ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরেই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ সারাদেশে হঠাৎ সর্বোচ্চ সতর্কতা জা‌রি করলো পুলিশ সদর দপ্তর ৭ কেজি সোনা নিয়ে ভারতে ঢুকতে গিয়ে ধরা পড়লেন যুবক অপরিকল্পিত কেনাকাটায় অচল কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রবাসীর স্ত্রীর গোসলের ভিডিও করে ধরা খেলেন শফিকুল বিএনপি ব্যর্থ হলে দেশে কেউ বাস করতে পারবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নির্বাহী পরিচালকদের দায়িত্ব বাড়াল বিএসইসি মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি দেওয়া যাবে না : ট্রাম্প শিবগঞ্জ সীমান্তে ২৬ লাখ টাকার ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশ জব্দ

অপরিকল্পিত কেনাকাটায় অচল কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

গত ১৫ বছরে অপরিকল্পিতভাবে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা, দুর্নীতি এবং সমন্বিত পরিকল্পনার অভাবে দেশের অনেক সরকারি হাসপাতালে কোটি কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি অচল অবস্থায় পড়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

শনিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, গত দেড় দশকে স্বাস্থ্যখাতে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও পরিকল্পনার অভাব ও দুর্নীতির কারণে কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলেনি। শত শত কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হলেও সেগুলোর অধিকাংশই অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কোনো হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় ১০ বছর আগে কেনা যন্ত্রের মোড়কও খোলা হয়নি। কোথাও যন্ত্র আছে, কিন্তু চালানোর জন্য প্রশিক্ষিত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নেই। আবার কোথাও যন্ত্র থাকলেও রিএজেন্ট বা এক্স-রে প্লেটের অভাবে তা ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতের সংকট কেবল ভবন নির্মাণ বা নতুন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দূর করা সম্ভব নয়। প্রয়োজন সমন্বিত পরিকল্পনা, দক্ষ জনবল এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনা। চিকিৎসক, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টের সমন্বিত টিম ছাড়া আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের উদাহরণ তুলে ধরে ড. মুহিত বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ২০০ অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপকের পদ শূন্য রয়েছে। এই সংকটের মধ্যেই প্রতিদিন প্রায় পাঁচ হাজার রোগী চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন, যেখানে হাসপাতালের ধারণক্ষমতা মাত্র ২ হাজার ২০০। একইসঙ্গে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে বেসিক সায়েন্সের শিক্ষকেরও তীব্র সংকট রয়েছে।

এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ জসীম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরেই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

অপরিকল্পিত কেনাকাটায় অচল কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

গত ১৫ বছরে অপরিকল্পিতভাবে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা, দুর্নীতি এবং সমন্বিত পরিকল্পনার অভাবে দেশের অনেক সরকারি হাসপাতালে কোটি কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি অচল অবস্থায় পড়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

শনিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, গত দেড় দশকে স্বাস্থ্যখাতে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও পরিকল্পনার অভাব ও দুর্নীতির কারণে কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলেনি। শত শত কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হলেও সেগুলোর অধিকাংশই অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কোনো হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় ১০ বছর আগে কেনা যন্ত্রের মোড়কও খোলা হয়নি। কোথাও যন্ত্র আছে, কিন্তু চালানোর জন্য প্রশিক্ষিত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নেই। আবার কোথাও যন্ত্র থাকলেও রিএজেন্ট বা এক্স-রে প্লেটের অভাবে তা ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতের সংকট কেবল ভবন নির্মাণ বা নতুন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দূর করা সম্ভব নয়। প্রয়োজন সমন্বিত পরিকল্পনা, দক্ষ জনবল এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনা। চিকিৎসক, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টের সমন্বিত টিম ছাড়া আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের উদাহরণ তুলে ধরে ড. মুহিত বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ২০০ অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপকের পদ শূন্য রয়েছে। এই সংকটের মধ্যেই প্রতিদিন প্রায় পাঁচ হাজার রোগী চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন, যেখানে হাসপাতালের ধারণক্ষমতা মাত্র ২ হাজার ২০০। একইসঙ্গে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে বেসিক সায়েন্সের শিক্ষকেরও তীব্র সংকট রয়েছে।

এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ জসীম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।