যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) একমাত্র সামাজিক সংগঠন ‘উন্নত মম শির,যবিপ্রবি’ ক্লাবের প্রথম কার্যনির্বাহী পরিষদের কমিটি প্রকাশিত হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং(EEE) বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আল শাহরিয়ার রাফিদ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন একই শিক্ষাবর্ষের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কতৃক এক স্বাক্ষরিত কার্যনির্বাহী পরিষদের কমিটির তালিকা হতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি পদে মো: সাকিবুর রহমান, আতিকা মোস্তারী, মুর্তজা বশির। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে মেহেদী হাসান, মারিয়াম জামিলা, আবু রায়হান। সাংগঠনিক সম্পাদক মো: তপু ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হানিফ আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, সহ-দপ্তর সম্পাদক নাঈমুর রহমান নাঈম, অর্থ সম্পাদক মো: রায়হান, সহ-অর্থ সম্পাদক মো: মাহফুজ হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো: সামিউর রহমান, শিক্ষা ও বিজ্ঞান সম্পাদক বুশরাতুল হুসনা, ক্রীড়া সম্পাদক সোয়াত হাসান সৌরভ, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক রেজওয়ান মিয়া, নারী ও শিক্ষার্থী কল্যান সম্পাদক তিলোকতমা মেহরিন পায়েল, পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শিহাব কামাল সৌরভ, ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক নাঈম হাসান রিফাত এবং কার্যনির্বাহী সদস্য শামসুজ্জামান হৃদয়, শেখ আবু সুফিয়ান, আমিনা খাতুন, মো: রিফাদ হাসান রোহান, মো: আশিকুর রহমান, মোসা: নুসরাত জাহান রুপা।
নবগঠিত কমিটির সভাপতি আল শাহরিয়ার রাফিদ বলেন, ‘উন্নত মম শির, যবিপ্রবি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা সামাজিক ক্লাব। এই ক্লাব বিশ্ববিদ্যালয় সহ এর বাইরেও বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছে। এই ক্লাবের সদস্য হতে পারা আমার জন্য গর্বের বিষয় একই সাথে ক্লাবের সর্বোচ্চ দায়িত্ব পাওয়া টা আমার জন্য চ্যালেঞ্জ। কারণ এই ক্লাবের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার সহ এর বাইরেও অনেক মানুষের চাওয়া আছে। আমরা চেষ্টা করব নতুন কমিটির সকলে মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নিয়ম মেনে সকলকে সাথে নিয়ে ক্লাবকে সামনে এগিয়ে এবং ক্লাবের মূলমন্ত্রকে ধারণ করে উদ্যমের সাথে কাজ করে উন্নত বিশ্ব গঠন করা।’
উল্লেখ্য, জুলাই বিপ্লবের পর থেকে ক্যাম্পাসের আশেপাশের এলাকায় বাজার মনিটরিং, বৃক্ষরোপন, সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কাজের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে সামাজিক সংগঠন উন্নত মম শির। পরবর্তীতে নোয়াখালী, ফেনী ও কুমিল্লা অঞ্চলে সংঘটিত বন্যার সময়ও স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করতে দেখা যায় উক্ত সংগঠনের সদস্যদের।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক 























