ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রিজের রেলিং ভেঙে তেলবাহী ট্রাক খালে, চালক নিহত চাকরির পরীক্ষায় জালিয়াতি-প্রক্সি ঠেকাতে বায়োমেট্রিকসহ ১২ নির্দেশনা ইরানের ভয়ে গোপনে বিমান পাল্টানোর কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ ডিমলায় নাওতারা নদীর কাঠের সাঁকো ভেঙে নদীতে পড়লেন জামায়াত নেতারা পলিসি ক্যাম্পে দেশসেরা ৩০ জনের একজন বেরোবির আইরিন আক্তার লাবণ্য বরগুনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ হালাল অর্থনীতি হতে পারে নতুন সম্ভাবনার বড় ক্ষেত্র : বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলা একাডেমিতে জিয়াউর রহমান ও কবি নজরুলের কর্মময় জীবন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিয়ের প্রলোভনে খুবি ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, নৌপরিবহন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে শহীদ মিনারে হাজার হাজার শিক্ষক

২০ শতাংশ বাড়িভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সচিবালয় অভিমুখে ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়েছেন হাজার হাজার শিক্ষক। কিছুক্ষণের মধ্যে সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন তারা।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে।
জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের যুগ্ম সদস্য সচিব শিক্ষক আবুল বাশার বলেন, আমাদের দাবি বাস্তবায়ন করতে কিছুক্ষণের মধ্যে সচিবালয় অভিমুখে ‘মার্চ টু সচিবালয়’ যাত্রা শুর করব।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষকদের উপর পুলিশ হামলা চালিয়েছিল। আজকে আমাদের উপর হামলা করলে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

শিক্ষকরা জানান, আমাদের কর্মবিরতি চলবে। ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, ১৫০০ টাকা মেডিকেল ভাতা ও কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি না করা পর্যন্ত কোনো শিক্ষক শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন না।

এর আগে, মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ও পুলিশের বলপ্রয়োগের প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে সারাদেশের সব বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্কুল–কলেজে ক্লাস কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, সরকারের প্রস্তাবিত বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির হার ‘অপর্যাপ্ত ও অবাস্তব’। তারা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সর্বজনীন বদলি নীতি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।

গত রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে পুলিশ শিক্ষকদের সরাতে গেলে ধস্তাধস্তি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে সংগঠনের নেতাদের আহ্বানে শিক্ষকরা শহীদ মিনারে অবস্থান নেন এবং সেখান থেকেই লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা দেন।

রোববার ও সোমবার রাতভর রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করেন শিক্ষকরা। কেউ প্লাস্টিকের চট বিছিয়ে, কেউ ব্যানার মাথার নিচে দিয়ে রাত কাটান। তাদের দাবি, প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি ও আন্দোলন চলবে।

অন্যদিকে, সারাদেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বর্তমানে কর্মবিরতি পালন করে যাচ্ছেন। তারা প্রতিদিন নিয়মিতভাবে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও কোনো শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করছেন না, পাঠদান কার্যক্রমেও অংশ নিচ্ছেন না। বিদ্যালয়ের আঙ্গিনা, শিক্ষক লাউঞ্জ কিংবা অফিসকক্ষে বসেই তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

এছাড়া বিভিন্ন স্থানে শিক্ষকরা হাতে ব্যানার-প্ল্যাকার্ড নিয়েও প্রতিবাদ করছেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ঢাকায় অবস্থানরত আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে অসংখ্য পোস্ট দিচ্ছেন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষকরা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রিজের রেলিং ভেঙে তেলবাহী ট্রাক খালে, চালক নিহত

মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে শহীদ মিনারে হাজার হাজার শিক্ষক

আপডেট সময় ১২:২৬:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

২০ শতাংশ বাড়িভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সচিবালয় অভিমুখে ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়েছেন হাজার হাজার শিক্ষক। কিছুক্ষণের মধ্যে সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন তারা।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে।
জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের যুগ্ম সদস্য সচিব শিক্ষক আবুল বাশার বলেন, আমাদের দাবি বাস্তবায়ন করতে কিছুক্ষণের মধ্যে সচিবালয় অভিমুখে ‘মার্চ টু সচিবালয়’ যাত্রা শুর করব।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষকদের উপর পুলিশ হামলা চালিয়েছিল। আজকে আমাদের উপর হামলা করলে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

শিক্ষকরা জানান, আমাদের কর্মবিরতি চলবে। ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, ১৫০০ টাকা মেডিকেল ভাতা ও কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি না করা পর্যন্ত কোনো শিক্ষক শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন না।

এর আগে, মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ও পুলিশের বলপ্রয়োগের প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে সারাদেশের সব বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্কুল–কলেজে ক্লাস কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, সরকারের প্রস্তাবিত বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির হার ‘অপর্যাপ্ত ও অবাস্তব’। তারা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সর্বজনীন বদলি নীতি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।

গত রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে পুলিশ শিক্ষকদের সরাতে গেলে ধস্তাধস্তি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে সংগঠনের নেতাদের আহ্বানে শিক্ষকরা শহীদ মিনারে অবস্থান নেন এবং সেখান থেকেই লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা দেন।

রোববার ও সোমবার রাতভর রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করেন শিক্ষকরা। কেউ প্লাস্টিকের চট বিছিয়ে, কেউ ব্যানার মাথার নিচে দিয়ে রাত কাটান। তাদের দাবি, প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি ও আন্দোলন চলবে।

অন্যদিকে, সারাদেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বর্তমানে কর্মবিরতি পালন করে যাচ্ছেন। তারা প্রতিদিন নিয়মিতভাবে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও কোনো শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করছেন না, পাঠদান কার্যক্রমেও অংশ নিচ্ছেন না। বিদ্যালয়ের আঙ্গিনা, শিক্ষক লাউঞ্জ কিংবা অফিসকক্ষে বসেই তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

এছাড়া বিভিন্ন স্থানে শিক্ষকরা হাতে ব্যানার-প্ল্যাকার্ড নিয়েও প্রতিবাদ করছেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ঢাকায় অবস্থানরত আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে অসংখ্য পোস্ট দিচ্ছেন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষকরা।