এই দিবসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতভাবে উত্তোলন করে বাংলাভাষার জন্য আত্মত্যাগী বীর ভাষাশহীদদের প্রতি সম্মান জানানো হয়। কিন্তু আজকে সকালে জামালপুর শহরের বাসটারমিনাল থেকে এসপি অফিস পর্যন্ত ঘুরে দেখে খুবই হতাশ হয়েছি। সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ছাড়া প্রধান সড়কের দুই পাশে শতকরা ৮০ ভাগ ভবন, দোকানপাট, ব্যাংকবীমাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা চোখে পড়েনি। যেগুলো দেখেছি সেগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই নিয়মমাফিক জাতীয় পতাকা উড়ানো হয়নি। শহরের স্টেশন বাজার মোড়ে একটি উঁচু ভবনে জাতীয় পতাকা মাথানত করে উড়ানো হয়েছে। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার সাধারণত দোকানপাট, সরকারি, বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকে। এটাও একটা কারণ। আবার স্বাধীন বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাসের ভবিষ্যৎ নিয়ে নাগরিকদের দ্বিধা-দ্বন্দ্ব মনোভাবেরও প্রভাব পড়েছে কিনা, সেটাও চিন্তার বিষয়। মাতৃভূমির প্রতীক জাতীয় পতাকার প্রতি নাগরিকদের দরদ যে নেই, আমি তা বলছি না। আছে। থাকবে। থাকাই জরুরি। যেকোনো জাতীয় দিবসের আগের দিনই সরকারের পক্ষ থেকে মাইকিংয়ে সঠিক মাপে ও সঠিক নিয়মে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। তারপরও জাতীয় পতাকা না উত্তোলন, বা সঠিকভাবে উত্তোলন না করা দেখে হতাশ হই।
জাকিরুল ইসলাম বাবু 






















