ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাতকড়াসহ আদালত চত্বর থেকে পালালেন মাদক মামলার আসামি যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ দুর্যোগ, ঘর হারাল ৬৭ হাজার মানুষ চাঁপাইনবাবগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ৩০০ শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ নরসিংদীতে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ৪৯ বগুড়ার সাব-রেজিস্ট্রার অনিমেষ পালের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আর কত দিন লাগবে, জানালেন জ্বালানি মন্ত্রী গ্যাসের দাম এক টাকাও বাড়ালে সরকার টিকতে পারবে না : নাহিদ ইসলাম শিবির করায় ববির এক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীকে ছাত্রদলের মারধর, অতঃপর চাকরিচ্যুত জুলাই দিবস পালন শেষে জাজিরা উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ১২ হাজার টাকার ঋণ, ১৩ লাখ টাকার মামলা; বালিয়াডাঙ্গীতে গ্রেপ্তার সুদ ব্যবসায়ী

নওগাঁয় এআই কানেক্টেড ক্যামেরার সুফল: যশোরে স্পেশাল ড্রাইভে স্বর্ণ ছিনতাইকারী গ্রেফতার

নওগাঁ জেলা পুলিশের সদ্য স্থাপিত এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) কানেক্টেড সিসি ক্যামেরা ব্যবস্থার কার্যকর ব্যবহারে স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যশোরে বিশেষ অভিযানে স্বর্ণ ছিনতাইকারী চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে এবং ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি কালো রঙের মাইক্রোবাসও জব্দ করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ শহরের তাজের মোড়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুভাষ পালের গতিরোধ করে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তার কাছ থেকে স্বর্ণ ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ সুপার সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে শহরের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে যানবাহনে তল্লাশি জোরদার করা হয়। এ ঘটনায় নওগাঁ সদর থানায় মামলা দায়েরের পর জেলা ডিবির ইনচার্জ জনাব হাসিবের নেতৃত্বে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত শুরু হয়।
 তদন্তে জেলা পুলিশের এআই কানেক্টেড সিসি ক্যামেরার ফুটেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ডাটা বিশ্লেষণ, বিভিন্ন জেলার তথ্য এবং টোল প্লাজার তথ্য যাচাই করে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত গাড়িটি শনাক্ত করা সম্ভব হয়। পরবর্তীতে যশোর জেলা পুলিশের সহযোগিতায় পরিচালিত টানা অভিযানে যশোর কোতোয়ালি এলাকার গাড়িচালক মো. জামাল হোসেন ফুলনকে গ্রেফতার করা হয়।
একই অভিযানে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত কালো রঙের মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত জামাল হোসেন জানান, চার সদস্যের একটি চক্র এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তারা ঢাকা থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুভাষ পালকে অনুসরণ করে নওগাঁ পর্যন্ত আসে। সুভাষ পাল ঢাকা কল্যাণপুর থেকে শ্যামলী পরিবহনে নওগাঁর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পর থেকেই চক্রটি কালো মাইক্রোবাসে বাসটিকে অনুসরণ করতে থাকে। বগুড়া হয়ে নওগাঁ পৌঁছানোর পর ভুক্তভোগী ঢাকা বাসস্ট্যান্ডে বাস থেকে নামলে তাজের মোড়ে তার হাতে থাকা ব্যাগ থেকে আনুমানিক ১৪ ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নেয়।
পুলিশের ব্যাপক তল্লাশি শুরু হলে ছিনতাইকারীরা বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রেফতারকৃত জামাল হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেফতার এবং ছিনতাইকৃত স্বর্ণ উদ্ধারে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাতকড়াসহ আদালত চত্বর থেকে পালালেন মাদক মামলার আসামি

নওগাঁয় এআই কানেক্টেড ক্যামেরার সুফল: যশোরে স্পেশাল ড্রাইভে স্বর্ণ ছিনতাইকারী গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৪:০২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
নওগাঁ জেলা পুলিশের সদ্য স্থাপিত এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) কানেক্টেড সিসি ক্যামেরা ব্যবস্থার কার্যকর ব্যবহারে স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যশোরে বিশেষ অভিযানে স্বর্ণ ছিনতাইকারী চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে এবং ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি কালো রঙের মাইক্রোবাসও জব্দ করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ শহরের তাজের মোড়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুভাষ পালের গতিরোধ করে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তার কাছ থেকে স্বর্ণ ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ সুপার সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে শহরের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে যানবাহনে তল্লাশি জোরদার করা হয়। এ ঘটনায় নওগাঁ সদর থানায় মামলা দায়েরের পর জেলা ডিবির ইনচার্জ জনাব হাসিবের নেতৃত্বে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত শুরু হয়।
 তদন্তে জেলা পুলিশের এআই কানেক্টেড সিসি ক্যামেরার ফুটেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ডাটা বিশ্লেষণ, বিভিন্ন জেলার তথ্য এবং টোল প্লাজার তথ্য যাচাই করে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত গাড়িটি শনাক্ত করা সম্ভব হয়। পরবর্তীতে যশোর জেলা পুলিশের সহযোগিতায় পরিচালিত টানা অভিযানে যশোর কোতোয়ালি এলাকার গাড়িচালক মো. জামাল হোসেন ফুলনকে গ্রেফতার করা হয়।
একই অভিযানে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত কালো রঙের মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত জামাল হোসেন জানান, চার সদস্যের একটি চক্র এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তারা ঢাকা থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুভাষ পালকে অনুসরণ করে নওগাঁ পর্যন্ত আসে। সুভাষ পাল ঢাকা কল্যাণপুর থেকে শ্যামলী পরিবহনে নওগাঁর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পর থেকেই চক্রটি কালো মাইক্রোবাসে বাসটিকে অনুসরণ করতে থাকে। বগুড়া হয়ে নওগাঁ পৌঁছানোর পর ভুক্তভোগী ঢাকা বাসস্ট্যান্ডে বাস থেকে নামলে তাজের মোড়ে তার হাতে থাকা ব্যাগ থেকে আনুমানিক ১৪ ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নেয়।
পুলিশের ব্যাপক তল্লাশি শুরু হলে ছিনতাইকারীরা বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রেফতারকৃত জামাল হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেফতার এবং ছিনতাইকৃত স্বর্ণ উদ্ধারে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।