ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

মালয়েশিয়ায় রাষ্ট্রপতির ‘সেকেন্ড হোম’, যা বলছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা চলছে। আলোচিত বিষয়টি সংবেদনশীল জানিয়ে এ নিয়ে কোনো কথা বলতে চান না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

প্রশ্ন ছিল, রাষ্ট্রপতির মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম নিয়ে যে আলোচনা চলছে, এটা সাংবিধানিকভাবে সম্ভব কিনা? সঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবগত কিনা এবং ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাই করবে কিনা?

জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, এরসঙ্গে রিলেটেড (যুক্ত) কোনো কাজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের না। স্পেকুলেশনের (অনুমান) ভিত্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু করতে পারবে না।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটা রাষ্ট্রপতির বিষয়। খুবই সেনসেটিভ (সংবেদনশীল)। যথাযথ কর্তৃপক্ষ এটা দেখুক। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি যুক্ত হয়ও, শেষ পর্যায়ে গিয়ে হবে। তখনই সেটা দেখা যাবে। এটা নিয়ে আমি আসলে কোনো কথা বলতে চাই না। এটার মধ্যে আইনগত দিক আছে, রাষ্ট্রপতির নিজের ব্যাপার আছে। এটা নিয়ে নাড়াচাড়া করা আমার কাজ না।

রাষ্ট্রপতি মালয়েশিয়ার নাগরিক কিনা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে জানতে চাইবে কিনা-এমন প্রশ্নে তৌহিদ হোসেন বলেন, আমি অনুমানের ভিত্তিতে আমাদের মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছে জানতে চাইবো না।

সেকেন্ড হোম হওয়ার পর কি রাষ্ট্রপতি হওয়া যায়? উত্তরে তিনি এমন প্রশ্নে আইন উপদেষ্টাকে করার পরামর্শ দেন।

প্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের এক ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিদেশে সম্পদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা চলছে। গত রোববার জুলকারনাইন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করে এ বিতর্কের সূচনা করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

মালয়েশিয়ায় রাষ্ট্রপতির ‘সেকেন্ড হোম’, যা বলছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৮:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা চলছে। আলোচিত বিষয়টি সংবেদনশীল জানিয়ে এ নিয়ে কোনো কথা বলতে চান না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

প্রশ্ন ছিল, রাষ্ট্রপতির মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম নিয়ে যে আলোচনা চলছে, এটা সাংবিধানিকভাবে সম্ভব কিনা? সঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবগত কিনা এবং ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাই করবে কিনা?

জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, এরসঙ্গে রিলেটেড (যুক্ত) কোনো কাজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের না। স্পেকুলেশনের (অনুমান) ভিত্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু করতে পারবে না।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটা রাষ্ট্রপতির বিষয়। খুবই সেনসেটিভ (সংবেদনশীল)। যথাযথ কর্তৃপক্ষ এটা দেখুক। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি যুক্ত হয়ও, শেষ পর্যায়ে গিয়ে হবে। তখনই সেটা দেখা যাবে। এটা নিয়ে আমি আসলে কোনো কথা বলতে চাই না। এটার মধ্যে আইনগত দিক আছে, রাষ্ট্রপতির নিজের ব্যাপার আছে। এটা নিয়ে নাড়াচাড়া করা আমার কাজ না।

রাষ্ট্রপতি মালয়েশিয়ার নাগরিক কিনা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে জানতে চাইবে কিনা-এমন প্রশ্নে তৌহিদ হোসেন বলেন, আমি অনুমানের ভিত্তিতে আমাদের মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছে জানতে চাইবো না।

সেকেন্ড হোম হওয়ার পর কি রাষ্ট্রপতি হওয়া যায়? উত্তরে তিনি এমন প্রশ্নে আইন উপদেষ্টাকে করার পরামর্শ দেন।

প্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের এক ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিদেশে সম্পদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা চলছে। গত রোববার জুলকারনাইন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করে এ বিতর্কের সূচনা করেন।