ভোলা জেলা বিএনপির সমাবেশে বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, যুবদল, উপজেলা ছাত্রদল,সেচ্ছাসেবক দল,সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা বিএনপি নেতৃবৃন্দের বিশাল মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে অংশ গ্রহণ করেন।
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা,গনতান্ত্র পূনঃ উদ্ধার করা, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উত্তরণ, ফ্যাসিবাদের নানান রকম ষড়যন্ত্রের অপচেষ্টা মোকাবেলা এবং গনতান্ত্রিক ভোট ফিরিয়ে আনা সহ নানান দাবী নিয়ে নেতাকর্মীরা এক এক করে বিশাল মিছিল নিয়ে সমাবেশে স্থলে অংশ গ্রহণ করেছে। ভোলা জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম নবী আলমগীরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বরিশাল বিভাগীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব হক নান্নু, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. হায়দার আলী লেলিন,বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ভোলা জেলা প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, ভোলা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম,
এসময়ে সাবেক এমপি হাফিজ বলেন -সংগ্রাম করে বিএনপি সহ অন্যান্যরা হাসিনার পতন ঘটিয়েছি,বিএনপির আন্দোলন ছিলো ভোট আর এই দেশের মানুষের ভাতের অধিকার রক্ষা করার জন্য। তবে হাসিনার পতন হয়েছে কিন্তু এই দেশের মানুষের ভাতের ও ভোটের অধিকার রক্ষা হয়নাই। প্রতিটা মূহুর্তে জিনিস পত্রের দাম আকাশচুম্বী হয়ে গেছে। গনতন্ত্রের অধিকার ফিরে আনতে হলে নির্বাচনের বিকল্প কিছু নাই। আজকে কিছু কিছু লোক সংস্কার সংস্কার বলে চিল্লায় ততোটুকু সংস্কার দরকার যতোটুকু এদেশে একটি গনতান্ত্রিক ভোটের অনুষ্ঠান করা যায়। এই গনতান্ত্রিক ভোটের পরে গঠিত পার্লামেন্ট এই দেশের যাবতীয় সংস্কারগুলো তারা করবে, বর্তমানে যারা আসবেন তারা প্রস্তাব করে রেখে যাবেন,এই প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী পার্লামেন্ট পরিবর্তন করে তারা এদেশের মানুষের সাথে যুগোপযোগী করে তারা এটাকে সংসদে পাশ করে এই সংস্কার তারা বাস্তবায়ন করবে। প্রিয় ভায়েরা আমাদের আন্দোলন শেষ হয়নাই, আমরা এখন আন্দোলনে আছি, এই আন্দোলনের ফল হলো আজকের জনসেবা।আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেব বলেছেন, আন্দোলন শেষ হয়নাই যতোক্ষণ পর্যন্ত এই দেশে গনতান্ত্রিক নির্বাচন না হবে, ততোক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তাই আপনারা সব সময় সজাগ থাকবেন, এই শেখ হাসিনা সরকারের পতনের আন্দোলনে ভোলা জেলার নুরেআলম, রহিম সহ সর্বোচ্চ ৪৪ জন নেতাকর্মীকে প্রাণ দিতে হয়েছে। হাসিনা ও তার সরকারের কার্যকলাপের উপর জাতিসংঘ প্রতিবেদন দিয়েছে, সেই প্রতিবেদনে সারা বাংলাদেশ আট হাজার লোক আহত ও চৌদ্দশ লোক নিহত হয়েছে। তার মধ্যে ছয় শত লোক আমাদের বিএনপির লোক।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার আলম খান, সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট কাজী আজম, যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল আলম নাসিম কাজী, যুগ্ন আহ্বায়ক মনজুরুল আলম ফিরোজ কাজী, সহ সভাপতি আঃ রব হাওলাদার,সহ সভাপতি বশির আহম্মেদ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান লিটন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন বাচ্চু, ইউসুফ বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক ফাইজুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শিহাব হাওলাদার,সদস্য সচিব জসিমউদ্দিন খাঁন,যুগ্ন আহ্বায়ক ফকরুল ইসলাম মিঠু,যুগ্ন আহ্বায়ক সাইদুর রহমান শাহিন, দৈনিক খবরপত্র সিনিয়র সাংবাদিক মো. ইকবাল কাজী, যুগ্ন আহ্বায়ক কবির নক্তি, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক হেলাল মুন্সি, সদস্য সচিব আবু জাফর মৃধা, পৌর যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক মেহেদী হাসান সাগর, যুগ্ন আহ্বায়ক সুমন পঞ্চায়েত, যুগ্ন আহবায়ক আমিনুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক লিটন শিকদার, সদস্য সচিব আতিফ আসলাম রুবেল,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল সদস্য সচিব শিপন হাওলাদার, উপজেলা শ্রমিকদলের আহবায়ক আলমগীর মাতাব্বর, সদস্য সচিব জামাল পঞ্চায়েত, উপজেলা পৌর ছাত্রদলের সভাপতি শাকিল মাতাব্বর, সাধারণ সম্পাদক হাসিবুর রহমান ফাহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন হাওলাদার, সাবেক ছাত্রদল নেতা আশরাফুল আলম সবুজ, সাবেক ছাত্রদল নেতা আলম খানের হৃদয়, পৌর ছাত্রদল মনোয়ার হোসেন টিপু, ছাত্রদল নেতা ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান শাওন,আঃজব্বার কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মিজানুর রহমান রাজিব, সাধারণ সম্পাদক সৈকত জাহান হৃদয়, টবগী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নেছার উদ্দিন বাহার মিয়া, যুবদল নেতা সোহরাব, মো. মনজু, সেচ্ছাসেবকদলের নেতা জামাল হাওলাদার,যুবদল নেতা মাসুম সেজোয়াল, পক্ষিয়া ইউনিয়ন যুবদল নেতা হুমায়ুন কবির, জসিম মাতাব্বর, পক্ষিয়া ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোসলেউদ্দিন কাজী, আশিক চৌধুরী, সেচ্ছাসেবক দল নেতা ইলিয়াস ভূইয়া, সাবেক ছাত্র নেতা হাসান ফরাজী, টবগী ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা মঞ্জু মাল,সহ বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
রিয়াজ ফরাজি 






















