ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ৪৭ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বসছে ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ লালমনিরহাটে আবাসিক হোটেলের আড়ালে ব্ল্যাকমেইল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসকসহ ৩ কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ​ব্রাহ্মণপাড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা বিএনপি বিভিন্ন সংকট কাটিয়ে দেশকে স্থিতিশীল অবস্থায় এনেছে: চিফ হুইপ ভারতে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জয়চন্দ্র সরকার, ত্রিভুজ প্রেমের বলি? চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩১০টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ, গ্রেপ্তার ১ খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

সংঘর্ষের জেরে বিএনপির সমাবেশ বন্ধ

ঢাকা: রাজধানীর বিজয়নগর-কাকরাইল-রমনা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের জেরে দলটির মহাসমাবেশ আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে। ওই এলাকার পরিস্থিতি এখন থমথমে।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সংঘর্ষের সময় বিএনপির নেতা-কর্মীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে পুলিশের ওপর। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে বিভিন্ন অলিগলি ও রাস্তায় ক্রমাগত রাবার বুলেট, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে দেখা যায় পুলিশকে। তখন বিজয়নগর থেকে কাকরাইল এলাকা প্রায় ফাঁকা হয়ে যায়। এসময় বিএনপির সমাবেশস্থলের মাইকের সাউন্ডও বন্ধ হয়ে যায়। তবে অনেক নেতা-কর্মীকেই মঞ্চে থাকতে দেখা যায়।

অন্যদিকে, সংঘর্ষের কিছু সময় পর কাকরাইল মসজিদ ও রমনার হেয়ার রোড এলাকায় স্বল্প পরিসরে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সমাবেশস্থল থেকে ফিরতে দেখা গেছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ৪৭

সংঘর্ষের জেরে বিএনপির সমাবেশ বন্ধ

আপডেট সময় ০৩:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৩

ঢাকা: রাজধানীর বিজয়নগর-কাকরাইল-রমনা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের জেরে দলটির মহাসমাবেশ আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে। ওই এলাকার পরিস্থিতি এখন থমথমে।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সংঘর্ষের সময় বিএনপির নেতা-কর্মীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে পুলিশের ওপর। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে বিভিন্ন অলিগলি ও রাস্তায় ক্রমাগত রাবার বুলেট, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে দেখা যায় পুলিশকে। তখন বিজয়নগর থেকে কাকরাইল এলাকা প্রায় ফাঁকা হয়ে যায়। এসময় বিএনপির সমাবেশস্থলের মাইকের সাউন্ডও বন্ধ হয়ে যায়। তবে অনেক নেতা-কর্মীকেই মঞ্চে থাকতে দেখা যায়।

অন্যদিকে, সংঘর্ষের কিছু সময় পর কাকরাইল মসজিদ ও রমনার হেয়ার রোড এলাকায় স্বল্প পরিসরে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সমাবেশস্থল থেকে ফিরতে দেখা গেছে।