ঢাকা ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা ওয়াসায় ক্যাটাগরি পরিবর্তনের নামে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য অনুমোদন ছাড়াই প্ল্যান্ট চালুর পায়তারা, জ্বালানি বিভাগে সুপার পেট্রোকেমিক্যালের তদবির দিরাইয়ের ওসির বিরুদ্ধে নির্যাতন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ কুরিয়ার অফিস থেকে পার্সেল নেওয়ার চেষ্টা, পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার ভুয়া চুক্তিতে ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৬৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীর বক্তব্য ও সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে সিসকপের মানববন্ধন পঞ্চগড় জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে প্রশাসকের শুভেচ্ছা বিনিময় পবিপ্রবির পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর এনবিআরে যোগ দিতে গিয়ে জানলেন নিয়োগপত্র জাল নকশা লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ, চট্টগ্রামে ৪ ভবনের অংশ ভাঙল সিডিএ, সিলগালা ২টি

মিডিয়ায় শৃঙ্খলা বিরোধী বক্তব্য : সুপ্রিম কোর্টের ৪ কর্মচারী বরখাস্ত

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান না করা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় শৃঙ্খলা পরিপন্থি বক্তব্য দিয়ে বিদ্রোহ উসকে দেওয়ার অভিযোগে চারজন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৫ মে) এই আদেশ কার্যকর করা হয়। বরখাস্তকৃত কর্মচারীরা হলেন— মো. আসাদুজ্জামান, মো. মিরাজ, মো. মেহেদী হাসান ও মোসা. রক্ষুন নিশা। তারা সবাই এম.এল.এস.এস পদে কর্মরত ছিলেন।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানায়, গত ২৭ এপ্রিল এই চার কর্মচারীকে হাইকোর্টের চার বিচারপতির বাসভবনে বদলি করা হয়। দুইদিনের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে তাদের যোগদান করতে বলা হয়। কিন্তু এই চারজন বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে অস্বীকৃতি জানায়। পাশাপাশি ৩ মে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে বিচারপতিদের বাসায় কাজ করবে না বলে জানায়। ঘটনার এখানেই শেষ নয় ওইদিনই কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে ইলেট্রনিক মিডিয়ায় অফিস শৃঙ্খলা বিরোধী বক্তব্য প্রদান করেন।

পরদিন সুপ্রিম কোর্টের এ্যানেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে বিচারপতিদের বাসায় বদলি সংক্রান্ত আদেশকে অবৈধ বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও তারা নানাবিধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অন্যান্য কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান করেন। পাশাপাশি অন্যান্য কর্মচারীদের মধ্যে বিদ্রোহের মনোভাব তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যান। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থি হওয়ায় তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

এদিকে আরিব শেখ নামে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকেও সাময়িক বরখাস্ত করেছে প্রশাসন। প্রশাসনিক ভবন-২ এ নিচতলায় কোর্ট কিপিং শাখার কম্পিউটর রুম থেকে ইউপিএস চুরির চেষ্টা এবং সুপ্রিম কোর্টের লোগোযুক্ত সাদা রঙের ৭টি বান্ডিল মোট ১৪০০টি ফাইল কাভার চুরি করে আনন্দবাজারের একটি দোকানে বিক্রির অপরাধে তাকে বরখাস্ত করে প্রশাসন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা ওয়াসায় ক্যাটাগরি পরিবর্তনের নামে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য

মিডিয়ায় শৃঙ্খলা বিরোধী বক্তব্য : সুপ্রিম কোর্টের ৪ কর্মচারী বরখাস্ত

আপডেট সময় ০৯:৫৬:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান না করা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় শৃঙ্খলা পরিপন্থি বক্তব্য দিয়ে বিদ্রোহ উসকে দেওয়ার অভিযোগে চারজন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৫ মে) এই আদেশ কার্যকর করা হয়। বরখাস্তকৃত কর্মচারীরা হলেন— মো. আসাদুজ্জামান, মো. মিরাজ, মো. মেহেদী হাসান ও মোসা. রক্ষুন নিশা। তারা সবাই এম.এল.এস.এস পদে কর্মরত ছিলেন।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানায়, গত ২৭ এপ্রিল এই চার কর্মচারীকে হাইকোর্টের চার বিচারপতির বাসভবনে বদলি করা হয়। দুইদিনের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে তাদের যোগদান করতে বলা হয়। কিন্তু এই চারজন বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে অস্বীকৃতি জানায়। পাশাপাশি ৩ মে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে বিচারপতিদের বাসায় কাজ করবে না বলে জানায়। ঘটনার এখানেই শেষ নয় ওইদিনই কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে ইলেট্রনিক মিডিয়ায় অফিস শৃঙ্খলা বিরোধী বক্তব্য প্রদান করেন।

পরদিন সুপ্রিম কোর্টের এ্যানেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে বিচারপতিদের বাসায় বদলি সংক্রান্ত আদেশকে অবৈধ বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও তারা নানাবিধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অন্যান্য কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান করেন। পাশাপাশি অন্যান্য কর্মচারীদের মধ্যে বিদ্রোহের মনোভাব তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যান। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থি হওয়ায় তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

এদিকে আরিব শেখ নামে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকেও সাময়িক বরখাস্ত করেছে প্রশাসন। প্রশাসনিক ভবন-২ এ নিচতলায় কোর্ট কিপিং শাখার কম্পিউটর রুম থেকে ইউপিএস চুরির চেষ্টা এবং সুপ্রিম কোর্টের লোগোযুক্ত সাদা রঙের ৭টি বান্ডিল মোট ১৪০০টি ফাইল কাভার চুরি করে আনন্দবাজারের একটি দোকানে বিক্রির অপরাধে তাকে বরখাস্ত করে প্রশাসন।