ঢাকা ০৫:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর একাত্তরে ভুল করা দলকে উসকানির রাজনীতি বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কুষ্টিয়ায় আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর, জামায়াত-গণঅধিকারের সংঘর্ষ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপকের মরদেহ উদ্ধার আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ৪৭ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বসছে ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ লালমনিরহাটে আবাসিক হোটেলের আড়ালে ব্ল্যাকমেইল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসকসহ ৩ কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ​ব্রাহ্মণপাড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

নবীনগর অনুষ্ঠানে ড. দে্ওয়ান সালাউদ্দিন বাবুর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আলোচনা

নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ড. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবু শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, দেশপ্রেমিক ও আদর্শবান নেতা হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন — তাঁর কথায় ইতিহাস, মূল্যবোধ এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা স্পষ্ট। অ্যালেকজান্ডারের শেষ কথোপকথন স্মরণ করিয়ে দেয় যে, সত্যিকারের শক্তি আসে নেতৃত্বের ন্যায্যতায় — এবং সেই শক্তি যা সমাজকে উন্নতির পথে নিয়ে যেতে পারে।

নবীনরণ অনুষ্ঠান: শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আলেকজান্ডার ও মানবিক মূল্যবোধে মনোনিবেশ করেন ড. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবু
সাভার-আশুলিয়ায় অনুষ্ঠিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে এবারের গেস্ট অব অনার ছিলেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য *ড. মুহাম্মদ দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবু*। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তার বক্তব্য ছিল গহীন, গভীর এবং সময়োপযোগী।
এক পর্যায়ে তিনি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন বিখ্যাত মেসেডোনিয়ার শাসক *অ্যালেকজান্ডার দ্যা গ্রেট*–এর শেষ কিছু কথা — “To whom shall we give the kingdom?” অর্থাৎ, “আমাদের বিশাল সাম্রাজ্য কার হাতে থাকবে?” এই প্রশ্ন তাঁর মৃত্যুর-পথে সহযোদ্ধাদের মুখে দেওয়া হয়েছিল যখন সাম্রাজ্যের ভাগাভাগি ও নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছিল। [1]
*উজ্জীবিত শিক্ষার্থীদের প্রতি নির্দেশনা:*
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন,
– *মানুষের মনে কষ্ট দিয়ে অর্জন করা অর্থ ও শক্তি স্থায়ী নয়।*
– *নিজের মেধা ও শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য পরিশ্রম করতে হবে।*
– তিনি জোর দেন, যে অর্জন সত্যিই মূল্যবান, তা আসে সততা, পরিশ্রম ও মানবিকতায়।
*অ্যালেকজান্ডারের “শেষ কথোপকথন”–এর গুরুত্ব:*
– ইতিহাস বলে, অ্যালেকজান্ডার মৃত্যুর আগেও নেতৃত্ব ও উত্তরাধিকার বিষয়ে বলেছিলেন, “To the strongest” বা “যিনি সবচেয়ে শক্তিশালী তাকে” দেবেন শাসনের দায়িত্ব। [2]
– এই ইতিহাস শিক্ষার্থীদের জন্য একটি শক্তিশালী শিক্ষণীয় বিষয়। এটা দেখায় ক্ষমতা ও নেতৃত্ব শুধু জন্মগত বা নিকৃষ্ট উপায়ে পাওয়া যায় না — বরং সততা, সাহস এবং ন্যায়বিচারেই ভালো নেতৃত্ব বিকাশ পায়।
– শিক্ষার্থীদের মধ্যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা দেখা গেছে — অনেকেই বলছেন, তারা শুধু শিক্ষার উদ্দেশ্য নয়, চরিত্র ও মূল্যবোধ গড়ে তুলতে চান।
– অভিভাবকরা বলছেন, “বাবুর এই উদ্দীপনামূলক বক্তৃতা আমাদের সন্তানের মনের ভিতর একটি আলোকবর্তিকা উদযাপন করলো।”
– শিক্ষকরা মন্তব্য করেছেন যে এই ধরনের আলোচনা শিক্ষার্থীকে শুধু পড়াশোনা বা ফলাফল নয়, জীবনের নৈতিক ও মানবিক দিক দেখে চলার জন্য অনুপ্রাণিত করে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর

