ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

মিডিয়ায় শৃঙ্খলা বিরোধী বক্তব্য : সুপ্রিম কোর্টের ৪ কর্মচারী বরখাস্ত

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান না করা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় শৃঙ্খলা পরিপন্থি বক্তব্য দিয়ে বিদ্রোহ উসকে দেওয়ার অভিযোগে চারজন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৫ মে) এই আদেশ কার্যকর করা হয়। বরখাস্তকৃত কর্মচারীরা হলেন— মো. আসাদুজ্জামান, মো. মিরাজ, মো. মেহেদী হাসান ও মোসা. রক্ষুন নিশা। তারা সবাই এম.এল.এস.এস পদে কর্মরত ছিলেন।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানায়, গত ২৭ এপ্রিল এই চার কর্মচারীকে হাইকোর্টের চার বিচারপতির বাসভবনে বদলি করা হয়। দুইদিনের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে তাদের যোগদান করতে বলা হয়। কিন্তু এই চারজন বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে অস্বীকৃতি জানায়। পাশাপাশি ৩ মে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে বিচারপতিদের বাসায় কাজ করবে না বলে জানায়। ঘটনার এখানেই শেষ নয় ওইদিনই কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে ইলেট্রনিক মিডিয়ায় অফিস শৃঙ্খলা বিরোধী বক্তব্য প্রদান করেন।

পরদিন সুপ্রিম কোর্টের এ্যানেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে বিচারপতিদের বাসায় বদলি সংক্রান্ত আদেশকে অবৈধ বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও তারা নানাবিধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অন্যান্য কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান করেন। পাশাপাশি অন্যান্য কর্মচারীদের মধ্যে বিদ্রোহের মনোভাব তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যান। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থি হওয়ায় তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

এদিকে আরিব শেখ নামে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকেও সাময়িক বরখাস্ত করেছে প্রশাসন। প্রশাসনিক ভবন-২ এ নিচতলায় কোর্ট কিপিং শাখার কম্পিউটর রুম থেকে ইউপিএস চুরির চেষ্টা এবং সুপ্রিম কোর্টের লোগোযুক্ত সাদা রঙের ৭টি বান্ডিল মোট ১৪০০টি ফাইল কাভার চুরি করে আনন্দবাজারের একটি দোকানে বিক্রির অপরাধে তাকে বরখাস্ত করে প্রশাসন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

মিডিয়ায় শৃঙ্খলা বিরোধী বক্তব্য : সুপ্রিম কোর্টের ৪ কর্মচারী বরখাস্ত

আপডেট সময় ০৯:৫৬:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান না করা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় শৃঙ্খলা পরিপন্থি বক্তব্য দিয়ে বিদ্রোহ উসকে দেওয়ার অভিযোগে চারজন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৫ মে) এই আদেশ কার্যকর করা হয়। বরখাস্তকৃত কর্মচারীরা হলেন— মো. আসাদুজ্জামান, মো. মিরাজ, মো. মেহেদী হাসান ও মোসা. রক্ষুন নিশা। তারা সবাই এম.এল.এস.এস পদে কর্মরত ছিলেন।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানায়, গত ২৭ এপ্রিল এই চার কর্মচারীকে হাইকোর্টের চার বিচারপতির বাসভবনে বদলি করা হয়। দুইদিনের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে তাদের যোগদান করতে বলা হয়। কিন্তু এই চারজন বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে অস্বীকৃতি জানায়। পাশাপাশি ৩ মে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে বিচারপতিদের বাসায় কাজ করবে না বলে জানায়। ঘটনার এখানেই শেষ নয় ওইদিনই কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে ইলেট্রনিক মিডিয়ায় অফিস শৃঙ্খলা বিরোধী বক্তব্য প্রদান করেন।

পরদিন সুপ্রিম কোর্টের এ্যানেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে বিচারপতিদের বাসায় বদলি সংক্রান্ত আদেশকে অবৈধ বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও তারা নানাবিধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অন্যান্য কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান করেন। পাশাপাশি অন্যান্য কর্মচারীদের মধ্যে বিদ্রোহের মনোভাব তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যান। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থি হওয়ায় তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

এদিকে আরিব শেখ নামে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকেও সাময়িক বরখাস্ত করেছে প্রশাসন। প্রশাসনিক ভবন-২ এ নিচতলায় কোর্ট কিপিং শাখার কম্পিউটর রুম থেকে ইউপিএস চুরির চেষ্টা এবং সুপ্রিম কোর্টের লোগোযুক্ত সাদা রঙের ৭টি বান্ডিল মোট ১৪০০টি ফাইল কাভার চুরি করে আনন্দবাজারের একটি দোকানে বিক্রির অপরাধে তাকে বরখাস্ত করে প্রশাসন।