ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নামার আগে সেরা খেলোয়াড়কে হারাল সুইজারল্যান্ড ফরিদপুরে বাসচাপায় নিহত ৪ ‘জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে’ : ব্রাহ্মণপাড়ায় এমপি জসিম উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের দামে ধস ভেনেজুয়েলায় নি’হ’তে’র সংখ্যা ৪ হাজার ছাড়াল এবার শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে মিলল ৪৭ লাখ টাকা

কেন্দুয়া দলীয় প্রভাব কাটিয়ে জোর পূর্বক সেচ চালানোর অভিযোগ

নেত্রকোণা কেন্দুয়া উপজেলার নয়াপাড়া ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হেকিম এর ছেলে জুলহাস মিয়ার সেচ জোর পূর্বক ভাবে বন্ধ করে একই গ্রামের মাজিদুর রহমান তৌহিন অবৈধ ভাবে আওয়ামী দলীয় প্রভাব কাটিয়ে সেচ চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে জানা যায়,বিগত ৩০ জানুয়ারি ২০২৩ সালে অগভীর সেচ স্থাপনের লাইসেন্স পায় জুলহাস মিয়া,তাঁর লাইসেন্স নং ২০৬/২৩, কিন্তু লাইসেন্স পাওযার পর তৌহিন এর ছোট ভাই সাজিদুলকে দিয়ে উদ্দেশ্য মূলক ভাবে নেত্রকোণা সহকারী আদালতে দলীয় প্রভাব কাটিয়ে মিথ্যা মামলা করে বুরিং ও বিদ্যুৎ সংযোগে বাঁধা প্রদান করে। মাজিদুর রহমান তৌহিন মদন উপজেলার পদমশ্রী আফতাব উদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও নয়াপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি।
জুলহাস মিয়া বলেন, আমি নয়াপাড়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক ছিলাম, যে কারনে আমাকে বার বার দলীয় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে তৌহিন মাষ্টারের ছোট ভাইকে দিয়ে আদালতে মামলা করে আমার নামে ছাড়পত্র দেয়ার পরও আমি সেচ চালাতে পারি নাই।এ জুলুমের ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য আপনাদের মাধ্যমে আমি বর্তমান সরকারের নিকট জোর দাবী করছি।
অভিযুক্তর ভাই সাজেদুল জানান আমার ভাই পূর্বে আওয়ামী করত, বর্মতানে সে মদন উপজেলা একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন। দলীয় প্রভাবে সেচ স্থাপনের বিষয়ে ও একই গ্রামে জুলহাস মিয়া কেন্দুয়া উপজেলায় প্রশাসন থেকে যাচাই বাচাই করে বৈধ ছাড়পত্র পাওয়ার পর, প্রভাব কাটিয়ে প্রশাসনসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে জোরপূর্ব ভাবে তারা সেচ চালায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিভিন্ন কৌশলে সাজেদুল এড়িয়ে যান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক তালুকদার জানান কৃষকের প্রতি কেউ যদি অন্য অজুম করে তাকে আমরা উপজেলা প্রশাসন তার পক্ষে তাকবো।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

কেন্দুয়া দলীয় প্রভাব কাটিয়ে জোর পূর্বক সেচ চালানোর অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

নেত্রকোণা কেন্দুয়া উপজেলার নয়াপাড়া ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হেকিম এর ছেলে জুলহাস মিয়ার সেচ জোর পূর্বক ভাবে বন্ধ করে একই গ্রামের মাজিদুর রহমান তৌহিন অবৈধ ভাবে আওয়ামী দলীয় প্রভাব কাটিয়ে সেচ চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে জানা যায়,বিগত ৩০ জানুয়ারি ২০২৩ সালে অগভীর সেচ স্থাপনের লাইসেন্স পায় জুলহাস মিয়া,তাঁর লাইসেন্স নং ২০৬/২৩, কিন্তু লাইসেন্স পাওযার পর তৌহিন এর ছোট ভাই সাজিদুলকে দিয়ে উদ্দেশ্য মূলক ভাবে নেত্রকোণা সহকারী আদালতে দলীয় প্রভাব কাটিয়ে মিথ্যা মামলা করে বুরিং ও বিদ্যুৎ সংযোগে বাঁধা প্রদান করে। মাজিদুর রহমান তৌহিন মদন উপজেলার পদমশ্রী আফতাব উদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও নয়াপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি।
জুলহাস মিয়া বলেন, আমি নয়াপাড়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক ছিলাম, যে কারনে আমাকে বার বার দলীয় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে তৌহিন মাষ্টারের ছোট ভাইকে দিয়ে আদালতে মামলা করে আমার নামে ছাড়পত্র দেয়ার পরও আমি সেচ চালাতে পারি নাই।এ জুলুমের ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য আপনাদের মাধ্যমে আমি বর্তমান সরকারের নিকট জোর দাবী করছি।
অভিযুক্তর ভাই সাজেদুল জানান আমার ভাই পূর্বে আওয়ামী করত, বর্মতানে সে মদন উপজেলা একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন। দলীয় প্রভাবে সেচ স্থাপনের বিষয়ে ও একই গ্রামে জুলহাস মিয়া কেন্দুয়া উপজেলায় প্রশাসন থেকে যাচাই বাচাই করে বৈধ ছাড়পত্র পাওয়ার পর, প্রভাব কাটিয়ে প্রশাসনসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে জোরপূর্ব ভাবে তারা সেচ চালায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিভিন্ন কৌশলে সাজেদুল এড়িয়ে যান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক তালুকদার জানান কৃষকের প্রতি কেউ যদি অন্য অজুম করে তাকে আমরা উপজেলা প্রশাসন তার পক্ষে তাকবো।