ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইরানে হামলার পরিকল্পনা বাতিল করলেন ট্রাম্প আত্রাইয়ে জরাজীর্ণ ঘরে ধসের শঙ্কা: মানবিক সহায়তার অপেক্ষায় নিঃশ্ব অসুস্থ আনোয়ার গভীর রাতে শীর্ষ মাদক কারবারিদের বৈঠক  আদিতমারীতে তৃণমূল বিএনপিকে শক্তিসালী ও সু-সংগঠিত করার লক্ষ্যে যৌথ আলোচনা সভা চার দশকের গৌরবময় পথচলা উদযাপন করল মুকসুদপুর প্রেসক্লাব  সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরেই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ সারাদেশে হঠাৎ সর্বোচ্চ সতর্কতা জা‌রি করলো পুলিশ সদর দপ্তর ৭ কেজি সোনা নিয়ে ভারতে ঢুকতে গিয়ে ধরা পড়লেন যুবক অপরিকল্পিত কেনাকাটায় অচল কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রবাসীর স্ত্রীর গোসলের ভিডিও করে ধরা খেলেন শফিকুল

আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে দুদকের অভিযান অফিসার পলাতক

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)এর অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আগে থেকে খবর পেয়ে পালিয়ে যান উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসার মোমিন আহমেদ। প্রাথমিক তদন্তে অর্থ লেনদেনের সত্যতা মিলেছে বুঝতে পেরে তিনি পালিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুদক।
তদন্তকারী কর্মকর্তা খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদ সাংবাদিকদের জানান,অবৈধ অর্থ লেনদেনের খবর পেয়ে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল থেকে আমরা বিভিন্ন ছদ্মবেশে অফিসের আশেপাশে অবস্থান করেছি। কিন্তু অভিযানের কথা জানতে পেরে অফিসার অফিস থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। এরপর নিজের ফোন বন্ধ রাখেন। অন্য নাম্বার দিয়ে অফিসের স্টাফদের সাথে যোগাযোগ করলেও দুদকের কোন কর্মকর্তার সাথে তিনি কথা বলেননি।
দুদক কর্মকর্তা আরও জানান,সরকারিকৃত কলেজের ২০০০ সালের বিধি মোতাবেক আশাশুনি সরকারি কলেজের আত্নীকৃত শিক্ষা ক্যাডারে উন্নীত করতে শিক্ষকদের কাছে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিন আহমেদ ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। লেনদেন নিয়ে দরকষাকষির এক পর্যায়ে এই অফিসার তার সহকারী শাহারাত হোসেনকে সাথে নিয়ে কলেজে উপস্থিত হয়ে অধ্যক্ষের অফিসে বসে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করেন। একজন কর্মকর্তা কোন অফিসে গিয়ে ঘুষের টাকা চাওয়ার ঘটনা আমাদের কাছে নতুন। দাবিকৃত ঘুষের টাকার ১ম কিস্তি ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা এর আগে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ (২ডিসেম্বর) বাকি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে হাতেনাতে ধরা সম্ভব হয়নি। তবে সহকারী অফিসার শাহারাত হোসেন ও শিক্ষকদের সাথে কথা বলে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিন আহমেদ যে টাকা নিয়েছেন তা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
এ বিষয়টি আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো। পরবর্তী পদক্ষেপ স্যারেরা নিবেন।
অভিযোগের বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিন আহম্মেদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি তবে অফিস সহকারী শাহারাত হোসেনর সাথে কথা হলে বলেন,আমার জীবনে যা না তাই করা হয়েছে। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে হামলার পরিকল্পনা বাতিল করলেন ট্রাম্প

আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে দুদকের অভিযান অফিসার পলাতক

আপডেট সময় ০২:৪৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)এর অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আগে থেকে খবর পেয়ে পালিয়ে যান উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসার মোমিন আহমেদ। প্রাথমিক তদন্তে অর্থ লেনদেনের সত্যতা মিলেছে বুঝতে পেরে তিনি পালিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুদক।
তদন্তকারী কর্মকর্তা খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদ সাংবাদিকদের জানান,অবৈধ অর্থ লেনদেনের খবর পেয়ে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল থেকে আমরা বিভিন্ন ছদ্মবেশে অফিসের আশেপাশে অবস্থান করেছি। কিন্তু অভিযানের কথা জানতে পেরে অফিসার অফিস থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। এরপর নিজের ফোন বন্ধ রাখেন। অন্য নাম্বার দিয়ে অফিসের স্টাফদের সাথে যোগাযোগ করলেও দুদকের কোন কর্মকর্তার সাথে তিনি কথা বলেননি।
দুদক কর্মকর্তা আরও জানান,সরকারিকৃত কলেজের ২০০০ সালের বিধি মোতাবেক আশাশুনি সরকারি কলেজের আত্নীকৃত শিক্ষা ক্যাডারে উন্নীত করতে শিক্ষকদের কাছে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিন আহমেদ ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। লেনদেন নিয়ে দরকষাকষির এক পর্যায়ে এই অফিসার তার সহকারী শাহারাত হোসেনকে সাথে নিয়ে কলেজে উপস্থিত হয়ে অধ্যক্ষের অফিসে বসে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করেন। একজন কর্মকর্তা কোন অফিসে গিয়ে ঘুষের টাকা চাওয়ার ঘটনা আমাদের কাছে নতুন। দাবিকৃত ঘুষের টাকার ১ম কিস্তি ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা এর আগে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ (২ডিসেম্বর) বাকি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে হাতেনাতে ধরা সম্ভব হয়নি। তবে সহকারী অফিসার শাহারাত হোসেন ও শিক্ষকদের সাথে কথা বলে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিন আহমেদ যে টাকা নিয়েছেন তা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
এ বিষয়টি আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো। পরবর্তী পদক্ষেপ স্যারেরা নিবেন।
অভিযোগের বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোমিন আহম্মেদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি তবে অফিস সহকারী শাহারাত হোসেনর সাথে কথা হলে বলেন,আমার জীবনে যা না তাই করা হয়েছে। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ।