সম্প্রতি রাজবাড়ীর এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছে বাংলাদেশ। নুরা পাগলা নামের একজন মুসলিম ব্যক্তির মৃত্যুর পর, তার লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে প্রকাশ্যে রাস্তায় এনে অগ্নিকুণ্ডলিতে নিক্ষেপ করা হয়েছে—আর সেই পাশবিক ঘটনার পেছনে ছিল ধর্মের নামে বিকৃত ফতোয়া, উল্লাস, এমনকি ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি!
আমরা কি ভুলে গেছি, ইসলামে কবরের মর্যাদা কত পবিত্র? মৃত্যুর পর একজন মানুষের দেহ আর তাঁর নিজস্ব নয়, বরং তা আল্লাহর হাতে ন্যস্ত। কবরস্থান হলো শান্তির স্থান—‘دار السلام’। অথচ সেই কবর ভেঙে, মৃতদেহ তুলে আগুনে ফেলে দেয়া হলো। এ শুধু এক ব্যক্তির মর্যাদাহানিই নয়, বরং রাষ্ট্রের মানচিত্রকে অগ্নিকুণ্ডলীতে নিক্ষেপ করার মতোই লজ্জাজনক ও ভয়ংকর অপরাধ।
ইতিহাস সাক্ষী, এমন বর্বরতা মুসলমান কখনো মুসলমানের প্রতি করেছে কি? কোথাও কি নজির আছে, যেখানে কবর থেকে মৃতদেহ তুলে তার বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করে জনসমক্ষে দাহ করা হয়েছে? এই ঘটনা একা নুরা পাগলার নয়, বরং পুরো জাতির আত্মপরিচয় ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতার মুখে এক চপেটাঘাত।
এই জঘন্য ঘটনাটি কি শুধুই ধর্মীয় উন্মাদনা? নাকি এর পেছনে আরও গভীর ষড়যন্ত্র আছে? অশান্তি, বিশৃঙ্খলা, সামাজিক বিভাজন—এই সমস্ত কিছুকে উস্কে দিতে কোনো শক্তি কি পেছন থেকে এই ঘটনা সাজিয়েছে? এসব প্রশ্নের উত্তর না খুঁজলে শুধু একজন মৃত ব্যক্তির অপমানই নয়, বরং পুরো জাতি এক অন্ধকার গর্তে তলিয়ে যাবে।
রাষ্ট্র কি চুপ থাকতে পারে? রাষ্ট্র কি নির্লিপ্ত থেকে এই ঘটনার দায় এড়িয়ে যেতে পারে? অবশ্যই না। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের
শহিদুল ইসলাম 

























