শনিবার (১৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ তথ্য জানান।ওই ফেসবুক পোস্টে মেঘনা আলম লেখেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আমার কাছে রাজনীতি শিখতে আমার বাসায় আসতে চান। অথচ যখন প্রশ্ন করলাম, অনলাইনে হয়রানি করা লোক কি এনসিপির? তখন মুখে তার কুলুপ এঁটে গেল।
অনলাইনে হেনস্তার শিকার হওয়া এবং এর পেছনে এনসিপির সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কোনো সদুত্তর দেননি বলে পোস্টে ইঙ্গিত করেছেন মেঘনা।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে মেঘনা আলমের এমন দাবির বিপরীতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বা এনসিপির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























