বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেসরকারি তথা এমপিওভুক্ত। একই যোগ্যতা ও অভিন্ন সিলেবাস হওয়া সত্ত্বেও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা আজ বিরাট বৈষম্যের শিকার।
যার বাস্তব উদাহরণ হলো, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া মাত্র এক হাজার টাকা ও চিকিৎসা ভাতা মাত্র ৫০০ টাকা।
এটি বর্তমান যুগ অনুযায়ী একেবারেই বেমানান।
যদিও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী সরকারি স্কেলে বেতন পান। আমাদের প্রতিবেশী দেশের সব ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা সরকারি।
কয়েক দশক পর দেশের সব বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় কয়েকটি ধাপে জাতীয়করণ হয়। এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষায় অনেক পরিবর্তন এসেছে।
সময় হয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের। অনেকের মতে, মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণ হলে শিক্ষার মান কমে যাবে। ধারণাটি একেবারেই ঠিক নয়।
প্রাথমিক শিক্ষা ঢালাওভাবে জাতীয়করণের ফলে প্রাথমিক শিক্ষার মান কমেনি; বরং বেড়েছে।
মাধ্যমিক স্তর জাতীয়করণ হলে শিক্ষাব্যবস্থায় আর কোনো বৈষম্য থাকবে না। এর ফলে শিক্ষকদের প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য অনেকাংশে হ্রাস পাবে।
অতএব, বর্তমান মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে বৈসম্য দূর হবে।
নিজাম উদ্দিন : প্রতিনিধি (কক্সবাজার) 






















