অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোরশেদ আলমের সহোযোগিতায় মনিরা খাতুনের অপারেশন সম্পূর্ণ

দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি
১১ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:১৩ অপরাহ্ন
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে অপারেশনের সময় রোগীর পেটে কাঁচি রেখেই সেলাই কাজ সম্পন্ন করায়। গত দেড় বছর আগে মনিরা খাতুন(১৭) নামের ওই কিশোরীর অপারেশন করেন,ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এক চিকিৎসক নামে অভিযোগ উঠে পেটে কাঁচি রেখেই তিনি অপারেশন সম্পূর্ণ করেন। দির্ঘ্য দিন ধরে সেই কিশোরী যন্ত্রণা ভোগ করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যখন খবরটি প্রকাশিত হয়, তখনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোরশেদ আলমের চোঁখে পড়েন বিষয়টি। তাতক্ষনিক সংবাদটি দেখার সাথে সাথে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোরশেদ আলম,তার দায়িত্বাধীন এলাকা হওয়ায় ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেন। খুব দ্রুততার সাথে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষটি রেসপন্স করেন। সার্জারী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক রতন কুমার সাহা মহোদয়ের সার্বিক তত্তাবধানে আজ বেলা ০২ টায় মনিরা খাতুন এর অপারেশন সফলভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানা যায়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোরশেদ আলম "দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি" পত্রিকার সাংবাদিকদের জানান,জীবনের মূল মানেটা হলো নিজের সব কিছু দিয়ে মানবতার সেবা করা। ঘটনাটি দেখার পরে আমার মনে হলো,মানবতার ধর্ম হলো অন্যকে ভালোবাসা। যে মূহুর্তে আপনার মানুষকে মানুষ এর মতো ভাবতে কষ্ট হবে,ঠিক তখনই আপনি মানবতা হারিয়ে ফেলবেন। তাই আপনাদের কখনোই মানবতার উপর থেকে বিশ্বাস হারানো উচিত নয়। কারণ পুরো মানবজাতি হলো এক সমুদ্রের মতো। এখানে দু এক ফোটা নোংরা থাকলে কিন্তু পুরো সাগরটা দূষিত হয় না। তিনি আরো বলেন,সাংবাদিকদের এমন সংবাদ সংগ্রহ করায় আজ একটি নিষ্পাপ জীবন আলোর মূখ দেখতে পেরেছে। তাই সংবাদ কর্মীর সংবাদ সংগ্রহ করাতেই আজ আমি একটি মহৎ কাজ করতে পেরেছি বলে তিনি জানান। আমি আল্লাহ এর একজন বান্দা এবং এ কারণে আমি এটা বিশ্বাস করি যে মানুষ হয়ে মানুষকে ঘৃণা করা এক প্রকার পাপ। তাই আসুন সবাই মিলে হাতে হাত রেখে এই সমাজকে কিছু ভালো উপহার দেই।


মাহমুদুল হাসান জসিম/আমাদের মাতৃভূমি