ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনী-সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ৩০ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় পতন চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেললাইন পাঁচ ফুট উঁচু করা হবে: রেল প্রতিমন্ত্রী আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে হয়রানি, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ব্রুনাই শ্রমবাজারে স্থবিরতা, অভিযোগের কেন্দ্রে হাইকমিশনার নওরিন আহসান ক্যাঙ্গারু পারভেজ এর বোনজামাই মাসুমের থাবা: নাসিকের ৮০ টেন্ডারেই ‘ফেইথ অ্যান্ড ফেয়ার’! ঢাকাস্থ কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী বরুড়ার সালাহ উদ্দিন জসিম বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ওয়্যারহাউস সুপার রনি ও এআরও মাইদুল সিন্ডিকেটে ৪৭৩১ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি জাতীয়তাবাদী আদর্শের কারনে আওয়ামী আমলে বঞ্চিত আব্দুলাহ্ আরেফ এখনও বঞ্চিত

জাতীয়তাবাদী আদর্শের কারনে আওয়ামী আমলে বঞ্চিত আব্দুলাহ্ আরেফ এখনও বঞ্চিত

মো. আব্দুল্লাহ আরেফ, পিপিএম বাংলাদেশ পুলিশের ২০তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্মজীবনে প্রশাসনিক দক্ষতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং পেশাদারিত্বের জন্য তিনি পরিচিতি অর্জন করেন।
দায়িত্ব পালনকালে তিনি খুলনা মহানগর পুলিশসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা যায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি মাঠপর্যায়ে সক্রিয় তদারকি এবং জনগণমুখী পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। পেশাগত অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি প্রেসিডেন্টস পুলিশ মেডেল (PPM) অর্জন করেন, যা বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা। এছাড়া ২০২৪ সালে তিনি International Law Enforcement Officers Association (ILEOA) Bangladesh Chapter-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। সংগঠনটির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের মধ্যে সহযোগিতা, পেশাগত উন্নয়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ে তাঁর সম্পৃক্ততার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়।
কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব, পেশাগত দক্ষতা এবং দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর সম্পর্কে সমর্থকদের দাবি, তিনি সব সময় সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে যে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তিনি প্রত্যাশিত পদোন্নতি পাননি এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে বিভিন্নভাবে কোনঠাসা করে রাখা হয়। ছাত্রজীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন ।
এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দীর্ঘ ১৬ বছর পদোন্নতিবঞ্চিত এবং ১০ বছর ওএসডি থাকা নির্যাতিত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিষয়েও যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সম্প্রতি মো. আব্দুল্লাহ আরেফকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। এ সিদ্ধান্তের পেছনে স্বরাষ্ট্র সচিবের ভূমিকা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে অনেকেই উল্লেখ করেন যে, মো. আব্দুল্লাহ আরেফ এমন একজন কর্মকর্তা, যাকে অনেকেই ব্যক্তিগত ও পেশাগতভাবে চেনেন। কেউ কেউ দাবি করেন, সাবেক সরকারের সময় তিনি দীর্ঘদিন ওএসডি ছিলেন, আর বর্তমান সময়ে বাধ্যতামূলক অবসরের সিদ্ধান্ত তাঁর প্রতি আরেকটি অবিচার হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মো. আব্দুল্লাহ আরেফের কর্মজীবন, পূর্ববর্তী সরকারের সময় তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া অভিযোগকৃত বঞ্চনা এবং সাম্প্রতিক বাধ্যতামূলক অবসরের সিদ্ধান্ত—সবকিছু নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করা হোক। যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় যে তিনি অন্যায়ের শিকার হয়েছেন, তবে তাঁকে একটি সম্মানজনক পদে পুনর্বহাল বা যথাযথ মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হোক।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনী-সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ৩০

জাতীয়তাবাদী আদর্শের কারনে আওয়ামী আমলে বঞ্চিত আব্দুলাহ্ আরেফ এখনও বঞ্চিত

আপডেট সময় ০৫:০০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

মো. আব্দুল্লাহ আরেফ, পিপিএম বাংলাদেশ পুলিশের ২০তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্মজীবনে প্রশাসনিক দক্ষতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং পেশাদারিত্বের জন্য তিনি পরিচিতি অর্জন করেন।
দায়িত্ব পালনকালে তিনি খুলনা মহানগর পুলিশসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা যায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি মাঠপর্যায়ে সক্রিয় তদারকি এবং জনগণমুখী পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। পেশাগত অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি প্রেসিডেন্টস পুলিশ মেডেল (PPM) অর্জন করেন, যা বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা। এছাড়া ২০২৪ সালে তিনি International Law Enforcement Officers Association (ILEOA) Bangladesh Chapter-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। সংগঠনটির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের মধ্যে সহযোগিতা, পেশাগত উন্নয়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ে তাঁর সম্পৃক্ততার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়।
কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব, পেশাগত দক্ষতা এবং দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর সম্পর্কে সমর্থকদের দাবি, তিনি সব সময় সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে যে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তিনি প্রত্যাশিত পদোন্নতি পাননি এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে বিভিন্নভাবে কোনঠাসা করে রাখা হয়। ছাত্রজীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন ।
এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দীর্ঘ ১৬ বছর পদোন্নতিবঞ্চিত এবং ১০ বছর ওএসডি থাকা নির্যাতিত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিষয়েও যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সম্প্রতি মো. আব্দুল্লাহ আরেফকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। এ সিদ্ধান্তের পেছনে স্বরাষ্ট্র সচিবের ভূমিকা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে অনেকেই উল্লেখ করেন যে, মো. আব্দুল্লাহ আরেফ এমন একজন কর্মকর্তা, যাকে অনেকেই ব্যক্তিগত ও পেশাগতভাবে চেনেন। কেউ কেউ দাবি করেন, সাবেক সরকারের সময় তিনি দীর্ঘদিন ওএসডি ছিলেন, আর বর্তমান সময়ে বাধ্যতামূলক অবসরের সিদ্ধান্ত তাঁর প্রতি আরেকটি অবিচার হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মো. আব্দুল্লাহ আরেফের কর্মজীবন, পূর্ববর্তী সরকারের সময় তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া অভিযোগকৃত বঞ্চনা এবং সাম্প্রতিক বাধ্যতামূলক অবসরের সিদ্ধান্ত—সবকিছু নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করা হোক। যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় যে তিনি অন্যায়ের শিকার হয়েছেন, তবে তাঁকে একটি সম্মানজনক পদে পুনর্বহাল বা যথাযথ মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হোক।