

মেয়াদোত্তীর্ণ ৩৮২ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হবে

আপডেট সময় ০৬:২১:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২

দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা ৩৮২ কনটেইনারে নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংসের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) থেকে এসব পণ্য ধ্বংসের কাজ শুরু হবে। পণ্যগুলো সবই নিলাম অযোগ্য এবং মেয়াদোত্তীর্ণ বিধায় ধ্বংস করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাস্টম হাউস চট্টগ্রামের নিলাম শাখার ডেপুটি কমিশনার সন্তোষ সরেন।

তিনি বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জারিকরা স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী গঠিত ধ্বংস কমিটি ২৯ আগস্ট সভা করেছে। সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বন্দরের রেফার্ড কনটেইনার ১৩৬টি, ড্রাই কনটেইনার ৩২টি ও বিভিন্ন অফডকে ড্রাই ২১৪টি কনটেইনারবাহী ধ্বংসযোগ্য (পঁচনশীল) পণ্যচালানের ধ্বংস কার্যক্রম ১১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে।

এজন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনের পাশের একটি খালি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। জায়গাটি চট্টগ্রামের আউটার রিং রোড সংলগ্ন হালিশহরের আনন্দবাজারে অবস্থিত। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকেও অনুমোদন মিলেছে এ বিষয়ে। এর আগেও একই জায়গায় পণ্য ধ্বংস করেছিল চট্টগ্রাম কাস্টমস।

কাস্টম হাউস সূত্রে জানা গেছে, ধ্বংসযোগ্য পণ্যচালানের মধ্যে রয়েছে পেঁয়াজ, আপেল, ড্রাগন ফ্রুটস,  কমলা, আদা, ডালিম, ধনে, আঙ্গুর, ফ্রোজেন লিজার্ড ফিসসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিদিন ২৫-৩০ টি কনটেইনারের ধ্বংসযোগ্য পণ্য ধ্বংস করার পরিকল্পনা আছে। পর্যায়ক্রমে ৩৮২টি কনটেইনার নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিবেশ সম্মত উপায়ে ধ্বংস করার পরিকল্পনা রয়েছে। ধ্বংস করা কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দর থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের কিছু জায়গা খালি হবে।