গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ভাবড়াশুর গ্রামে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা বসতবাড়ির নিরাপত্তা প্রাচীর ভেঙে ফেলা এবং ফলজ গাছ কেটে ফেলার একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগে জানা যায়, গত ১ জুন রাতে মুকসুদপুর উপজেলার ভাবড়াসুর ইউনিয়নের ভাবড়াসুর গ্রামের সহিদ মোল্লার বসতবাড়ির চারপাশে নির্মিত ইট দিয়ে তৈরী নিরাপত্তা প্রাচীর দুর্বৃত্তরা ভেঙে ফেলেছে এবং একই সঙ্গে কয়েকটি ফলজ গাছও কেটে ফেলেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ৯১নং ভাবড়াসুর মৌজার ১৩৫০নং খতিয়ানের ১১৯৭ দাগের ১৪ শতক জমি সহিদ মোল্লা ২০১৬ সালে তৈয়াব মোল্লা এবং তার ওয়ারিশগণ সিজান মোল্লা ও তার ভাইবোনদের নিকট থেকে ৪৮৫৭, ৪৭৩১ ও ৫৮০৬ নং সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন। পরবর্তীতে তিনি সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নামজারি (মিউটেশন) সম্পন্ন করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগদখল করে আসছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, জমির মালিকানা ও দীর্ঘদিনের ভোগদখলের ভিত্তিতে তারা সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করেন এবং নিরাপত্তার স্বার্থে ইটের প্রাচীর তৈরি করেছেন। কিন্তু রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা প্রাচীরটি ভেঙে ফেলে এবং কিছু ফলজ গাছ কেটে দেয়।
এ ঘটনায় পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানিয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের শনাক্তকরণ এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় এলাকাবাসীর মতে, এমন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
মুকসুদপুরে আধুনিক কসাইখানা নির্মাণের স্থান পরিদর্শন
মুহাম্মাদ বাবুল হোসেন, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার সদর বাজারে স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ কসাইখানা নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আসিক কবির।
সোমবার (২ জুন) সকাল ১১টায় তিনি বাজার এলাকার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন এবং কসাইখানা নির্মাণের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্ধারণে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মুকসুদপুর পৌরসভাকে আরও আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার অংশ হিসেবে নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই নিশ্চিত করতে একটি স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ কসাইখানা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে যত্রতত্র পশু জবাই বন্ধ হবে এবং পরিবেশ দূষণ রোধের পাশাপাশি বাজারের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সম্ভব হবে।
পরিদর্শনকালে ইউএনও মুহাম্মদ আসিক কবির বাজারের বিভিন্ন সমস্যা পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনাকারীদের দ্রুত ফুটপাত খালি করার নির্দেশ দেন।
এ সময় তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা প্রয়োজন। বাজারের শৃঙ্খলা ও সৌন্দর্য রক্ষায় সকল ব্যবসায়ীকে সহযোগিতা করতে হবে।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল ছালাম খান, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার টুটুল বিশ্বাস, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মসিউর রহমান মিন্টু শরীফ, মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ছিরু মিয়া, সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মতে, স্বাস্থ্যসম্মত কসাইখানা নির্মাণ এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাজারের পরিবেশ আরও সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব হবে।
মুহাম্মাদ বাবুল হোসেন গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 





















