সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারের উচ্চপদস্থদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, গ্রেপ্তার ৬ ‘অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী একাধিক দুর্নীতি মামলার আসামি তবুও সিডিএর ক্ষমতাধর কর্মকর্তা হাসান! পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইওএম মিশন প্রধানের বৈঠক দুই মাস পর আবারও শুরু চাল বিতরণ, সুবিধা পাচ্ছে ১৭ হাজার পরিবার বরগুনায় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সভা-২০২৬ অনুষ্ঠিত পানি প্রকল্পে ১০ কোটি টাকার লুট, কাজের আগেই কোটি টাকার বিল উত্তোলন একটি ঘরের অপেক্ষায় অসহায় রাসেল মন্ডল পরিবার-প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে মানবেতর জীবন ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডেটার স্বাধীনতা ও আস্থা বাড়াতে হবে : পরিকল্পনামন্ত্রী

ইসরাইলে প্রতিশোধমূলক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান

গত ২৬ অক্টোবর ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে প্রতিশোধমূলক তিন দফায় হামলা চালিয়েছিল ইসরাইলি যুদ্ধবিমান। মার্কিন নির্বাচনের আগেই ইসরাইলের এই হামলার জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিল ইরান। তবে তা হয়নি।

এবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সিনিয়র উপদেষ্টা আলি লারিজানি বলেছেন, ইসরাইলকে যথাযথ জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তার দেশ। তবে প্রতিক্রিয়ার ধরন বা পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেননি।

সংবাদ সংস্থা তাসনিমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই জবাব দেবে ইরান।

লারিজানি তার সাম্প্রতিক সিরিয়া ও লেবানন সফরের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, আমার সাম্প্রতিক সফরে হিজবুল্লাহ কমান্ডারদের মধ্যে যে উচ্চ মনোবল দেখেছি তা অভাবনীয়। নেতানিয়াহু দাবি করেছেন যে হিজবুল্লাহর সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে গেছে। কিন্তু আমি তাকে জিজ্ঞাসা করতে চাই, হিজবুল্লাহর তাদের সামরিক সরঞ্জাম কী তাহলে মঙ্গলগ্রহ থেকে নামিয়ে এনেছে?

তিনি আরো বলেন, আমি লেবাননে কাউকে হিজবুল্লাহকে রাজনৈতিক সমীকরণ থেকে সরানোর বিষয়ে কথা বলতে শুনিনি; লেবাননে রাজনীতিতে প্রতিরোধ একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা।

লারিজানি জোর দিয়ে বলেন, ইসরাইলি সৈন্যরা দক্ষিণ লেবাননে অগ্রসর হয়নি কারণ তারা হিজবুল্লাহর কঠোর প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছে।

গত ১ অক্টোবর ইসরাইলকে লক্ষ্য করে প্রায় ২০০ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল ইরান।  হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়া, হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ ও নিজেদের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) এক কমান্ডারের হত্যাকাণ্ডের জবাবে ইসরাইলে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছিল তেহরান।  তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকাংশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই ভূপাতিত করার দাবি করে ইসরাইল।

এ হামলার জবাবে ২৬ অক্টোবর ভোরে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ তিনটি প্রদেশে তিন দফায় বিমান হামলা চালায় ইসরাইল।

এছাড়া চলতি বছরের এপ্রিলে উভয় দেশের মধ্যে প্রথমবারের মতো সরাসরি পাল্টাপাল্টি হামলা হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের উচ্চপদস্থদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, গ্রেপ্তার ৬

ইসরাইলে প্রতিশোধমূলক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান

আপডেট সময় ০৪:৪৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৪

গত ২৬ অক্টোবর ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে প্রতিশোধমূলক তিন দফায় হামলা চালিয়েছিল ইসরাইলি যুদ্ধবিমান। মার্কিন নির্বাচনের আগেই ইসরাইলের এই হামলার জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিল ইরান। তবে তা হয়নি।

এবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সিনিয়র উপদেষ্টা আলি লারিজানি বলেছেন, ইসরাইলকে যথাযথ জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তার দেশ। তবে প্রতিক্রিয়ার ধরন বা পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেননি।

সংবাদ সংস্থা তাসনিমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই জবাব দেবে ইরান।

লারিজানি তার সাম্প্রতিক সিরিয়া ও লেবানন সফরের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, আমার সাম্প্রতিক সফরে হিজবুল্লাহ কমান্ডারদের মধ্যে যে উচ্চ মনোবল দেখেছি তা অভাবনীয়। নেতানিয়াহু দাবি করেছেন যে হিজবুল্লাহর সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে গেছে। কিন্তু আমি তাকে জিজ্ঞাসা করতে চাই, হিজবুল্লাহর তাদের সামরিক সরঞ্জাম কী তাহলে মঙ্গলগ্রহ থেকে নামিয়ে এনেছে?

তিনি আরো বলেন, আমি লেবাননে কাউকে হিজবুল্লাহকে রাজনৈতিক সমীকরণ থেকে সরানোর বিষয়ে কথা বলতে শুনিনি; লেবাননে রাজনীতিতে প্রতিরোধ একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা।

লারিজানি জোর দিয়ে বলেন, ইসরাইলি সৈন্যরা দক্ষিণ লেবাননে অগ্রসর হয়নি কারণ তারা হিজবুল্লাহর কঠোর প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছে।

গত ১ অক্টোবর ইসরাইলকে লক্ষ্য করে প্রায় ২০০ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল ইরান।  হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়া, হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ ও নিজেদের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) এক কমান্ডারের হত্যাকাণ্ডের জবাবে ইসরাইলে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছিল তেহরান।  তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকাংশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই ভূপাতিত করার দাবি করে ইসরাইল।

এ হামলার জবাবে ২৬ অক্টোবর ভোরে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ তিনটি প্রদেশে তিন দফায় বিমান হামলা চালায় ইসরাইল।

এছাড়া চলতি বছরের এপ্রিলে উভয় দেশের মধ্যে প্রথমবারের মতো সরাসরি পাল্টাপাল্টি হামলা হয়।