ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে সেনেগালের সেরা কলিবালি

শেষ ষোল নিশ্চিত করতে নিজেদের শেষ ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না সেনেগালের। কিন্তু বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ৬৯তম মিনিট পর্যন্তও জয়ের পথে ছিল না আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নরা। শেষমেষ জাদু দেখালেন কলিবালি। ফ্রি-কিকে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে শেষ ষোলতে টেনে তোলার নায়ক তিনিই। 

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে প্রথম ১০ মিনিটেই দুটো গোলের সুযোগ হারায় সেনেগাল। হার মানেনি আলিউ সিসের শিষ্যরা। একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণে ভীতি ছড়াতে থাকে তারা। প্রথমার্ধে গোলের জন্য ১২টি শট নেয় সেনেগাল, এর মধ্যে ৯টিই ছিল ডি-বক্সের ভেতর থেকে। তবে ভাগ্যের ফেরে এসব শট থেকে কোনো গোল আসেনি। ৪৪ তম মিনিটে গোলটা আসে পেনাল্টি থেকে। এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে সেনেগাল।

কেবল গোল করাই নয়, রক্ষণে আজ কলিবালি ছিলেন দেয়ালের মতো। গোলমুখে বল ক্লিয়ার করে প্রতিপক্ষের মোট ১০টি সুযোগ নষ্ট করে দেন তিনি। এছাড়া ৫৮ শতাংশ সঠিক পাস দেওয়ার পাশাপাশি লং বল খেলেছেন ১১টি। মূলত তার এই নৈপুণ্যেই ইকুয়েডরকে হটিয়ে শেষ ষোলতে উঠতে পেরেছে সেনেগাল।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে সেনেগালের সেরা কলিবালি

আপডেট সময় ১১:০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২

শেষ ষোল নিশ্চিত করতে নিজেদের শেষ ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না সেনেগালের। কিন্তু বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ৬৯তম মিনিট পর্যন্তও জয়ের পথে ছিল না আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নরা। শেষমেষ জাদু দেখালেন কলিবালি। ফ্রি-কিকে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে শেষ ষোলতে টেনে তোলার নায়ক তিনিই। 

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে প্রথম ১০ মিনিটেই দুটো গোলের সুযোগ হারায় সেনেগাল। হার মানেনি আলিউ সিসের শিষ্যরা। একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণে ভীতি ছড়াতে থাকে তারা। প্রথমার্ধে গোলের জন্য ১২টি শট নেয় সেনেগাল, এর মধ্যে ৯টিই ছিল ডি-বক্সের ভেতর থেকে। তবে ভাগ্যের ফেরে এসব শট থেকে কোনো গোল আসেনি। ৪৪ তম মিনিটে গোলটা আসে পেনাল্টি থেকে। এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে সেনেগাল।

কেবল গোল করাই নয়, রক্ষণে আজ কলিবালি ছিলেন দেয়ালের মতো। গোলমুখে বল ক্লিয়ার করে প্রতিপক্ষের মোট ১০টি সুযোগ নষ্ট করে দেন তিনি। এছাড়া ৫৮ শতাংশ সঠিক পাস দেওয়ার পাশাপাশি লং বল খেলেছেন ১১টি। মূলত তার এই নৈপুণ্যেই ইকুয়েডরকে হটিয়ে শেষ ষোলতে উঠতে পেরেছে সেনেগাল।