ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

ভিকারুন্নেসার শিক্ষার্থীকে অপহরণের পর ধর্ষণ, আসামির যাবজ্জীবন

৮ বছর আগে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ভিকারুন্নেসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে আসামি আনিছ আহম্মেদ নীলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় দেন। এর মধ্যে ধর্ষণের দায়ে তার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায় এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আর অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক।

সংশ্লিষ্ট আদালতের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) রায়ের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আসামি পলাতক থাকায় তার স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ বা পুলিশ গ্রেপ্তারের পর তার সাজা কার্যকর করা হবে বলে আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ভিকারুন্নেছা স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে আসামি আনিছ আহম্মেদ নীলের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয়। ফেসবুকের পরিচয়ের সূত্র ধরে আসামি ভিকটিমকে বিভিন্ন সময় উত্যক্ত করতেন। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার সময় ভিকটিম বাসা থেকে কোচিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে কোচিং শেষে বাসায় ফিরে না আসায় তার বাবা ও মামলার বাদী তাকে খুঁজতে আজিমপুর গিয়ে কোচিং শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করলে ভিকটিম কোচিংয়ে যায়নি বলে জানান। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে কয়েকজন তাকে জানান যে, ৩০ অক্টোবর ২টা ৪ মিনিটের সময় তার মেয়ে বাসা থেকে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন বড়গ্রাম চেয়ারম্যান বাড়ির মোড়ে পৌঁছালে আসামি আনিছ আহম্মেদ নীলসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন আসামিরা তার মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক গাড়িতে উঠিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে দেখেছেন।

মামলাটি তদন্ত করে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন হোসেন আসামির বিরুদ্ধে ভিকটিমকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

ভিকারুন্নেসার শিক্ষার্থীকে অপহরণের পর ধর্ষণ, আসামির যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৩:১৫:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

৮ বছর আগে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ভিকারুন্নেসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে আসামি আনিছ আহম্মেদ নীলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় দেন। এর মধ্যে ধর্ষণের দায়ে তার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায় এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আর অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক।

সংশ্লিষ্ট আদালতের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) রায়ের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আসামি পলাতক থাকায় তার স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ বা পুলিশ গ্রেপ্তারের পর তার সাজা কার্যকর করা হবে বলে আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ভিকারুন্নেছা স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে আসামি আনিছ আহম্মেদ নীলের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয়। ফেসবুকের পরিচয়ের সূত্র ধরে আসামি ভিকটিমকে বিভিন্ন সময় উত্যক্ত করতেন। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার সময় ভিকটিম বাসা থেকে কোচিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে কোচিং শেষে বাসায় ফিরে না আসায় তার বাবা ও মামলার বাদী তাকে খুঁজতে আজিমপুর গিয়ে কোচিং শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করলে ভিকটিম কোচিংয়ে যায়নি বলে জানান। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে কয়েকজন তাকে জানান যে, ৩০ অক্টোবর ২টা ৪ মিনিটের সময় তার মেয়ে বাসা থেকে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন বড়গ্রাম চেয়ারম্যান বাড়ির মোড়ে পৌঁছালে আসামি আনিছ আহম্মেদ নীলসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন আসামিরা তার মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক গাড়িতে উঠিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে দেখেছেন।

মামলাটি তদন্ত করে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন হোসেন আসামির বিরুদ্ধে ভিকটিমকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।