ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী তেজগাঁও থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিউজ নেটওয়ার্ক নীলফামারীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা মঠবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কীর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন তাকওয়া ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাজনীতি নিষিদ্ধ ববিতে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের কাউন্সিল, পূর্ণাঙ্গ কমিটির আত্মপ্রকাশ   পোষা বিড়ালের আঁচড়ের পর থেকে ‘মিউ মিউ’ করছে শিশু আদ্রিতা

সরকারকে ধন্যবাদ দিয়ে আরো যা ‘পদক্ষেপ’ নিতে বললেন নূরুল কবির

বিমানবন্দরে হয়রানির ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবির। এর আগে এক মিডিয়া কনফারেন্সে অংশ নিতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পুলিশি জেরা এবং হয়রানির মুখে পড়েন তিনি।

শনিবার এই বিষয়ে ফেসবুকে পোস্ট করার পরপরই নূরুল কবিরকে হয়রানির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে দেয়া এক বার্তায় জানানো হয়, এ ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস।  অন্তর্বর্তী সরকার দেশে কোনো সাংবাদিক হয়রানির ঘটনা সহ্য করবে না।

আজ সোমবার (২৫ নভেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে সরকারের পদক্ষেপ গ্রহণে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নূরুল কবির।

ফেসবুক নিউ এজ সম্পাদক লিখেন, ‘ঢাকা বিমানবন্দরে আমাকে যে হয়রানি করা হয়েছিল তার দ্রুত পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যতে কোনো সাংবাদিককে এ ধরনের হয়রানির শিকার হতে হবে না বলে ঘোষণা দেওয়ার জন্য আমি সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ জানাই’।

তবে এ ঘটনায় জুনিয়র ইমিগ্রেশন পুলিশ অফিসার শাস্তির মুখে পড়ায় আহত হয়েছেন তিনি।  নূরুল কবিরের মতে, বিমানবন্দরে সন্দেহভাজন অপরাধীদের আটকাতে এই ধরনের তালিকা তৈরির পেছনে শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা জড়িত।  আর জুনিয়র অফিসারা এই নির্দেশ পালন করেন।  তাই শীর্ষ পর্যায়ের কারো গাফিলতির জন্য জুনিয়র অফিসারের শাস্তি পাওয়া অনায্য।

নূরুল কবির লিখেন, ‘আমার হয়রানির জন্য বিমানবন্দরে দায়িত্বরত জুনিয়র ইমিগ্রেশন পুলিশ অফিসারকে শাস্তি দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তে আমি বিরক্ত।  এই অফিসার বিমানবন্দরে যাদের আটকাতে হবে এই তালিকা তৈরি করেননি, বরং তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা করেছেন’।

তিনি আরো বলেন, ‘তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে শালীন ছিলেন এবং তিনি তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছ থেকে আমার ছেড়ে যাওয়ার জন্য ছাড়পত্র নেওয়ার চেষ্টা করতে দেখেছি’।

‘এই ভদ্রলোককে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে একজন জুনিয়র অফিসারকে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার জন্য বলির পাঁঠা।  তাই এটা অগ্রহণযোগ্য।  সরকারী কর্তৃপক্ষের বরং তদন্ত করা উচিত এবং শীর্ষ পর্যায়ের যারা তালিকা তৈরি করেছে এবং স্বৈরাচারী শাসনের উৎখাতের পরও নিরীহ যাত্রীদের হয়রানি চালিয়ে গেছে তাদের খুঁজে বের করা উচিত’।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সরকারকে ধন্যবাদ দিয়ে আরো যা ‘পদক্ষেপ’ নিতে বললেন নূরুল কবির

আপডেট সময় ০৩:২৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৪

বিমানবন্দরে হয়রানির ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবির। এর আগে এক মিডিয়া কনফারেন্সে অংশ নিতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পুলিশি জেরা এবং হয়রানির মুখে পড়েন তিনি।

শনিবার এই বিষয়ে ফেসবুকে পোস্ট করার পরপরই নূরুল কবিরকে হয়রানির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে দেয়া এক বার্তায় জানানো হয়, এ ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস।  অন্তর্বর্তী সরকার দেশে কোনো সাংবাদিক হয়রানির ঘটনা সহ্য করবে না।

আজ সোমবার (২৫ নভেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে সরকারের পদক্ষেপ গ্রহণে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নূরুল কবির।

ফেসবুক নিউ এজ সম্পাদক লিখেন, ‘ঢাকা বিমানবন্দরে আমাকে যে হয়রানি করা হয়েছিল তার দ্রুত পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যতে কোনো সাংবাদিককে এ ধরনের হয়রানির শিকার হতে হবে না বলে ঘোষণা দেওয়ার জন্য আমি সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ জানাই’।

তবে এ ঘটনায় জুনিয়র ইমিগ্রেশন পুলিশ অফিসার শাস্তির মুখে পড়ায় আহত হয়েছেন তিনি।  নূরুল কবিরের মতে, বিমানবন্দরে সন্দেহভাজন অপরাধীদের আটকাতে এই ধরনের তালিকা তৈরির পেছনে শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা জড়িত।  আর জুনিয়র অফিসারা এই নির্দেশ পালন করেন।  তাই শীর্ষ পর্যায়ের কারো গাফিলতির জন্য জুনিয়র অফিসারের শাস্তি পাওয়া অনায্য।

নূরুল কবির লিখেন, ‘আমার হয়রানির জন্য বিমানবন্দরে দায়িত্বরত জুনিয়র ইমিগ্রেশন পুলিশ অফিসারকে শাস্তি দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তে আমি বিরক্ত।  এই অফিসার বিমানবন্দরে যাদের আটকাতে হবে এই তালিকা তৈরি করেননি, বরং তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা করেছেন’।

তিনি আরো বলেন, ‘তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে শালীন ছিলেন এবং তিনি তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছ থেকে আমার ছেড়ে যাওয়ার জন্য ছাড়পত্র নেওয়ার চেষ্টা করতে দেখেছি’।

‘এই ভদ্রলোককে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে একজন জুনিয়র অফিসারকে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার জন্য বলির পাঁঠা।  তাই এটা অগ্রহণযোগ্য।  সরকারী কর্তৃপক্ষের বরং তদন্ত করা উচিত এবং শীর্ষ পর্যায়ের যারা তালিকা তৈরি করেছে এবং স্বৈরাচারী শাসনের উৎখাতের পরও নিরীহ যাত্রীদের হয়রানি চালিয়ে গেছে তাদের খুঁজে বের করা উচিত’।