ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

ধানমন্ডির সেই তিনশ কোটি টাকার সম্পত্তি বরাদ্দে স্থিতাবস্থা হাইকোর্টের

রাজধানীর ধানমন্ডি ২ নম্বর রোডে ৩০০ কোটি টাকা মূল্যমানের বাড়িটির পরিত্যক্ত সম্পত্তি বরাদ্দ দেওয়া ও অবকাঠামো নির্মাণের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও বরাদ্দ দেওয়া কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে ধানমন্ডির ওই বাড়িটির প্রায় ৩০০ কোটি দামের পরিত্যক্ত সম্পত্তি জনগণের জন্য কেন সংরক্ষণ করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

এর আগে ২০২২ সালের নভেম্বরে ধানমন্ডির ২ নম্বর রোডের প্রায় ৩০০ কোটি দামের পরিত্যক্ত সম্পত্তি ২৯ নম্বর বাড়ি সরকারের বলে রায় দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তথ্য গোপন করে এই বাড়ির মালিকানা দাবি করে রিট দায়ের করায় সাংবাদিক আবেদ খানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত।

সেদিন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান বলেছিলেন, ধানমন্ডি ২ নম্বর রোডের আলোচিত ২৯ নম্বর বাড়ি ১৯৭২ সালে তৎকালীন মালিক কর্তৃক পরিত্যাগ করে চলে যাওয়ায় সরকার পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে দখল ও নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে ওই সম্পত্তির উত্তরাধিকার হিসেবে মালিকানা দাবি করে তোয়াব খান, আবেদ খান ও অন্যান্যরা প্রথম সেটেলমেন্ট কোর্টে ১৯৮৯ সালে মামলা দায়ের করেন। সাক্ষ্য ও পক্ষদ্বয়ের কাগজপত্র ও সরকারি নিবন্ধক দপ্তরের নথি পর্যালোচনা করে প্রথম সেটেলমেন্ট কোর্টে বর্ণিত সম্পত্তি সরকার আইনসঙ্গতভাবেই পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে দখল ও নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন মর্মে রায় প্রদান করেন। এই রায় বহাল থাকা অবস্থায় এস নেহাল আহমেদ নামে এক ব্যক্তি ১৯৮৭ সালের আবেদন দেখিয়ে প্রথম সেটেলমেন্ট কোর্টে ১৯৯৬ সালে মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় সরকার পক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হয়নি। প্রথম সেটেলমেন্ট কোর্টে কোন সাক্ষী প্রদান করেননি, বা সমর্থনীয় এবং আবশ্যকীয় কাগজপত্র দাখিল করা না হলেও এস. নেহাল আহমেদ দাবিকারী ব্যক্তির পক্ষে রায় প্রদান করেন।

এই রায় বাস্তবায়নের এস নেহাল আহমেদ হাইকোর্টে ০২টি রিট পিটিশন দায়ের করেন। কাজী মাঈনুল হাসান বলেন, এদিকে একই সম্পত্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত ও সমর্থনীয় কাগজপত্র ছাড়াই সাংবাদিক আবেদ খান তাদের বিরুদ্ধে সেটেলমেন্টের কোর্টের রায় গোপন করে ২০১৫ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। ওই সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে রিট করা হয়। তথ্য গোপন করে রিট করায় আদালত তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

ধানমন্ডির সেই তিনশ কোটি টাকার সম্পত্তি বরাদ্দে স্থিতাবস্থা হাইকোর্টের

আপডেট সময় ০৩:২৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

রাজধানীর ধানমন্ডি ২ নম্বর রোডে ৩০০ কোটি টাকা মূল্যমানের বাড়িটির পরিত্যক্ত সম্পত্তি বরাদ্দ দেওয়া ও অবকাঠামো নির্মাণের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও বরাদ্দ দেওয়া কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে ধানমন্ডির ওই বাড়িটির প্রায় ৩০০ কোটি দামের পরিত্যক্ত সম্পত্তি জনগণের জন্য কেন সংরক্ষণ করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

এর আগে ২০২২ সালের নভেম্বরে ধানমন্ডির ২ নম্বর রোডের প্রায় ৩০০ কোটি দামের পরিত্যক্ত সম্পত্তি ২৯ নম্বর বাড়ি সরকারের বলে রায় দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তথ্য গোপন করে এই বাড়ির মালিকানা দাবি করে রিট দায়ের করায় সাংবাদিক আবেদ খানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত।

সেদিন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান বলেছিলেন, ধানমন্ডি ২ নম্বর রোডের আলোচিত ২৯ নম্বর বাড়ি ১৯৭২ সালে তৎকালীন মালিক কর্তৃক পরিত্যাগ করে চলে যাওয়ায় সরকার পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে দখল ও নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে ওই সম্পত্তির উত্তরাধিকার হিসেবে মালিকানা দাবি করে তোয়াব খান, আবেদ খান ও অন্যান্যরা প্রথম সেটেলমেন্ট কোর্টে ১৯৮৯ সালে মামলা দায়ের করেন। সাক্ষ্য ও পক্ষদ্বয়ের কাগজপত্র ও সরকারি নিবন্ধক দপ্তরের নথি পর্যালোচনা করে প্রথম সেটেলমেন্ট কোর্টে বর্ণিত সম্পত্তি সরকার আইনসঙ্গতভাবেই পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে দখল ও নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন মর্মে রায় প্রদান করেন। এই রায় বহাল থাকা অবস্থায় এস নেহাল আহমেদ নামে এক ব্যক্তি ১৯৮৭ সালের আবেদন দেখিয়ে প্রথম সেটেলমেন্ট কোর্টে ১৯৯৬ সালে মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় সরকার পক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হয়নি। প্রথম সেটেলমেন্ট কোর্টে কোন সাক্ষী প্রদান করেননি, বা সমর্থনীয় এবং আবশ্যকীয় কাগজপত্র দাখিল করা না হলেও এস. নেহাল আহমেদ দাবিকারী ব্যক্তির পক্ষে রায় প্রদান করেন।

এই রায় বাস্তবায়নের এস নেহাল আহমেদ হাইকোর্টে ০২টি রিট পিটিশন দায়ের করেন। কাজী মাঈনুল হাসান বলেন, এদিকে একই সম্পত্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত ও সমর্থনীয় কাগজপত্র ছাড়াই সাংবাদিক আবেদ খান তাদের বিরুদ্ধে সেটেলমেন্টের কোর্টের রায় গোপন করে ২০১৫ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। ওই সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে রিট করা হয়। তথ্য গোপন করে রিট করায় আদালত তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।