ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আত্রাইয়ে গ্রাম আদালতের এজলাস উদ্বোধন, স্বল্প খরচে বিচারসেবা নিশ্চিতের প্রত্যাশা পে-ফিক্সেশনের নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অসাধু সিন্ডিকেট: জিম্মি সাধারণ কর্মচারীরা শিবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি কোটালীপাড়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত বিএডিসিতে এখনো শক্তিশালী আওয়ামী প্রভাব খাটানো বঙ্গ অ্যাগ্রিটেক, নেপথ্যে দুই কর্মকর্তা সোনারগাঁয়ে দোকান দখল ও ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ সেলিম সরকারের বিরুদ্ধে পাঁচ সাংবাদিক হত্যার বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন ময়মনসিংহের সাংবাদিকেরা আশুলিয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নাচের ভিডিও ভাইরাল দাউদকান্দিতে বন্দুক-কার্তুজ ও গ্রিল কাটারসহ ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার
আসামির আইনজীবীকে আনাসের মা

‘আপনার সন্তানের বুকে গুলি লাগলে বুঝবেন

ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন শহীদ শাহরিয়ার খান আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি। জবানবন্দি শেষে তাকে জেরা করেন স্টেট ডিফেন্স ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল।

ট্রাইব্যুনালের বাকি সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এদিন বেলা পৌনে ১২টায় সাক্ষীর ডায়াসে ওঠেন শহীদ আনাসের মা দীপ্তি। এরপর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছেলে হত্যাকাণ্ডের পুরো বর্ণনা ট্রাইব্যুনালের সামনে তুলে ধরেন তিনি। সাক্ষ্যগ্রহণের পর শুরুতে তাকে জেরা করেন আসামি শাহবাগ থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেনের পক্ষের আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন অভি।

জেরার একপর্যায়ে ছেলের লেখা শেষ চিঠি নিয়ে আনাসের মায়ের কাছে জানতে চান আইনজীবী অভি। তিনি বলেন, আনাসের লেখা চিঠিটি কী আনাসের জবাবে সাক্ষী দীপ্তি বলেন, কেমন ভ্রান্ত প্রশ্ন করেন। আমার ছেলেকে কি আপনারা বেশি চেনেন। চিঠির লেখা ও নিচের স্বাক্ষর সবই আনাসের।

আনাসের ময়নাতদন্ত নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত হয়নি। কারণ দ্রুত লাশ দিয়ে দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তার সহযোদ্ধা রাব্বী ও সৌরভও পূর্বপরিচিত ছিল না।

জেরায় আইনজীবীর এমন প্রশ্নে কান্নাজড়িত কণ্ঠে এই সাক্ষী বলেন, আমি কিছু বললেই দোষ হবে। যেদিন আপনার সন্তানের বুকে গুলি লাগবে, সেদিনই বুঝবেন। প্রতিত্তোরে অভি বলেন, আপনি ন্যায়বিচার পান আমরাও চাই। আপনার ছেলের মৃত্যুতে আমরাও ব্যথিত। তবে আইনজীবী হিসেবে এমন প্রশ্ন করা আমাদের কর্তব্য।

এছাড়া আজ সকালেও কারাগার থেকে এ মামলার চার আসামিকে হাজির করেছে পুলিশ। তারা হলেন- শাহবাগ থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ‍ও মো. নাসিরুল ইসলাম। তাদের উপস্থিতিতেই ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিচ্ছেন সাক্ষীরা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আত্রাইয়ে গ্রাম আদালতের এজলাস উদ্বোধন, স্বল্প খরচে বিচারসেবা নিশ্চিতের প্রত্যাশা

আসামির আইনজীবীকে আনাসের মা

‘আপনার সন্তানের বুকে গুলি লাগলে বুঝবেন

আপডেট সময় ০৭:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন শহীদ শাহরিয়ার খান আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি। জবানবন্দি শেষে তাকে জেরা করেন স্টেট ডিফেন্স ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল।

ট্রাইব্যুনালের বাকি সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এদিন বেলা পৌনে ১২টায় সাক্ষীর ডায়াসে ওঠেন শহীদ আনাসের মা দীপ্তি। এরপর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছেলে হত্যাকাণ্ডের পুরো বর্ণনা ট্রাইব্যুনালের সামনে তুলে ধরেন তিনি। সাক্ষ্যগ্রহণের পর শুরুতে তাকে জেরা করেন আসামি শাহবাগ থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেনের পক্ষের আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন অভি।

জেরার একপর্যায়ে ছেলের লেখা শেষ চিঠি নিয়ে আনাসের মায়ের কাছে জানতে চান আইনজীবী অভি। তিনি বলেন, আনাসের লেখা চিঠিটি কী আনাসের জবাবে সাক্ষী দীপ্তি বলেন, কেমন ভ্রান্ত প্রশ্ন করেন। আমার ছেলেকে কি আপনারা বেশি চেনেন। চিঠির লেখা ও নিচের স্বাক্ষর সবই আনাসের।

আনাসের ময়নাতদন্ত নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত হয়নি। কারণ দ্রুত লাশ দিয়ে দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তার সহযোদ্ধা রাব্বী ও সৌরভও পূর্বপরিচিত ছিল না।

জেরায় আইনজীবীর এমন প্রশ্নে কান্নাজড়িত কণ্ঠে এই সাক্ষী বলেন, আমি কিছু বললেই দোষ হবে। যেদিন আপনার সন্তানের বুকে গুলি লাগবে, সেদিনই বুঝবেন। প্রতিত্তোরে অভি বলেন, আপনি ন্যায়বিচার পান আমরাও চাই। আপনার ছেলের মৃত্যুতে আমরাও ব্যথিত। তবে আইনজীবী হিসেবে এমন প্রশ্ন করা আমাদের কর্তব্য।

এছাড়া আজ সকালেও কারাগার থেকে এ মামলার চার আসামিকে হাজির করেছে পুলিশ। তারা হলেন- শাহবাগ থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ‍ও মো. নাসিরুল ইসলাম। তাদের উপস্থিতিতেই ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিচ্ছেন সাক্ষীরা।