ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বেয়ারস্টো-সল্ট তাণ্ডবে দাপুটে জয় ইংল্যান্ডের

ম্যাচ জিতেতে শেষ ৭ ওভারে ৭০ রান করতে হবে ইংল্যান্ডকে। সহজ হওয়ার কথা না। তবে সেই কাজটা বেশ সহজেই করে ফেলেছে ইংল্যান্ড। ব্যাট হাতে জনি বেয়ারস্টো ও ফিল সল্ট রীতিমতো কচুকাটা করেছেন ক্যারিবীয় বোলারদের। দু’জনের ১৫ ও ১৬ তম ওভারের তাণ্ডবে ম্যাচটা অতি সহজ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের। এর মধ্যে ১৫ তম ওভারে ১৬ রান নেওয়ার পর ১৬ তম ওভারে ৩টি ছক্কা ও ৩টি চারে ৩০ রান তুলেছেন সল্ট। এরপর ইংল্যান্ড ম্যাচ জিতেছে ১৫ বল ও ৮ উইকেট হাতে রেখে।

লক্ষ্যটা ১৮১ রানের। লো স্কোরিং এবারের বিশ্বকাপে যা কঠিনই ছিল ইংল্যান্ডের। তবে ইংল্যান্ডকে পথ হারাতে দেননি ওপেনার ফিল সল্ট। অধিনায়ক জস বাটলার ২২ বলে ২৫ রান করে সাজঘরে ফিরলেও দায়িত্ব নিয়ে ম্যাচ শেষ করে এসেছেন সল্ট। মাঝে ১০ বলে ১৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন মঈন আলী। তবে এরপর আর কোনো আঘাত আসতে দেননি জনি বেয়ারস্টো। সল্টের সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন তিনি।

শেষ দিকে এই দুটি ব্যাটারের তাণ্ডবে সহজ জয়ে সুপার এইটের মিশন শুরু করেছে ইংল্যান্ড। দলের হয়ে ৪৭ বলে ৫ ছক্কা ও ৭ চারে অপরাজিত ৮৭ রানের ইনিংস খেলেন সল্ট। ২৬ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন বেয়ারস্টো।

এর আগে এদিন টসে হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দারুণ শুরু এনে দেন দুই ওপেনার ব্রান্ডন কিং ও জনসন চার্লস। কিং অবশ্য আগ্রাসী ক্রিকেট খেললেও কিছুটা খোলসে বন্ধী ছিলেন চার্লস। ১৩ বলে ২৩ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান কিং। এরপর দায়িত্বটা নিকোলাস পুরান নিলেও সেই গতিতে রান তুলতে পারেননি কেউই। চার্লস দলীয় ৯৪ রানে ব্যক্তিগত ৩৪ বলে ৩৮ রান করে সাজঘরে ফিরেন।

এরপর অধিনায়ক রোভম্যান পাওয়েল এসে ব্যাট হাতে চড়াও হন ইংলিশ বোলারদের ওপর। অন্যপ্রান্তে গত ম্যাচে সেঞ্চুরি মিস করা নিকোলাস পুরান এদিন যেন ধীরস্থির ক্রিকেটের দিকেই মনোযোগ দিয়েছিলেন। পাওয়েল ১৭ বলে ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দেওয়ার পর ৩২ বলে ৩৬ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন পুরান। এক ওভারের ব্যবধানে দুই স্বীকৃত ব্যাটারকে হারিয়ে বেশ বড়সড় ধাক্কায় খেতে হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।

শেষদিকে সংগ্রহটাকে একটা শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পড়ে আন্দ্রে রাসেল ও শেরফেন রাদারফোর্ডের কাঁধে। রাসেল ২ বলে ১ রান করে হতাশ করে ফিরলেও দায়িত্ব নিয়েছেন রাদারফোর্ড। শেষ দিকে তার ১৫ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস পেয়েছে ১৮০ রানের শক্ত ভিত। ইংলিশ বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে কিপটে ছিলেন আদিল রশিদ। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ২১ রান খরচায় ১ উইকেট তুলেছেন তিনি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বেয়ারস্টো-সল্ট তাণ্ডবে দাপুটে জয় ইংল্যান্ডের

