ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমারে সীমান্ত সম্মেলন শুরু, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে গুরুত্বারোপ

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) মধ্যে অষ্টম সীমান্ত সম্মেলন শুরু হয়েছে। এবারের সম্মেলনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, সীমান্তে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিরসন, মাদক পাচার রোধ ও দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। 

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোয়ে পাঁচ দিনব্যাপী অষ্টম সীমান্ত সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু হয়।

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

অন্যদিকে ডেপুটি চিফ অব মিয়ানমার পুলিশ ফোর্সের মেজর জেনারেল অং নেইং থুয়ের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন।

মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলে বিজিপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও দেশটির প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র এবং অভিবাসন ও জনসংখ্যা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে সীমান্তে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিরসন, আকাশ সীমা লঙ্ঘন, আন্ত:রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, আন্ত:সীমান্ত অপরাধী চক্রের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ, ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ অন্যান্য মাদক ও মানব পাচার রোধ এবারের সম্মেলনে পাধান্য পাবে।

এছাড়া সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সীমান্ত সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান, যৌথ টহল পরিচালনা, রিজিয়ন ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে নিয়মিত সমন্বয় সভা/পতাকা বৈঠক আয়োজন, আটক হওয়া/সাজাভোগ করা উভয় দেশের নাগরিকদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তন। পাশাপাশি বিজিবি ও বিজিপির মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির বিভিন্ন উপায় নিয়ে কার্যকর ও ফলপ্রসূ আলোচনা হবে।

সম্মেলন শেষে আগামী ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারে সীমান্ত সম্মেলন শুরু, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে গুরুত্বারোপ

আপডেট সময় ০৬:১১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২২

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) মধ্যে অষ্টম সীমান্ত সম্মেলন শুরু হয়েছে। এবারের সম্মেলনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, সীমান্তে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিরসন, মাদক পাচার রোধ ও দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। 

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোয়ে পাঁচ দিনব্যাপী অষ্টম সীমান্ত সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু হয়।

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

অন্যদিকে ডেপুটি চিফ অব মিয়ানমার পুলিশ ফোর্সের মেজর জেনারেল অং নেইং থুয়ের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন।

মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলে বিজিপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও দেশটির প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র এবং অভিবাসন ও জনসংখ্যা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে সীমান্তে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিরসন, আকাশ সীমা লঙ্ঘন, আন্ত:রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, আন্ত:সীমান্ত অপরাধী চক্রের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ, ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ অন্যান্য মাদক ও মানব পাচার রোধ এবারের সম্মেলনে পাধান্য পাবে।

এছাড়া সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সীমান্ত সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান, যৌথ টহল পরিচালনা, রিজিয়ন ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে নিয়মিত সমন্বয় সভা/পতাকা বৈঠক আয়োজন, আটক হওয়া/সাজাভোগ করা উভয় দেশের নাগরিকদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তন। পাশাপাশি বিজিবি ও বিজিপির মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির বিভিন্ন উপায় নিয়ে কার্যকর ও ফলপ্রসূ আলোচনা হবে।

সম্মেলন শেষে আগামী ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।