লালমনিরহাটে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে একটি ফার্মেসি থেকে বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের নকল সংস্করণ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ফার্মেসিকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) বিকেলে জেলার মোস্তফিরহাট মোড় এলাকায় বিভিন্ন ফার্মেসিতে বিশেষ মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ‘আফিফা ফার্মেসি’ নামের একটি ওষুধের দোকানে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের জনপ্রিয় অ্যান্টিবায়োটিক ‘জিম্যাক্স-৫০০ (Zimax 500)’-এর হুবহু নকল পণ্য পাওয়া যায়।
অভিযান পরিচালনা করেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নওশাদ আলম। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোস্তফিরহাট মোড় এলাকার বিভিন্ন ফার্মেসিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় আফিফা ফার্মেসি থেকে জিম্যাক্স-৫০০ ওষুধের নকল পাতা ও বক্স জব্দ করা হয়, যা আসল পণ্যের মোড়কের সঙ্গে প্রায় হুবহু মিল রেখে তৈরি করা হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ফার্মেসির মালিক নিজের দায় স্বীকার করেন। পরে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী তাকে ৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে জব্দকৃত নকল ওষুধ ধ্বংস করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নওশাদ আলম বলেন, “দোকানদার দাবি করেছেন, আসল ও নকল ওষুধের মোড়ক দেখতে একই রকম হওয়ায় তিনি অজান্তেই এসব ওষুধ বিক্রির জন্য সংগ্রহ করেছিলেন। তবে নকল ও ভেজাল ওষুধ জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই আইন অনুযায়ী তাকে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।”
অভিযানকালে ফার্মেসি মালিকদের ওষুধ ক্রয়ের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে নিবন্ধিত ও বিশ্বস্ত ফার্মেসি থেকে ওষুধ কেনার আহ্বান জানানো হয়। নকল ওষুধ সরবরাহকারী চক্রের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়
লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ
লালমনিরহাটে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে একটি ফার্মেসি থেকে বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের নকল সংস্করণ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ফার্মেসিকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) বিকেলে জেলার মোস্তফিরহাট মোড় এলাকায় বিভিন্ন ফার্মেসিতে বিশেষ মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ‘আফিফা ফার্মেসি’ নামের একটি ওষুধের দোকানে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের জনপ্রিয় অ্যান্টিবায়োটিক ‘জিম্যাক্স-৫০০ (Zimax 500)’-এর হুবহু নকল পণ্য পাওয়া যায়।
অভিযান পরিচালনা করেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নওশাদ আলম। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোস্তফিরহাট মোড় এলাকার বিভিন্ন ফার্মেসিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় আফিফা ফার্মেসি থেকে জিম্যাক্স-৫০০ ওষুধের নকল পাতা ও বক্স জব্দ করা হয়, যা আসল পণ্যের মোড়কের সঙ্গে প্রায় হুবহু মিল রেখে তৈরি করা হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ফার্মেসির মালিক নিজের দায় স্বীকার করেন। পরে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী তাকে ৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে জব্দকৃত নকল ওষুধ ধ্বংস করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নওশাদ আলম বলেন, “দোকানদার দাবি করেছেন, আসল ও নকল ওষুধের মোড়ক দেখতে একই রকম হওয়ায় তিনি অজান্তেই এসব ওষুধ বিক্রির জন্য সংগ্রহ করেছিলেন। তবে নকল ও ভেজাল ওষুধ জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই আইন অনুযায়ী তাকে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।”
অভিযানকালে ফার্মেসি মালিকদের ওষুধ ক্রয়ের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে নিবন্ধিত ও বিশ্বস্ত ফার্মেসি থেকে ওষুধ কেনার আহ্বান জানানো হয়। নকল ওষুধ সরবরাহকারী চক্রের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।
মোঃ মিজানুর রহমান লালমনিরহাট প্রতিনিধি 




















