সংবাদ শিরোনাম ::
৪ জেলায় সীমিত পরিসরে আজও ব্যাংক খোলা বৃদ্ধ মা-বাবাকে ভিটেবাড়ি থেকে উচ্ছেদ ও মারধরের প্রতিবাদ করায় ববি শিক্ষার্থীর ওপরে হামলা লোকসান কমাতে ইজারায় যাচ্ছে পশ্চিমাঞ্চলের ১১ ট্রেন ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ পেলেন বেরোবি শিক্ষক দায়িত্বে ফিরলেন আলোয়া খাতুন হীরা কোটালীপাড়ার নবম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা  ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

দেশে ফিরছে পাচার হওয়া অর্থ, ধারণা সিপিডির

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স প্রবাব বৃদ্ধি পাওয়ায় সন্দেহ করছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। তাদের সন্দেহ রেমিট্যান্সের আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরছে পাচার হওয়া অর্থ। আজ শনিবার ধানমন্ডিতে সিপিডি কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশ অর্থনীতি ২০২২-২৩: তৃতীয় অন্তর্বর্তীকালীন পর্যালোচনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় রেমিট্যান্সের এ চিত্র তুলে ধরেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

আলোচনা সভায় জানানো হয়, এতদিন ধরে দেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসছিল সৌদি আরব থেকে। হঠাৎ করে দেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসা শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। চলতি বছরের জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত ১০ মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৩ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

অন্যদিকে, গত অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই- এপ্রিল) সৌদি আরব থেকে ৩ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসলেও চলতি অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স কমে আসে ৩ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্র থেকে সৌদি আরবের চেয়েও বেশি রেমিট্যান্স আসায় সন্দেহ করছে সিপিডি।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘এটি একেবারেই অস্বাভাবিক, কখনোই হয় না। কারণ আমরা জানি আমাদের বেশিরভাগ রেমিট্যান্স কোথা থেকে আসে। গত ১০ মাসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ৯ দশমিক২২ লাখ মানুষ গেছে। সেখান থেকে প্রত্যাশা মতো রেমিট্যান্স আসছে না। লোক যাওয়া ও রেমিট্যান্সের মধ্যে মিসম্যাচ হচ্ছে। সৌদি থেকে বেশি রেমিট্যান্স আসলেও যুক্তরাষ্ট্র সেই জায়গাটা দখল করেছে।’

আরও পড়ুন: “নেই নেই” নাই কোথায়?

প্রশ্ন রেখে ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে যারা যায় তাদের বেশিভাগই হোয়াইট কালার জব করে। অনেকেই ঘর বাড়ি জমি জমা বিক্রি করে দেশ থেকে টাকা নিয়ে চলে যায়। অনেক শিক্ষার্থীও আছে। তারা তো আর টাকা পাঠাতে পারে না। তাহলে এই টাকা কোথা থেকে আসছে?’

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘এর একটা সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হতে পারে, যেখান থেকে টাকাটা পাচার হয়ে গেছে সেই টাকাটা আবার ফেরত আসছে। রেমিট্যান্সের ওপর যে আড়াই শতাংশ ইনসেন্টিভ বা সাবসিডি দেওয়া হচ্ছে সেটার সু্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি গভীরভাবে গিয়ে অনুসন্ধান করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ জেলায় সীমিত পরিসরে আজও ব্যাংক খোলা

দেশে ফিরছে পাচার হওয়া অর্থ, ধারণা সিপিডির

আপডেট সময় ০৬:২০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ মে ২০২৩

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স প্রবাব বৃদ্ধি পাওয়ায় সন্দেহ করছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। তাদের সন্দেহ রেমিট্যান্সের আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরছে পাচার হওয়া অর্থ। আজ শনিবার ধানমন্ডিতে সিপিডি কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশ অর্থনীতি ২০২২-২৩: তৃতীয় অন্তর্বর্তীকালীন পর্যালোচনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় রেমিট্যান্সের এ চিত্র তুলে ধরেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

আলোচনা সভায় জানানো হয়, এতদিন ধরে দেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসছিল সৌদি আরব থেকে। হঠাৎ করে দেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসা শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। চলতি বছরের জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত ১০ মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৩ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

অন্যদিকে, গত অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই- এপ্রিল) সৌদি আরব থেকে ৩ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসলেও চলতি অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স কমে আসে ৩ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্র থেকে সৌদি আরবের চেয়েও বেশি রেমিট্যান্স আসায় সন্দেহ করছে সিপিডি।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘এটি একেবারেই অস্বাভাবিক, কখনোই হয় না। কারণ আমরা জানি আমাদের বেশিরভাগ রেমিট্যান্স কোথা থেকে আসে। গত ১০ মাসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ৯ দশমিক২২ লাখ মানুষ গেছে। সেখান থেকে প্রত্যাশা মতো রেমিট্যান্স আসছে না। লোক যাওয়া ও রেমিট্যান্সের মধ্যে মিসম্যাচ হচ্ছে। সৌদি থেকে বেশি রেমিট্যান্স আসলেও যুক্তরাষ্ট্র সেই জায়গাটা দখল করেছে।’

আরও পড়ুন: “নেই নেই” নাই কোথায়?

প্রশ্ন রেখে ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে যারা যায় তাদের বেশিভাগই হোয়াইট কালার জব করে। অনেকেই ঘর বাড়ি জমি জমা বিক্রি করে দেশ থেকে টাকা নিয়ে চলে যায়। অনেক শিক্ষার্থীও আছে। তারা তো আর টাকা পাঠাতে পারে না। তাহলে এই টাকা কোথা থেকে আসছে?’

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘এর একটা সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হতে পারে, যেখান থেকে টাকাটা পাচার হয়ে গেছে সেই টাকাটা আবার ফেরত আসছে। রেমিট্যান্সের ওপর যে আড়াই শতাংশ ইনসেন্টিভ বা সাবসিডি দেওয়া হচ্ছে সেটার সু্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি গভীরভাবে গিয়ে অনুসন্ধান করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’