সংবাদ শিরোনাম ::
স্ট্যান্ড রিলিজের পরও ছাড়েননি দায়িত্ব, ২০ দিনে তুলেছেন ২০ লাখ টাকা ডিএসসিসির প্রকৌশলী আনিছুরকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ গলদে ভরা প্রকল্পের কেন্দ্রে প্রকল্প পরিচালক শেখ মো. আবু জাকির সেকান্দার বালিয়াকান্দি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে উঠছে প্রশ্ন পদোন্নতি পেলেন জিয়াউর রহমানকে হত্যাকারী কর্নেল নওয়াজেশের মেয়ে নাশিদ গণপূর্তে আসবাব সরবরাহে হাতিলের অঘোষিত আধিপত্য সাকিবের মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ঢাকাসহ ১৭ জেলার জন্য দুঃসংবাদ সেনবাগের কৃতি সন্তান নাছরিন জাহান বৃষ্টি ৪৭তম বিসিএসে সহকারী কমিশনার অব ইনকাম ট্যাক্স পদে দায়িত্ব  স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি: মির্জা ফখরুল

পটুয়াখালীতে ৮২ হাজার কিশোরী পাবে এইচপিভি টিকা

হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) বা নারীদের জরায়ুর মুখে ক্যান্সার প্রতিরোধে সারাদেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচীতে পটুয়াখালীতে ৮২ হাজার কিশোরীকে এক ডোজ করে টিকা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ।

বুধবার (৯ অক্টোবর) সকালে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা সমন্বয় কমিটির প্রস্তুতি সভায় কমিটির সদস্য সচিব ও সিভিল সার্জন ডাক্তার কবির হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৫,০০০ জন নারী মারা যায়। তবে, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এক ডোজ এইচপিভি টিকাই যথেষ্ট। তাই সরকার কয়েকটি দাতা সংস্থার সহযোগিতায় আগে ঢাকা বিভাগে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এইচপিভি টিকাদান সম্পন্ন করেছে। এখন দেশের ৭টি বিভাগ চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, ও সিলেটে এক যোগে শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ২৪ অক্টোবর থেকে পরবর্তী তিন সপ্তাহ এই কর্মসূচি চলবে। এই কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্রী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এই টিকা বিনামুল্যে প্রদান করা হবে।

তিনি আরও বলেন, টিকার জন্য নিবন্ধন করতে বা এইচপিভি টিকা সম্পর্কে আরও জানতে www.vaxepi.gov.bd ভিজিট করতে হবে। নিবন্ধনের জন্য অনলাইন জন্মনিবন্ধন থাকতে হবে। ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্রী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের জন্মনিবন্ধন না থাকলে জরুরি ভিত্তিতে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। নিবন্ধনের পরে টিকা কার্ড প্রিন্ট করে নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে।

সিভিল সার্জন বলেন, হিউম্যান পাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা মেয়েদের জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এই টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষিত, নিরাপদ ও কার্যকর।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জুয়েল রানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক যাদব সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলামসহ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, সহকারী শিক্ষা অফিসার, সহকারী সমাজসেবা অফিসার, জেলা মহিলা বিষয়ক কমকর্তা, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক, প্রাণী সম্পদ বিভাগের প্রতিনিধি, জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা, ইউনিসেফ, জেলা পরিষদ ও পৌরসভার প্রতিনিধিরা এবং যুব সংগঠনের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার ভূপেন চন্দ্র মন্ডল, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস সংক্রমণ ও প্রতিরোধে বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেন।

কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা ব্যাপী বহুমুখী প্রচারণা কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সমন্বয় কমিটি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ট্যান্ড রিলিজের পরও ছাড়েননি দায়িত্ব, ২০ দিনে তুলেছেন ২০ লাখ টাকা

পটুয়াখালীতে ৮২ হাজার কিশোরী পাবে এইচপিভি টিকা

আপডেট সময় ১২:০৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৪

হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) বা নারীদের জরায়ুর মুখে ক্যান্সার প্রতিরোধে সারাদেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচীতে পটুয়াখালীতে ৮২ হাজার কিশোরীকে এক ডোজ করে টিকা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ।

বুধবার (৯ অক্টোবর) সকালে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা সমন্বয় কমিটির প্রস্তুতি সভায় কমিটির সদস্য সচিব ও সিভিল সার্জন ডাক্তার কবির হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৫,০০০ জন নারী মারা যায়। তবে, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এক ডোজ এইচপিভি টিকাই যথেষ্ট। তাই সরকার কয়েকটি দাতা সংস্থার সহযোগিতায় আগে ঢাকা বিভাগে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এইচপিভি টিকাদান সম্পন্ন করেছে। এখন দেশের ৭টি বিভাগ চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, ও সিলেটে এক যোগে শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ২৪ অক্টোবর থেকে পরবর্তী তিন সপ্তাহ এই কর্মসূচি চলবে। এই কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্রী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এই টিকা বিনামুল্যে প্রদান করা হবে।

তিনি আরও বলেন, টিকার জন্য নিবন্ধন করতে বা এইচপিভি টিকা সম্পর্কে আরও জানতে www.vaxepi.gov.bd ভিজিট করতে হবে। নিবন্ধনের জন্য অনলাইন জন্মনিবন্ধন থাকতে হবে। ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্রী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের জন্মনিবন্ধন না থাকলে জরুরি ভিত্তিতে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। নিবন্ধনের পরে টিকা কার্ড প্রিন্ট করে নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে।

সিভিল সার্জন বলেন, হিউম্যান পাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা মেয়েদের জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এই টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষিত, নিরাপদ ও কার্যকর।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জুয়েল রানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক যাদব সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলামসহ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, সহকারী শিক্ষা অফিসার, সহকারী সমাজসেবা অফিসার, জেলা মহিলা বিষয়ক কমকর্তা, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক, প্রাণী সম্পদ বিভাগের প্রতিনিধি, জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা, ইউনিসেফ, জেলা পরিষদ ও পৌরসভার প্রতিনিধিরা এবং যুব সংগঠনের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার ভূপেন চন্দ্র মন্ডল, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস সংক্রমণ ও প্রতিরোধে বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেন।

কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা ব্যাপী বহুমুখী প্রচারণা কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সমন্বয় কমিটি।