ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

সম্প্রতি কিছু অনলাইন পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত ‘নদী খনন প্রকল্পের ছাইদুর রহমানের অনিয়ম’ শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত প্রতিবেদনে আমাকে জড়িয়ে যেসব অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে, তা বাস্তব তথ্য, প্রকল্পের কারিগরি বাস্তবতা এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। প্রতিবেদনটি একপাক্ষিক, অনুমাননির্ভর এবং আমার দীর্ঘদিনের পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার মতো বিভ্রান্তিকর তথ্যের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে।
আমি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘদিন সততা, নিষ্ঠা ও সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার দায়িত্ব পালনের সময়ে কোনো প্রকল্পের অনুমোদন, দরপত্র প্রক্রিয়া, ঠিকাদার নির্বাচন, কাজের পরিমাপ, বিল প্রদানসহ প্রতিটি ধাপ সংশ্লিষ্ট সরকারি নীতিমালা ও কারিগরি বিধি অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে কংস ও ভোগাই নদী খনন প্রকল্পে ১৩৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ের বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এ বিষয়ে স্পষ্ট করা প্রয়োজন যে, একটি নদী খনন প্রকল্পের সফলতা শুধু খননকাজ সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; বরং নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহ, উজান থেকে পলি প্রবাহ, বর্ষাকালীন পরিবর্তন, পানির উচ্চতা, নদীর গতিপথ পরিবর্তনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিষয় এর ওপর প্রভাব ফেলে। খননের পরও কোনো কোনো স্থানে পলি জমা হওয়া স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে। এটিকে ভিত্তি করে প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ বা দুর্নীতির অভিযোগ করা বাস্তবসম্মত নয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ড্রেজিং দেখানো হয়েছে এবং কাজ যথাযথভাবে হয়নি। এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের জন্য নির্ধারিত কারিগরি কমিটি, প্রকল্পের নথিপত্র, পরিমাপ বই, কাজের অগ্রগতি প্রতিবেদন, বিল ভেরিফিকেশন এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের মতামত পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। শুধুমাত্র অভিযোগ বা অনুমানের ভিত্তিতে কোনো কর্মকর্তাকে দায়ী করা ন্যায়সংগত নয়।
এছাড়া প্রতিবেদনে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বালু উত্তোলন, অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের মতো গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সরকারি প্রকল্পে ঠিকাদারদের কার্যক্রম পরিচালনা, বালু উত্তোলন বা বাণিজ্যিক কার্যক্রমের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও আইনগত প্রক্রিয়া রয়েছে। এসব বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া ব্যক্তিগতভাবে আমাকে দায়ী করা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
আমার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়েও প্রতিবেদনে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। আমার আয়, সম্পদ ও করসংক্রান্ত তথ্য যথাযথ নিয়মে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করা হয়েছে। ১৩৪ কোটি দুদক পরিসমাপ্তি করেছে। আমার ও স্ত্রীর হিসাব বিবরণী পরিসমাপ্তি করেছে। কোনো সম্পদের বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সংস্থা তা যাচাই করতে পারে। কিন্তু যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হওয়ার আগেই সংবাদে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেন অভিযোগ প্রমাণিত সত্য—যা ন্যায়বিচারের নীতির পরিপন্থী।
প্রতিবেদনে আমার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও মন্তব্য করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমি সবসময় সরকারি চাকরির আচরণবিধি ও পেশাগত দায়িত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। কোনো সংগঠন বা ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে অনুমানভিত্তিক মন্তব্য করে একজন কর্মকর্তার পেশাগত গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করা অনভিপ্রেত।
সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, সংবাদ প্রকাশের আগে আমার বক্তব্য নেওয়ার জন্য কার্যকর ও যথাযথ কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি। সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের আগে তার বক্তব্য গ্রহণ করা প্রয়োজন। আমার বক্তব্য গ্রহণ করা হলে প্রকল্পের বাস্তব অবস্থা, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং আমার দায়িত্বের সীমা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য উপস্থাপন করা সম্ভব হতো।
আমি পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই, সরকারি দায়িত্ব পালনকালে কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয় এবং এগুলো আমার দীর্ঘদিনের পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে আমি মনে করি।
অতএব, সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ—প্রকাশিত প্রতিবেদনের অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও অসম্পূর্ণ অংশ সংশোধন করে প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হোক। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং তথ্য যাচাইয়ের নীতি অনুসরণ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
প্রয়োজনে আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত যেকোনো অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
-মো. ছাইদুর রহমান