নবীনগর অনুষ্ঠানে ড. দে্ওয়ান সালাউদ্দিন বাবুর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আলোচনা

আপডেট সময় ০৪:১২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ড. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবু শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, দেশপ্রেমিক ও আদর্শবান নেতা হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন — তাঁর কথায় ইতিহাস, মূল্যবোধ এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা স্পষ্ট। অ্যালেকজান্ডারের শেষ কথোপকথন স্মরণ করিয়ে দেয় যে, সত্যিকারের শক্তি আসে নেতৃত্বের ন্যায্যতায় — এবং সেই শক্তি যা সমাজকে উন্নতির পথে নিয়ে যেতে পারে।

নবীনরণ অনুষ্ঠান: শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আলেকজান্ডার ও মানবিক মূল্যবোধে মনোনিবেশ করেন ড. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবু
সাভার-আশুলিয়ায় অনুষ্ঠিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে এবারের গেস্ট অব অনার ছিলেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য *ড. মুহাম্মদ দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবু*। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তার বক্তব্য ছিল গহীন, গভীর এবং সময়োপযোগী।
এক পর্যায়ে তিনি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন বিখ্যাত মেসেডোনিয়ার শাসক *অ্যালেকজান্ডার দ্যা গ্রেট*–এর শেষ কিছু কথা — “To whom shall we give the kingdom?” অর্থাৎ, “আমাদের বিশাল সাম্রাজ্য কার হাতে থাকবে?” এই প্রশ্ন তাঁর মৃত্যুর-পথে সহযোদ্ধাদের মুখে দেওয়া হয়েছিল যখন সাম্রাজ্যের ভাগাভাগি ও নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছিল। [1]
*উজ্জীবিত শিক্ষার্থীদের প্রতি নির্দেশনা:*
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন,
– *মানুষের মনে কষ্ট দিয়ে অর্জন করা অর্থ ও শক্তি স্থায়ী নয়।*
– *নিজের মেধা ও শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য পরিশ্রম করতে হবে।*
– তিনি জোর দেন, যে অর্জন সত্যিই মূল্যবান, তা আসে সততা, পরিশ্রম ও মানবিকতায়।
*অ্যালেকজান্ডারের “শেষ কথোপকথন”–এর গুরুত্ব:*
– ইতিহাস বলে, অ্যালেকজান্ডার মৃত্যুর আগেও নেতৃত্ব ও উত্তরাধিকার বিষয়ে বলেছিলেন, “To the strongest” বা “যিনি সবচেয়ে শক্তিশালী তাকে” দেবেন শাসনের দায়িত্ব। [2]
– এই ইতিহাস শিক্ষার্থীদের জন্য একটি শক্তিশালী শিক্ষণীয় বিষয়। এটা দেখায় ক্ষমতা ও নেতৃত্ব শুধু জন্মগত বা নিকৃষ্ট উপায়ে পাওয়া যায় না — বরং সততা, সাহস এবং ন্যায়বিচারেই ভালো নেতৃত্ব বিকাশ পায়।
– শিক্ষার্থীদের মধ্যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা দেখা গেছে — অনেকেই বলছেন, তারা শুধু শিক্ষার উদ্দেশ্য নয়, চরিত্র ও মূল্যবোধ গড়ে তুলতে চান।
– অভিভাবকরা বলছেন, “বাবুর এই উদ্দীপনামূলক বক্তৃতা আমাদের সন্তানের মনের ভিতর একটি আলোকবর্তিকা উদযাপন করলো।”
– শিক্ষকরা মন্তব্য করেছেন যে এই ধরনের আলোচনা শিক্ষার্থীকে শুধু পড়াশোনা বা ফলাফল নয়, জীবনের নৈতিক ও মানবিক দিক দেখে চলার জন্য অনুপ্রাণিত করে।