ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রেমের বিচ্ছেদ সহ্য করতে না পেরে প্রেমিকাসহ ৪ জনকে হত্যা! ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জামায়াত আমির বাংলাদেশকে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা আত্রাইয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠিত ৭ ইসলামি সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক: ৫ শর্তে কুমিল্লা বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন পটুয়াখালী শোভাযাত্রা ও মাছের পোনা অবমুক্তের মাধ্যমে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন তীব্র গ্যাস সংকটে কুমিল্লা, সিএনজি পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা ত্রাণের বিস্কুট ও জাহাজের তেল চুরির অভিযোগেও বহাল তবিয়তে ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মিজানুর

২০৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় আসামি এস আলম, রন ও রিক শিকদারসহ ২৬ জন

ঋণের ২০৭ কোটি ৪২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এস আলম গ্রুপের মালিক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক দুই পরিচালক রন হক শিকদার ও রিক হক শিকদারসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) মামলাটি করা হয়েছে। সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— সৈয়দ কামরুল ইসলাম, মো. সালাউদ্দিন, সৈয়দ মাহবুব-ই-করিম, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির কর্মকর্তার এম. এম. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. জহুরুল হক, আব্দুল আজিজ, সৈয়দ ওয়াসেক মো. আলী, মোহাম্মদ সাইফুল আলম, মোহাম্মদ আব্দুল মালেক, ফারজানা পারভীন, আতিকুর নেসা, মোহাম্মদ ইসহাক, আহমদ মুক্তাদির আরিফ, খন্দকার ইফতেখার আহমদ, ড. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বদরুন নেছা, মো. ওয়াহিদুল আলম শেঠ, জামাল মোস্তফা চৌধুরী, মোল্লা ফজলে আকবর, লিসা ফাতেমা হক সিকদার, পারভীন হক সিকদার, মো. শেখ আলম ও মনিশংকর বিশ্বাস।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক থেকে ঋণের নামে ১১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছে। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সুদসহ যা বকেয়া দাঁড়িয়েছে ২০৭ কোটি ৪২ লাখ ২২ হাজার ৭৬৯ টাকা। ওই অর্থ পরবর্তীতে হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং অপরাধ করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ড বিধির ৪০৯/৪২০/১০৯/১২০খ; ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় আসামি এস আলম, রন ও রিক শিকদারসহ ২৬ জন

আপডেট সময় ০৮:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

ঋণের ২০৭ কোটি ৪২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এস আলম গ্রুপের মালিক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক দুই পরিচালক রন হক শিকদার ও রিক হক শিকদারসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) মামলাটি করা হয়েছে। সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— সৈয়দ কামরুল ইসলাম, মো. সালাউদ্দিন, সৈয়দ মাহবুব-ই-করিম, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির কর্মকর্তার এম. এম. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. জহুরুল হক, আব্দুল আজিজ, সৈয়দ ওয়াসেক মো. আলী, মোহাম্মদ সাইফুল আলম, মোহাম্মদ আব্দুল মালেক, ফারজানা পারভীন, আতিকুর নেসা, মোহাম্মদ ইসহাক, আহমদ মুক্তাদির আরিফ, খন্দকার ইফতেখার আহমদ, ড. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বদরুন নেছা, মো. ওয়াহিদুল আলম শেঠ, জামাল মোস্তফা চৌধুরী, মোল্লা ফজলে আকবর, লিসা ফাতেমা হক সিকদার, পারভীন হক সিকদার, মো. শেখ আলম ও মনিশংকর বিশ্বাস।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক থেকে ঋণের নামে ১১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছে। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সুদসহ যা বকেয়া দাঁড়িয়েছে ২০৭ কোটি ৪২ লাখ ২২ হাজার ৭৬৯ টাকা। ওই অর্থ পরবর্তীতে হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং অপরাধ করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ড বিধির ৪০৯/৪২০/১০৯/১২০খ; ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।