ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চট্টগ্রাম গণপূর্তে প্রকৌশলী মেহেদী ও এনডিইকে ঘিরে ৫০ লাখ টাকার ঘুষের অভিযোগ বেনজীরকে দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাইস কুকারে রান্না করতে গিয়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমন ১০ দিনের রিমান্ডে ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, যুক্তিতর্ক ৪ আগস্ট ইউপি সদস্য ফিরোজের বিরুদ্ধে, বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ ভুক্তভোগীরা ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর কার্যক্রম আগস্টে পরিলক্ষিত হচ্ছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোড়াই কটনমিল পরিদর্শন করলেন শরীফুল আলম বালুর ড্রেজার বসানো নিয়ে বাকবিতন্ডা, স্থানীয়দের হাতে মার খেলেন ববি ছাত্রদলের তিন নেতা কুমিল্লা ও ফেনী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় শাড়ি-মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ

২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেফতারে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের আলটিমেটাম

রংপুরে মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রী কে হত্যার ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেফতারে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের আলটিমেটাম।
রংপুরের তারাগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) ও তার স্ত্রী সুর্বণা রায় (৬০) কে হত্যা করা হয়েছে। ৬ ডিসেম্বর শনিবার দিবাগত রাতে কুর্শা ইউনিয়নের উত্তর রহিমাপুর এলাকায় তাদের নিজ বাড়িতেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলী হোসেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় না আনলে কঠোর আন্দোলনের হুসিয়ারী দিয়েছেন। তারাগঞ্জ থানার এস আই মো. আবু ছাইয়ুম বলেছেন, দু’জনেরই মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন।
নিহত যোগেশ চন্দ্র রায়ের বাড়ির দেখাশোনা করা পরিবারের সদস্য দীপক চন্দ্র রায় জানান, তার পরিবার ৪০-৫০ বছর ধরে যোগেশ চন্দ্র রায়ের বাড়ির দেখাশোনা করেন। তিনি প্রতিদিনের মতো ৭ ডিসেম্বর রোববার সকালে কাজ করতে সেখানে যান। সকাল ৭টা পর্যন্ত ঘর থেকে কেউ বের না হওয়ায় সন্দেহ হয়। ডাকাডাকি করেও কোনো শব্দ না পেয়ে আশপাশের লোকজনকে ডেকে মই বেয়ে ভেতরে ঢুকে দেখেন ঘরে কেউ নেই। পরে ডাইনিং রুমের দরজা খুলে দেখেন যোগেশ চন্দ রক্তাক্ত মরদেহ আর রান্না ঘরে তার স্ত্রী সুর্বণা রায় এর মরদেহ পড়ে আছে। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। স্থানীয়রা জানান, নিহত যোগেশ চন্দ্র রায় পেশায় শিক্ষক ছিলেন। তিনি ২০১৭ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ থেকে অবসরে যান। তার দুই ছেলে, বড় ছেলে শোভেন চন্দ্র রায় জয়পুরহাটে এবং ছোট ছেলে রাজেশ খান্না চন্দ্র রায় ঢাকায় পুলিশে চাকরি করেন। গ্রামের বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী দুজনই থাকতেন। সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম গণপূর্তে প্রকৌশলী মেহেদী ও এনডিইকে ঘিরে ৫০ লাখ টাকার ঘুষের অভিযোগ

২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেফতারে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের আলটিমেটাম

আপডেট সময় ১১:১২:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

রংপুরে মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রী কে হত্যার ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেফতারে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের আলটিমেটাম।
রংপুরের তারাগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) ও তার স্ত্রী সুর্বণা রায় (৬০) কে হত্যা করা হয়েছে। ৬ ডিসেম্বর শনিবার দিবাগত রাতে কুর্শা ইউনিয়নের উত্তর রহিমাপুর এলাকায় তাদের নিজ বাড়িতেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলী হোসেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় না আনলে কঠোর আন্দোলনের হুসিয়ারী দিয়েছেন। তারাগঞ্জ থানার এস আই মো. আবু ছাইয়ুম বলেছেন, দু’জনেরই মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন।
নিহত যোগেশ চন্দ্র রায়ের বাড়ির দেখাশোনা করা পরিবারের সদস্য দীপক চন্দ্র রায় জানান, তার পরিবার ৪০-৫০ বছর ধরে যোগেশ চন্দ্র রায়ের বাড়ির দেখাশোনা করেন। তিনি প্রতিদিনের মতো ৭ ডিসেম্বর রোববার সকালে কাজ করতে সেখানে যান। সকাল ৭টা পর্যন্ত ঘর থেকে কেউ বের না হওয়ায় সন্দেহ হয়। ডাকাডাকি করেও কোনো শব্দ না পেয়ে আশপাশের লোকজনকে ডেকে মই বেয়ে ভেতরে ঢুকে দেখেন ঘরে কেউ নেই। পরে ডাইনিং রুমের দরজা খুলে দেখেন যোগেশ চন্দ রক্তাক্ত মরদেহ আর রান্না ঘরে তার স্ত্রী সুর্বণা রায় এর মরদেহ পড়ে আছে। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। স্থানীয়রা জানান, নিহত যোগেশ চন্দ্র রায় পেশায় শিক্ষক ছিলেন। তিনি ২০১৭ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ থেকে অবসরে যান। তার দুই ছেলে, বড় ছেলে শোভেন চন্দ্র রায় জয়পুরহাটে এবং ছোট ছেলে রাজেশ খান্না চন্দ্র রায় ঢাকায় পুলিশে চাকরি করেন। গ্রামের বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী দুজনই থাকতেন। সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।