ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বারী সিদ্দিকীকে হারানোর ৫ বছর আজ

তার কণ্ঠ শহর পেরিয়ে গ্রাম, সবখানে ছড়িয়ে গিয়েছিল বিশুদ্ধ বাতাসের মতো। তিনি সহজ কথা, সুরে গাইতেন ঠিকই। কিন্তু সেই সুর গেঁথে যেত মানুষের হৃদয়ে। তিনি বারী সিদ্দিকী। আজ (২৪ নভেম্বর) কিংবদন্তি এই শিল্পীর চলে যাওয়ার দিন।

২০১৭ সালের এই দিনে দেশের লোকসংগীতে অসামান্য শূন্যতা তৈরি করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। এই দিনে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।

উপমহাদেশের বিখ্যাত বংশীবাদক ছিলেন তিনি। ১৯৮০ সাল থেকে টানা দুই দশক তিনি বাঁশি বাজিয়ে বিশ্ব জয় করেছেন তিনি। তিনি যখন বাঁশি বাজাতেন, সামনে থাকা শ্রোতাদের হৃদয় শীতল হয়ে চোখের সীমানা বেয়ে নেমে আসত জল।

১৯৯৯ সালে জেনেভায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাঁশি সম্মেলনে গোটা ভারতীয় উপমহাদেশ থেক একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে বারী সিদ্দিকী অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই বাঁশি বাজান বারী। তাও একটানা ৪৫ মিনিট। অসাধারণ সেই পরিবেশনায় তিনি মুগ্ধ করেন বিশ্ব শ্রোতাদের। এরপর দেশ-বিদেশের বহু অনুষ্ঠানে বাঁশির সুরে হৃদয় স্পর্শ করেছেন এই শিল্পী।

বারী সিদ্দিকীর গাওয়া কালজয়ী গানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ‘শুয়া চান পাখি’, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’, ‘সাড়ে তিন হাত কবর’, ‘রজনী’, ‘আমি একটা জিন্দা লাশ’, ‘পুবালি বাতাসে’, মানুষ ধরো মানুষ ভজো’ ও ‘আমার মন্দ স্বভাব জেনেও’ ইত্যাদি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বারী সিদ্দিকীকে হারানোর ৫ বছর আজ

আপডেট সময় ০২:৩৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২২

তার কণ্ঠ শহর পেরিয়ে গ্রাম, সবখানে ছড়িয়ে গিয়েছিল বিশুদ্ধ বাতাসের মতো। তিনি সহজ কথা, সুরে গাইতেন ঠিকই। কিন্তু সেই সুর গেঁথে যেত মানুষের হৃদয়ে। তিনি বারী সিদ্দিকী। আজ (২৪ নভেম্বর) কিংবদন্তি এই শিল্পীর চলে যাওয়ার দিন।

২০১৭ সালের এই দিনে দেশের লোকসংগীতে অসামান্য শূন্যতা তৈরি করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। এই দিনে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।

উপমহাদেশের বিখ্যাত বংশীবাদক ছিলেন তিনি। ১৯৮০ সাল থেকে টানা দুই দশক তিনি বাঁশি বাজিয়ে বিশ্ব জয় করেছেন তিনি। তিনি যখন বাঁশি বাজাতেন, সামনে থাকা শ্রোতাদের হৃদয় শীতল হয়ে চোখের সীমানা বেয়ে নেমে আসত জল।

১৯৯৯ সালে জেনেভায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাঁশি সম্মেলনে গোটা ভারতীয় উপমহাদেশ থেক একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে বারী সিদ্দিকী অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই বাঁশি বাজান বারী। তাও একটানা ৪৫ মিনিট। অসাধারণ সেই পরিবেশনায় তিনি মুগ্ধ করেন বিশ্ব শ্রোতাদের। এরপর দেশ-বিদেশের বহু অনুষ্ঠানে বাঁশির সুরে হৃদয় স্পর্শ করেছেন এই শিল্পী।

বারী সিদ্দিকীর গাওয়া কালজয়ী গানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ‘শুয়া চান পাখি’, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’, ‘সাড়ে তিন হাত কবর’, ‘রজনী’, ‘আমি একটা জিন্দা লাশ’, ‘পুবালি বাতাসে’, মানুষ ধরো মানুষ ভজো’ ও ‘আমার মন্দ স্বভাব জেনেও’ ইত্যাদি।