ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

সিলেটের আশরাফুল ও সেলিম একাধিক হত্যা মামলার পলাতক আসামি

  • সিলেট প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় ০৮:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৯৫ বার পড়া হয়েছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুস এবং সেনা প্রথান ওয়াকর উজ্জামানসহ সেনাবাহিনী ও সরকারের বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানকে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন
ওসমানীনগর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম আহমদ। তাদের ঘিরে এলাকায় চলছে তীব্র আলোচনা সমালোচনা। দীর্ঘদিন ধরে একাধিক হত্যা মামলার পলাতক থাকা সত্ত্বেও তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব পরিষদের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য আশরাফুল ইসলাম। তাকে ঘিরে সিলেটে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তার এই বিভ্রান্তিকর পোস্টে সাধারণ জনগণ বিভ্রান্ত হচ্ছে, যা এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

সিলেট জেলা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সেলিম আহমদ ও আশরাফুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে সিলেটের বিভিন্ন থানায় একাধিক হত্যা মামলা রয়েছে। পলাতক অবস্থায় থেকেও তারা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, সেনা বাহিনীর প্রধানসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে মানহানিকর ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন। এতে প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদেরকে ধরতে বাড়িতে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করেছে, তবে তারা গা ঢাকা দিয়েছেন। পুলিশের খাতায় এখনো এই দুই নেতা পলাতক আসামি হিসেবে তালিকাভুক্ত।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানেআশরাফুল ইসলাম ও সেলিম আহমদ আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। সে সময় স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।

পুলিশ জানায়, হত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও নাশকতাসহ নানা অপরাধের মামলা বিচারাধীন। সম্প্রতি তাদের অপপ্রচারমূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে আরও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক মহল বলছে, একসময় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য ধীরে ধীরে অপরাধ ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত থাকলেও আইনের চোখে তারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যান।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এরকম অপরাধীদে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং খুব শিগগিরই তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

সিলেটের আশরাফুল ও সেলিম একাধিক হত্যা মামলার পলাতক আসামি

আপডেট সময় ০৮:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুস এবং সেনা প্রথান ওয়াকর উজ্জামানসহ সেনাবাহিনী ও সরকারের বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানকে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন
ওসমানীনগর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম আহমদ। তাদের ঘিরে এলাকায় চলছে তীব্র আলোচনা সমালোচনা। দীর্ঘদিন ধরে একাধিক হত্যা মামলার পলাতক থাকা সত্ত্বেও তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব পরিষদের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য আশরাফুল ইসলাম। তাকে ঘিরে সিলেটে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তার এই বিভ্রান্তিকর পোস্টে সাধারণ জনগণ বিভ্রান্ত হচ্ছে, যা এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

সিলেট জেলা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সেলিম আহমদ ও আশরাফুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে সিলেটের বিভিন্ন থানায় একাধিক হত্যা মামলা রয়েছে। পলাতক অবস্থায় থেকেও তারা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, সেনা বাহিনীর প্রধানসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে মানহানিকর ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন। এতে প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদেরকে ধরতে বাড়িতে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করেছে, তবে তারা গা ঢাকা দিয়েছেন। পুলিশের খাতায় এখনো এই দুই নেতা পলাতক আসামি হিসেবে তালিকাভুক্ত।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানেআশরাফুল ইসলাম ও সেলিম আহমদ আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। সে সময় স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।

পুলিশ জানায়, হত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও নাশকতাসহ নানা অপরাধের মামলা বিচারাধীন। সম্প্রতি তাদের অপপ্রচারমূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে আরও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক মহল বলছে, একসময় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য ধীরে ধীরে অপরাধ ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত থাকলেও আইনের চোখে তারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যান।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এরকম অপরাধীদে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং খুব শিগগিরই তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।