ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাবেক এমপি শাওনসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও মার্ক সুজম্যানের বৈঠক সংশোধিত ইউপি নির্বাচন বিধিমালা চূড়ান্ত, হুমকি-ভয় দেখালে শাস্তি পণ্য খালাসে সময় ও খরচ কমাতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর ফরিদপুরে জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন, যাতায়াতে সময় বাঁচবে ৪০ মিনিট ডলার ছাড়াই টাকায় আমদানি-রপ্তানির অর্থ পরিশোধের সুযোগ মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ইউকের নতুন কমিটির অভিষেক সম্পন্ন

কুলাউড়ায় হাসপাতালের জেনারেটর নষ্ট, লোডশেডিংয়ে রোগীদের ভরসা হাতপাখা

কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, রোগী ও তাদের স্বজনরা লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। হাসপাতালের নিজস্ব বিদ্যুৎ (জেনারেটর অকেজো) ব্যবস্থা না থাকায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতেও কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিটের সিলিংয়ে ঝুলছে ফ্যান। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় সবই বন্ধ। হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও এটি অনেক আগে থেকে নষ্ট। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তীব্র গরমে ছটফট করছেন রোগীরা। রোগীর স্বজনেরা হাতপাখা দিয়ে বাতাস করলেও গরম কাটছে না। আবার হাতপাখায় বাতাস করতে করতে স্বজনেরাও ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন।

হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানান, একদিকে গরম, অন্যদিকে লোডশেডিংয়ের পরও ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট। এতে অনেক সময় রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে কষ্ট পোহাতে হয়। হাসপাতালে চিকিৎসারত এক রোগীদের স্বজন জানান, লোডশেডিংয়ের পরও বারবার বিদ্যুৎ যাচ্ছে। এতে শিশু, বৃদ্ধ-বৃদ্ধাসহ নানা বয়সের রোগীদের কষ্ট হচ্ছে। সুস্থ হওয়ার চেয়ে গরমে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তাদের রোগীরা। সেইসাথে তারাও ভোগান্তিতে পড়ছেন।

উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা এক রোগী জানান, এমনিতেই অসুস্থ। এরমধ্যে যখন লোডশেডিং হয় তখন যেন আরও অসুস্থ হয়ে পড়ি। স্বজনরা হাতপাখায় বাতাস করতে করতে তারাও অনেক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়েন। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. জাকির হোসেন জানান, হাসপাতালের নিজস্ব জেনারেটর রয়েছে। তবে এটি নষ্ট। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি হাসপাতালের জন্য নতুন একটি জেনারেটর বরাদ্দ পাবো।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-এর কুলাউড়া কার্যালয়ের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আলাউদ্দিন দৈনিক আমাদের মাতৃভূমিকে জানান, কুলাউড়ায় এখন দৈনিক বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ১৬ মেগাওয়াট। কিন্তু জাতীয় গ্রিড থেকে পাওয়া যাচ্ছে ৮ থেকে ১০ মেগাওয়াট। তাই ঘাটতি পূরণের জন্য লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অনেক সময় লাইন ফল্টের কারণে বিদ্যুৎ বন্ধ রেখে কাজ করতে হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক এমপি শাওনসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

কুলাউড়ায় হাসপাতালের জেনারেটর নষ্ট, লোডশেডিংয়ে রোগীদের ভরসা হাতপাখা

আপডেট সময় ০৭:৫৬:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ অগাস্ট ২০২২

কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, রোগী ও তাদের স্বজনরা লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। হাসপাতালের নিজস্ব বিদ্যুৎ (জেনারেটর অকেজো) ব্যবস্থা না থাকায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতেও কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিটের সিলিংয়ে ঝুলছে ফ্যান। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় সবই বন্ধ। হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও এটি অনেক আগে থেকে নষ্ট। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তীব্র গরমে ছটফট করছেন রোগীরা। রোগীর স্বজনেরা হাতপাখা দিয়ে বাতাস করলেও গরম কাটছে না। আবার হাতপাখায় বাতাস করতে করতে স্বজনেরাও ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন।

হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানান, একদিকে গরম, অন্যদিকে লোডশেডিংয়ের পরও ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট। এতে অনেক সময় রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে কষ্ট পোহাতে হয়। হাসপাতালে চিকিৎসারত এক রোগীদের স্বজন জানান, লোডশেডিংয়ের পরও বারবার বিদ্যুৎ যাচ্ছে। এতে শিশু, বৃদ্ধ-বৃদ্ধাসহ নানা বয়সের রোগীদের কষ্ট হচ্ছে। সুস্থ হওয়ার চেয়ে গরমে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তাদের রোগীরা। সেইসাথে তারাও ভোগান্তিতে পড়ছেন।

উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা এক রোগী জানান, এমনিতেই অসুস্থ। এরমধ্যে যখন লোডশেডিং হয় তখন যেন আরও অসুস্থ হয়ে পড়ি। স্বজনরা হাতপাখায় বাতাস করতে করতে তারাও অনেক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়েন। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. জাকির হোসেন জানান, হাসপাতালের নিজস্ব জেনারেটর রয়েছে। তবে এটি নষ্ট। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি হাসপাতালের জন্য নতুন একটি জেনারেটর বরাদ্দ পাবো।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-এর কুলাউড়া কার্যালয়ের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আলাউদ্দিন দৈনিক আমাদের মাতৃভূমিকে জানান, কুলাউড়ায় এখন দৈনিক বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ১৬ মেগাওয়াট। কিন্তু জাতীয় গ্রিড থেকে পাওয়া যাচ্ছে ৮ থেকে ১০ মেগাওয়াট। তাই ঘাটতি পূরণের জন্য লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অনেক সময় লাইন ফল্টের কারণে বিদ্যুৎ বন্ধ রেখে কাজ করতে হয়।