ঢাকা ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন মামলার নথি বদলে ফেলেছে বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিন ফায়ারের গাড়ি চালক সাখাওয়াতের কোটি কোটি টাকা বন্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নামার আগে সেরা খেলোয়াড়কে হারাল সুইজারল্যান্ড ফরিদপুরে বাসচাপায় নিহত ৪ ‘জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে’ : ব্রাহ্মণপাড়ায় এমপি জসিম উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের দামে ধস

জবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আয়োজনে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ‘তর্কযুদ্ধ’

  • জবি প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় ০২:০৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৬৩৬ বার পড়া হয়েছে

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ‘তর্কযুদ্ধ’ নামে এক বিতর্কের আয়োজন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। বিতর্কের মোশন ছিল – ‘এই সংসদ (বাংলাদেশ) মনে করে আঞ্চলিক ভাষা চর্চায় মনোযোগহীনতা ভাষার ভবিষ্যৎ বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে।’

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে আয়োজিত হয় এ বিতর্ক। সরকার দলের পক্ষে ছিলেন জান্নাতি খাতুন, ইয়ামিন সাদাত ও মো. মেহেদী হাসান। অন্যদিকে, বিরোধী দলে ছিলেন মো. জাকির হোসেন, সামিউল হোসেইন সামি ও মো. শাহরিয়াজ আহমেদ। বিতর্কের বিচারক ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক কিশোর সাম্য।

এই তর্কযুদ্ধে বিজয়ী হয় সরকারি দল ও সেরা বিতার্কিক হিসেবে নির্বাচিত হোন ২০২৩-২৪ সেশনের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মো: শাহরিয়াজ আহম্মদ।

বিচারক কিশোর সাম্য বলেন, ভাষার ক্ষেত্রে আঞ্চলিক ভাষা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি জরুরি একাডেমিক ও গবেষণায় এর ব্যবহার এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। সরকার যদি বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও তাত্ত্বিক ক্ষেত্রে নিজস্ব ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত না করে, তবে তা শক্তিশালী হতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, চীন কোডিং থেকে শুরু করে সর্বত্র চীনা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করেছে, যা তাদের ভাষাকে বিশ্বমঞ্চে শক্ত অবস্থান দিয়েছে। আমাদের ক্ষেত্রেও একই রকম প্রচেষ্টা নেওয়া উচিত।

আয়োজন সম্পর্কে জবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহ-মুখপাত্র সিয়াম হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং ভাষার বিকাশ ও বহুমাত্রিক ব্যবহারের উপলক্ষ। এ বিতর্ক আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ভাষা ও ভবিষ্যৎ বিকাশের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে গভীর চিন্তা-ভাবনার সুযোগ সৃষ্টি করা। আঞ্চলিক ভাষা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা করলেও অতিমাত্রায় চর্চা ভবিষ্যৎ বিকাশে বাধা হতে পারে কি না, তা এই বিতর্কের মাধ্যমে অনুসন্ধান করা হয়েছে। আশা করি, এ আয়োজন নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে সহায়ক হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বন মামলার নথি বদলে ফেলেছে বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিন

জবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আয়োজনে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ‘তর্কযুদ্ধ’

আপডেট সময় ০২:০৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ‘তর্কযুদ্ধ’ নামে এক বিতর্কের আয়োজন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। বিতর্কের মোশন ছিল – ‘এই সংসদ (বাংলাদেশ) মনে করে আঞ্চলিক ভাষা চর্চায় মনোযোগহীনতা ভাষার ভবিষ্যৎ বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে।’

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে আয়োজিত হয় এ বিতর্ক। সরকার দলের পক্ষে ছিলেন জান্নাতি খাতুন, ইয়ামিন সাদাত ও মো. মেহেদী হাসান। অন্যদিকে, বিরোধী দলে ছিলেন মো. জাকির হোসেন, সামিউল হোসেইন সামি ও মো. শাহরিয়াজ আহমেদ। বিতর্কের বিচারক ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক কিশোর সাম্য।

এই তর্কযুদ্ধে বিজয়ী হয় সরকারি দল ও সেরা বিতার্কিক হিসেবে নির্বাচিত হোন ২০২৩-২৪ সেশনের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মো: শাহরিয়াজ আহম্মদ।

বিচারক কিশোর সাম্য বলেন, ভাষার ক্ষেত্রে আঞ্চলিক ভাষা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি জরুরি একাডেমিক ও গবেষণায় এর ব্যবহার এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। সরকার যদি বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও তাত্ত্বিক ক্ষেত্রে নিজস্ব ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত না করে, তবে তা শক্তিশালী হতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, চীন কোডিং থেকে শুরু করে সর্বত্র চীনা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করেছে, যা তাদের ভাষাকে বিশ্বমঞ্চে শক্ত অবস্থান দিয়েছে। আমাদের ক্ষেত্রেও একই রকম প্রচেষ্টা নেওয়া উচিত।

আয়োজন সম্পর্কে জবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহ-মুখপাত্র সিয়াম হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং ভাষার বিকাশ ও বহুমাত্রিক ব্যবহারের উপলক্ষ। এ বিতর্ক আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ভাষা ও ভবিষ্যৎ বিকাশের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে গভীর চিন্তা-ভাবনার সুযোগ সৃষ্টি করা। আঞ্চলিক ভাষা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা করলেও অতিমাত্রায় চর্চা ভবিষ্যৎ বিকাশে বাধা হতে পারে কি না, তা এই বিতর্কের মাধ্যমে অনুসন্ধান করা হয়েছে। আশা করি, এ আয়োজন নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে সহায়ক হবে।