আপডেট সময় ১০:৩২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

ম্যাচ জিতেতে শেষ ৭ ওভারে ৭০ রান করতে হবে ইংল্যান্ডকে। সহজ হওয়ার কথা না। তবে সেই কাজটা বেশ সহজেই করে ফেলেছে ইংল্যান্ড। ব্যাট হাতে জনি বেয়ারস্টো ও ফিল সল্ট রীতিমতো কচুকাটা করেছেন ক্যারিবীয় বোলারদের। দু’জনের ১৫ ও ১৬ তম ওভারের তাণ্ডবে ম্যাচটা অতি সহজ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের। এর মধ্যে ১৫ তম ওভারে ১৬ রান নেওয়ার পর ১৬ তম ওভারে ৩টি ছক্কা ও ৩টি চারে ৩০ রান তুলেছেন সল্ট। এরপর ইংল্যান্ড ম্যাচ জিতেছে ১৫ বল ও ৮ উইকেট হাতে রেখে।

লক্ষ্যটা ১৮১ রানের। লো স্কোরিং এবারের বিশ্বকাপে যা কঠিনই ছিল ইংল্যান্ডের। তবে ইংল্যান্ডকে পথ হারাতে দেননি ওপেনার ফিল সল্ট। অধিনায়ক জস বাটলার ২২ বলে ২৫ রান করে সাজঘরে ফিরলেও দায়িত্ব নিয়ে ম্যাচ শেষ করে এসেছেন সল্ট। মাঝে ১০ বলে ১৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন মঈন আলী। তবে এরপর আর কোনো আঘাত আসতে দেননি জনি বেয়ারস্টো। সল্টের সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন তিনি।

শেষ দিকে এই দুটি ব্যাটারের তাণ্ডবে সহজ জয়ে সুপার এইটের মিশন শুরু করেছে ইংল্যান্ড। দলের হয়ে ৪৭ বলে ৫ ছক্কা ও ৭ চারে অপরাজিত ৮৭ রানের ইনিংস খেলেন সল্ট। ২৬ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন বেয়ারস্টো।

এর আগে এদিন টসে হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দারুণ শুরু এনে দেন দুই ওপেনার ব্রান্ডন কিং ও জনসন চার্লস। কিং অবশ্য আগ্রাসী ক্রিকেট খেললেও কিছুটা খোলসে বন্ধী ছিলেন চার্লস। ১৩ বলে ২৩ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান কিং। এরপর দায়িত্বটা নিকোলাস পুরান নিলেও সেই গতিতে রান তুলতে পারেননি কেউই। চার্লস দলীয় ৯৪ রানে ব্যক্তিগত ৩৪ বলে ৩৮ রান করে সাজঘরে ফিরেন।

এরপর অধিনায়ক রোভম্যান পাওয়েল এসে ব্যাট হাতে চড়াও হন ইংলিশ বোলারদের ওপর। অন্যপ্রান্তে গত ম্যাচে সেঞ্চুরি মিস করা নিকোলাস পুরান এদিন যেন ধীরস্থির ক্রিকেটের দিকেই মনোযোগ দিয়েছিলেন। পাওয়েল ১৭ বলে ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দেওয়ার পর ৩২ বলে ৩৬ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন পুরান। এক ওভারের ব্যবধানে দুই স্বীকৃত ব্যাটারকে হারিয়ে বেশ বড়সড় ধাক্কায় খেতে হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।

শেষদিকে সংগ্রহটাকে একটা শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পড়ে আন্দ্রে রাসেল ও শেরফেন রাদারফোর্ডের কাঁধে। রাসেল ২ বলে ১ রান করে হতাশ করে ফিরলেও দায়িত্ব নিয়েছেন রাদারফোর্ড। শেষ দিকে তার ১৫ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস পেয়েছে ১৮০ রানের শক্ত ভিত। ইংলিশ বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে কিপটে ছিলেন আদিল রশিদ। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ২১ রান খরচায় ১ উইকেট তুলেছেন তিনি।