শহর সমাজসেবার দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ

দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি
১২ জুন ২০২২, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
Link Copied!

নাহিদা আক্তার পপি


শহর সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম, শহর এলাকার উন্নত জীবন এবং যত্নশীল সমাজ প্রতিষ্ঠার রূপকল্পে সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি শহর এলাকার পিছিয়ে পড়া ও সমস্যাগ্রস্থ জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও জীবনমান উন্নয়নের অভিলক্ষ্যে লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীকে সংগঠিতকরণ, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সমূহের কর্মকান্ডের সমন্বয় সাধন, সামাজিক কার্যক্রম গ্রহণ ও সুদমুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ বিষয়ে গত ৯ জুন সকাল ১১ টায় মগবাজারস্থ নগর সমাজসেবা কার্যালয়ের হলরুমে এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। 


সেমিনারটি উদ্বোধন করেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সেমিনারে বক্তব্য প্রদান করেন বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আদিল মুক্তাকিন, ঢাকা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সালমা বেগম ও নগর সমাজসেবা কার্যালয়ের সমাজসেবা অফিসার মোঃ জিয়াউর রহমান, রাজনৈতিক নেত্রী মারুফা আক্তার পপি, রমনা মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ। সেমিনারে বিষয়বস্তু ও মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপন করেন সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর। 


উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন বলেন, দেশে অনেক আশ্রয় কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। আশা করি দরিদ্র জনগোষ্ঠী কেন্দ্রে থাকবে, খাবে, ঘুমাবে ও ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহণ করতে পারবে। সবাই সরকার, সবাইকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে এই ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থা। দেশে জনগনের বৃদ্ধি, তাতে সমস্যা নাই, প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা বিদেশে গিয়ে বেশী বেশী অর্জন করবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সমাজসেবার মাধ্যমে বেশী বেশী কাজ করাচ্ছেন। করোনাকালীন এক কোটি মানুষকে মোবাইলের মাধ্যমে ভাতা দিয়েছেন। 


বর্তমানে ৬৪ জেলার সকল সিটি কর্পোরেশন ও জেলা শহরসহ সর্বমোট ৮০টি ইউনিট দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অদক্ষ জনগোষ্ঠীকে দেশ-বিদেশের চাহিদা বিবেচনা করে কারিগরী প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তরিত করে ২০৩০ সালের মধ্যে ঝউএ এর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ২০৩১ সালের মধ্যে অতিদরিদ্রের হার কমিয়ে সরকার ঘোষিত দেশকে উন্নত দেশের মর্যাদায় উন্নীত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। সেমিনারে প্রায় ২২ জন বিভিন্ন সেক্টরের সমাজকর্মী, এনজিও কর্মকর্তা, পুলিশ ও সাংবাদিক অংশ গ্রহণ করেন। সেমিনারে অংশ গ্রহণকারীরা কয়েকটি সুপারিশ উপস্থাপন করেন। সমাজসেবার কার্যক্রম নগর থেকে গ্রামাঞ্চলে পরিধি বিস্তার লাভ করা। 


আলোর সন্ধানে সংস্থার মাধ্যমে গ্রামের মানুষদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের সহায়তা করতে চান। প্রতিবন্ধীর সন্তানদের শিক্ষাক্ষেত্রে সহায়তার কথা বলেন। শারিরীক প্রতিবন্ধীরা ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে কিভাবে সহায়তা পাবে? পুলিশ কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন-সরকার ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করছেন কিন্তু তারা আবারও ফিরে এসে রাস্তায় ভিক্ষাবৃত্তি শুরু করে। রাস্তায় প্রতিবন্ধী ও ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করার কথা বলেন। 


যদিও ভিক্ষুকদের জন্যে সমাজসেবার পুর্নবাসন কার্যক্রম রয়েছে বলে জানান। মা ও শিশুর যতœ, শিক্ষা, বাল্য বিবাহ, নিরাপত্তা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, নিয়ে নগর ইউনিটের কর্মকর্তারা কাজ করছেন। সেমিনার আয়োজনে সার্বিক সহায়তায় ছিলেন-প্রশিক্ষক মোঃ সুজন মিয়া, পৌর সমাজকর্মী মাহাবুব আলম ও পৌর সমাজকর্মী শেখ আবু আরিফ ফেরদৌস। ছবি: মোস্তাফিজ মিন্টু।