ঢাকা ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন মামলার নথি বদলে ফেলেছে বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিন ফায়ারের গাড়ি চালক সাখাওয়াতের কোটি কোটি টাকা বন্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নামার আগে সেরা খেলোয়াড়কে হারাল সুইজারল্যান্ড ফরিদপুরে বাসচাপায় নিহত ৪ ‘জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে’ : ব্রাহ্মণপাড়ায় এমপি জসিম উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের দামে ধস

নোয়াখালী বেগমগঞ্জে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক ব্যবসায়ীকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। তবে পুলিশ বলছে এটাকে প্রাথমিক ভাবে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে।

আম গাছের সাথে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের ফরাজি বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুস সাত্তার (৩৬) উপজেলার একই ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের ফরাজি বাড়ির মজিবুল হকের ছেলে। তিনি এক দুই সন্তানের জনক ছিলন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাত্তার স্থানীয় চৌমুহনী বাজারে কাপড়ের ব্যবসা করতেন। রাতে কে বা কারা তাকে ডেকে নেয়। ভোর ৪টার দিকে বাড়ির সামনের একটি গাছে সাত্তারের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহতের ভাই মুফতি আনোয়ার অভিযোগ করেন, জায়গা জমি ও মাটি কাটা নিয়ে আমার কাকা এছাক, জেঠাতো ভাই হারুন ও বাবুলের সাথে আমাদের বিরোধ চলে আসছে। এছাড়া মাটি কাটা নিয়ে আমানিয়া ব্রিক ফিল্ডের তারেক ও আরিফের সাথে আমার ভাই সাত্তারের বিরোধ দেখা দেয়। তারা এক জোট হয়ে আমার ভাইকে হত্যা করে গাছে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখে।

অভিযুক্তদের মুঠোফোনে কল করা হলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, নিহতের স্বজনরা দুজনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করেছেন তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে নিহতের শরীরে কোন আঘাতের চিহৃ নেই। প্রাথমিক ভাবে এটাকে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। তবে অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে সকল তথ্যাদি জানা যাবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বন মামলার নথি বদলে ফেলেছে বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিন

নোয়াখালী বেগমগঞ্জে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০২:১৩:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক ব্যবসায়ীকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। তবে পুলিশ বলছে এটাকে প্রাথমিক ভাবে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে।

আম গাছের সাথে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের ফরাজি বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুস সাত্তার (৩৬) উপজেলার একই ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের ফরাজি বাড়ির মজিবুল হকের ছেলে। তিনি এক দুই সন্তানের জনক ছিলন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাত্তার স্থানীয় চৌমুহনী বাজারে কাপড়ের ব্যবসা করতেন। রাতে কে বা কারা তাকে ডেকে নেয়। ভোর ৪টার দিকে বাড়ির সামনের একটি গাছে সাত্তারের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহতের ভাই মুফতি আনোয়ার অভিযোগ করেন, জায়গা জমি ও মাটি কাটা নিয়ে আমার কাকা এছাক, জেঠাতো ভাই হারুন ও বাবুলের সাথে আমাদের বিরোধ চলে আসছে। এছাড়া মাটি কাটা নিয়ে আমানিয়া ব্রিক ফিল্ডের তারেক ও আরিফের সাথে আমার ভাই সাত্তারের বিরোধ দেখা দেয়। তারা এক জোট হয়ে আমার ভাইকে হত্যা করে গাছে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখে।

অভিযুক্তদের মুঠোফোনে কল করা হলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, নিহতের স্বজনরা দুজনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করেছেন তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে নিহতের শরীরে কোন আঘাতের চিহৃ নেই। প্রাথমিক ভাবে এটাকে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। তবে অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে সকল তথ্যাদি জানা যাবে।