সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

বিনিয়োগকারীদের পুঁজি নেই সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা

তিনদিন সূচকের পতন আর দুদিন দিন বৃদ্ধির মধ্যদিয়ে নভেম্বর মাসের আরও একটি সপ্তাহ পার করেছে দেশের পুঁজিবাজার। বিদায়ী সপ্তাহে সূচক, লেনদেন এবং অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। তাতে বিনিয়োগকারীদের বাজার মূলধন অর্থাৎ পুঁজি কমেছে ৩ হাজার ৪৫৪ কোটি ৩২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯০ টাকা।

সাপ্তাহিক বাজার বিশ্লেষণে এ চিত্র দেখা গেছে।

বাজারের চিত্রে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার লেনদেনের শুরুতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূলধন ছিল ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৭৯ কোটি টাকা। আর শেষ দিন বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে মূলধন ছিল ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬২৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ টাকার অংকে পুঁজি কমেছে ৩ হাজার ৪৫৪ কোটি টাকা। শতাংশের হিসাবে মূলধন কমেছে দশমিক ৪৫ শতাংশ। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই অবস্থায় লেনদেন হয়েছে।

বিদায়ী (২০-২৪ নভেম্বর) সপ্তাহে পুঁজিবাজারে মোট পাঁচ কর্মদিবস লেনদেন হয়েছে। এ পাঁচ দিনের মধ্যে সপ্তাহের প্রথম দুদিন কর্মদিবস দরপতনের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে। এরপর দিন মঙ্গলবার সূচক বৃদ্ধি হয়েছে। তারপর দিন সূচক পতন এবং সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছে সূচক বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে।

আলোচিত এ সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৭৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ৮০টির, আর অপরিবর্তিত ছিল ২৭৫টির।

লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমায় বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ৫০ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ২১৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইর অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস সূচক ১০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩৫৪ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ১০ পয়েন্ট কমে দুই হাজার ১৮৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬৭ কোটি ৯৫ লাখ ৮২ হাজার ৪৮২ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ২০ কোটি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬ টাকা। টাকার অংকে লেনদেন কমেছে ৯ হাজার ৫২ কোটি ৬ লাখ ১ হাজার ৫২৪ টাকার। যা শতাংশের হিসাবে কমেছে ৩১ দশমিক ৫২ শতাংশ।

বিদায়ী সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে জেনেক্স ইনফোসেস, ওরিয়ন ফার্মা, বসুন্ধরা পেপার মিলস, নাভানা ফার্মা, পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন হাউজিং, রয়েল টিউলিপ সি পার্ল, ইন্ট্রাকো, সামিট এলায়েন্স পোর্ট এবং স্কয়ার ফার্মাসিটিউক্যালস লিমিটেডের শেয়ার।

একই অবস্থায় লেনদেন হয়েছে দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। বিদায়ী সপ্তাহে সিএসইর সার্বিক সূচক ১৫৩ পয়েন্ট কমে ১৮ হাজার ৩৩৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এসময়ে লেনদেন হয়েছে ৫৩ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার ১৪২ টাকা। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৫৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

লেনদেন হওয়া ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের, কমেছে ৬৬টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬১টির দাম।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

বিনিয়োগকারীদের পুঁজি নেই সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় ০১:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২

তিনদিন সূচকের পতন আর দুদিন দিন বৃদ্ধির মধ্যদিয়ে নভেম্বর মাসের আরও একটি সপ্তাহ পার করেছে দেশের পুঁজিবাজার। বিদায়ী সপ্তাহে সূচক, লেনদেন এবং অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। তাতে বিনিয়োগকারীদের বাজার মূলধন অর্থাৎ পুঁজি কমেছে ৩ হাজার ৪৫৪ কোটি ৩২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯০ টাকা।

সাপ্তাহিক বাজার বিশ্লেষণে এ চিত্র দেখা গেছে।

বাজারের চিত্রে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার লেনদেনের শুরুতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূলধন ছিল ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৭৯ কোটি টাকা। আর শেষ দিন বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে মূলধন ছিল ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬২৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ টাকার অংকে পুঁজি কমেছে ৩ হাজার ৪৫৪ কোটি টাকা। শতাংশের হিসাবে মূলধন কমেছে দশমিক ৪৫ শতাংশ। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই অবস্থায় লেনদেন হয়েছে।

বিদায়ী (২০-২৪ নভেম্বর) সপ্তাহে পুঁজিবাজারে মোট পাঁচ কর্মদিবস লেনদেন হয়েছে। এ পাঁচ দিনের মধ্যে সপ্তাহের প্রথম দুদিন কর্মদিবস দরপতনের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে। এরপর দিন মঙ্গলবার সূচক বৃদ্ধি হয়েছে। তারপর দিন সূচক পতন এবং সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছে সূচক বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে।

আলোচিত এ সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৭৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ৮০টির, আর অপরিবর্তিত ছিল ২৭৫টির।

লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমায় বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ৫০ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ২১৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইর অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস সূচক ১০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩৫৪ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ১০ পয়েন্ট কমে দুই হাজার ১৮৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬৭ কোটি ৯৫ লাখ ৮২ হাজার ৪৮২ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ২০ কোটি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬ টাকা। টাকার অংকে লেনদেন কমেছে ৯ হাজার ৫২ কোটি ৬ লাখ ১ হাজার ৫২৪ টাকার। যা শতাংশের হিসাবে কমেছে ৩১ দশমিক ৫২ শতাংশ।

বিদায়ী সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে জেনেক্স ইনফোসেস, ওরিয়ন ফার্মা, বসুন্ধরা পেপার মিলস, নাভানা ফার্মা, পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন হাউজিং, রয়েল টিউলিপ সি পার্ল, ইন্ট্রাকো, সামিট এলায়েন্স পোর্ট এবং স্কয়ার ফার্মাসিটিউক্যালস লিমিটেডের শেয়ার।

একই অবস্থায় লেনদেন হয়েছে দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। বিদায়ী সপ্তাহে সিএসইর সার্বিক সূচক ১৫৩ পয়েন্ট কমে ১৮ হাজার ৩৩৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এসময়ে লেনদেন হয়েছে ৫৩ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার ১৪২ টাকা। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৫৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

লেনদেন হওয়া ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের, কমেছে ৬৬টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬১টির দাম।