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

আপডেট সময় ০৯:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

সম্প্রতি কিছু অনলাইন পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত ‘নদী খনন প্রকল্পের ছাইদুর রহমানের অনিয়ম’ শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত প্রতিবেদনে আমাকে জড়িয়ে যেসব অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে, তা বাস্তব তথ্য, প্রকল্পের কারিগরি বাস্তবতা এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। প্রতিবেদনটি একপাক্ষিক, অনুমাননির্ভর এবং আমার দীর্ঘদিনের পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার মতো বিভ্রান্তিকর তথ্যের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে।
আমি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘদিন সততা, নিষ্ঠা ও সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার দায়িত্ব পালনের সময়ে কোনো প্রকল্পের অনুমোদন, দরপত্র প্রক্রিয়া, ঠিকাদার নির্বাচন, কাজের পরিমাপ, বিল প্রদানসহ প্রতিটি ধাপ সংশ্লিষ্ট সরকারি নীতিমালা ও কারিগরি বিধি অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে কংস ও ভোগাই নদী খনন প্রকল্পে ১৩৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ের বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এ বিষয়ে স্পষ্ট করা প্রয়োজন যে, একটি নদী খনন প্রকল্পের সফলতা শুধু খননকাজ সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; বরং নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহ, উজান থেকে পলি প্রবাহ, বর্ষাকালীন পরিবর্তন, পানির উচ্চতা, নদীর গতিপথ পরিবর্তনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিষয় এর ওপর প্রভাব ফেলে। খননের পরও কোনো কোনো স্থানে পলি জমা হওয়া স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে। এটিকে ভিত্তি করে প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ বা দুর্নীতির অভিযোগ করা বাস্তবসম্মত নয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ড্রেজিং দেখানো হয়েছে এবং কাজ যথাযথভাবে হয়নি। এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের জন্য নির্ধারিত কারিগরি কমিটি, প্রকল্পের নথিপত্র, পরিমাপ বই, কাজের অগ্রগতি প্রতিবেদন, বিল ভেরিফিকেশন এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের মতামত পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। শুধুমাত্র অভিযোগ বা অনুমানের ভিত্তিতে কোনো কর্মকর্তাকে দায়ী করা ন্যায়সংগত নয়।
এছাড়া প্রতিবেদনে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বালু উত্তোলন, অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের মতো গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সরকারি প্রকল্পে ঠিকাদারদের কার্যক্রম পরিচালনা, বালু উত্তোলন বা বাণিজ্যিক কার্যক্রমের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও আইনগত প্রক্রিয়া রয়েছে। এসব বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া ব্যক্তিগতভাবে আমাকে দায়ী করা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
আমার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়েও প্রতিবেদনে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। আমার আয়, সম্পদ ও করসংক্রান্ত তথ্য যথাযথ নিয়মে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করা হয়েছে। ১৩৪ কোটি দুদক পরিসমাপ্তি করেছে। আমার ও স্ত্রীর হিসাব বিবরণী পরিসমাপ্তি করেছে। কোনো সম্পদের বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সংস্থা তা যাচাই করতে পারে। কিন্তু যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হওয়ার আগেই সংবাদে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেন অভিযোগ প্রমাণিত সত্য—যা ন্যায়বিচারের নীতির পরিপন্থী।
প্রতিবেদনে আমার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও মন্তব্য করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমি সবসময় সরকারি চাকরির আচরণবিধি ও পেশাগত দায়িত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। কোনো সংগঠন বা ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে অনুমানভিত্তিক মন্তব্য করে একজন কর্মকর্তার পেশাগত গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করা অনভিপ্রেত।
সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, সংবাদ প্রকাশের আগে আমার বক্তব্য নেওয়ার জন্য কার্যকর ও যথাযথ কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি। সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের আগে তার বক্তব্য গ্রহণ করা প্রয়োজন। আমার বক্তব্য গ্রহণ করা হলে প্রকল্পের বাস্তব অবস্থা, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং আমার দায়িত্বের সীমা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য উপস্থাপন করা সম্ভব হতো।
আমি পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই, সরকারি দায়িত্ব পালনকালে কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয় এবং এগুলো আমার দীর্ঘদিনের পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে আমি মনে করি।
অতএব, সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ—প্রকাশিত প্রতিবেদনের অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও অসম্পূর্ণ অংশ সংশোধন করে প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হোক। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং তথ্য যাচাইয়ের নীতি অনুসরণ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
প্রয়োজনে আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত যেকোনো অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
-মো. ছাইদুর রহমান